ঢাকা ১২:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয় দেয়া এক নারী আটক নারী ও কিশোরীদের জন্য নিরাপদ ডিজিটাল নিরাপত্তা পরিবেশ গঠনের অঙ্গীকার: টেকনাফে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত মহেশখালীর ধলঘাটার ফাটাঘোনা ও মিলঘোনা উন্মুক্ত নিলামের দাবি, সংঘর্ষের আশঙ্কায় জমির মালিকরা বিআইডব্লিউটিএ পরিচালক আরিফ উদ্দিন সাময়িকভাবে বরখাস্ত : কক্সবাজারেও তার বিরুদ্ধে রয়েছে অভিযোগ হরমুজ প্রণালি থেকে যেভাবে বের হয়ে এলো বাংলার জয়যাত্রা কক্সবাজারে ৩ দিনের সফরে আসছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ​টেকনাফে দুদকের দুর্নীতি বিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা সম্পন্ন, চ্যাম্পিয়ন বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুল গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটি : সভাপতি জিল্লু চৌধুরী ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে মারা গেলেন রিকশাচালক মোহাম্মদ রফিক ২৮ জুন জেলায় ৪ লাখ ৯৩ হাজার ৩১৫ জন শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন এ ক্যাপসুল নাইক্ষ্যংছড়ির গহিন জঙ্গল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির কঙ্কাল উদ্ধার আ’লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে কক্সবাজারে বিএনপি অঙ্গ সংগঠনের প্রতিরোধ মিছিল এসএসসির ফল প্রকাশ ২০ জুলাই: শিক্ষামন্ত্রী টেকনাফে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস খাদে, আহত ৪ আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত নেবে আদালত: তথ্য উপদেষ্টা

রামুর আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

রামু উপজেলার আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল মজিদ ওরফে বদাইয়া (৪৫) অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে প্রায় এক দশক ধরে আত্মগোপনে থাকা এ আসামি।

সোমবার (২২ জুন) সকালে রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আব্দুল মজিদ রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়বিল এলাকার বাসিন্দা এবং হাজী জাকের আহমদ সওদাগরের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সকাল ১১টার দিকে বড়বিল এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর বড়বিল এলাকায় খেলার সময় নিখোঁজ হয় মো. ফোরকান (মিন্টু) এর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মো. হোসেন (৮)। পরে তাদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনাটি সে সময় পুরো রামু উপজেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার রায়ে আব্দুল মজিদসহ সংশ্লিষ্ট আসামিদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “দীর্ঘদিন আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।”

আসামি গ্রেফতারের খবরে বড়বিলসহ আশপাশের এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা পুলিশের এ অভিযানের প্রশংসা করে মামলার অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, প্রায় এক দশক ধরে জনমনে ক্ষত হয়ে থাকা এই শিশু হত্যা মামলার অন্যতম দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির গ্রেফতার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ায় ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয় দেয়া এক নারী আটক

রামুর আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

রামু উপজেলার আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল মজিদ ওরফে বদাইয়া (৪৫) অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে প্রায় এক দশক ধরে আত্মগোপনে থাকা এ আসামি।

সোমবার (২২ জুন) সকালে রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আব্দুল মজিদ রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়বিল এলাকার বাসিন্দা এবং হাজী জাকের আহমদ সওদাগরের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সকাল ১১টার দিকে বড়বিল এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর বড়বিল এলাকায় খেলার সময় নিখোঁজ হয় মো. ফোরকান (মিন্টু) এর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মো. হোসেন (৮)। পরে তাদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনাটি সে সময় পুরো রামু উপজেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার রায়ে আব্দুল মজিদসহ সংশ্লিষ্ট আসামিদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “দীর্ঘদিন আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।”

আসামি গ্রেফতারের খবরে বড়বিলসহ আশপাশের এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা পুলিশের এ অভিযানের প্রশংসা করে মামলার অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, প্রায় এক দশক ধরে জনমনে ক্ষত হয়ে থাকা এই শিশু হত্যা মামলার অন্যতম দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির গ্রেফতার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।