ঢাকা ০৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফের বাহারছড়ায় ৫০ লিটার দেশীয় মদসহ আটক ১ পেকুয়ায় পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত নারী এশিয়া কাপ : রাতে মাঠে নামছে বাংলাদেশ রামুতে ট্রেনে কাটা পড়ে যুবক নিহত প্রেমিকের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের চাপ ও নির্যাতনের অভিযোগ, মৃত্যুর আগে প্রকাশ্যে বিচার চেয়েছিলো সুমাইয়া কক্সবাজার সমিতি কাতারের অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান লোহাগাড়ায় পেয়ারার প্রলোভনে ৫ বছরের কন্যাকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ : ৫৫ বছরের বৃদ্ধ আটক শিক্ষার মানোন্নয়নে গর্জনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ গঠনতন্ত্রের বাধ্যবাধকতায় প্রার্থী হতে পারিনি, সহকর্মীদের পাশে থাকবো-উখিয়া প্রেসক্লাবের ৩ বারের সভাপতি সাঈদ মুহাম্মদ আনোয়ার মগনামায় বিএনপির প্রস্তুতি সভায় বাকবিতন্ডা- হট্টগোল বালিয়াড়ীতে সড়ক নির্মানের বাংলাদেশ-জাপান যৌথ উদ্যোগ পুনর্বিবেচনার আহ্বান টিআইবির মোবাইলে পর্ণ ভিডিও পাওয়ায় ১৪ দিনের কারাদন্ড বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পেকুয়ায় যুবদলের প্রস্তুতি সভা কক্সবাজারে পালং সার্ভিসের গাড়ি থেকে ২৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২

রামুর আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

রামু উপজেলার আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল মজিদ ওরফে বদাইয়া (৪৫) অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে প্রায় এক দশক ধরে আত্মগোপনে থাকা এ আসামি।

সোমবার (২২ জুন) সকালে রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আব্দুল মজিদ রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়বিল এলাকার বাসিন্দা এবং হাজী জাকের আহমদ সওদাগরের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সকাল ১১টার দিকে বড়বিল এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর বড়বিল এলাকায় খেলার সময় নিখোঁজ হয় মো. ফোরকান (মিন্টু) এর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মো. হোসেন (৮)। পরে তাদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনাটি সে সময় পুরো রামু উপজেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার রায়ে আব্দুল মজিদসহ সংশ্লিষ্ট আসামিদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “দীর্ঘদিন আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।”

আসামি গ্রেফতারের খবরে বড়বিলসহ আশপাশের এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা পুলিশের এ অভিযানের প্রশংসা করে মামলার অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, প্রায় এক দশক ধরে জনমনে ক্ষত হয়ে থাকা এই শিশু হত্যা মামলার অন্যতম দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির গ্রেফতার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফের বাহারছড়ায় ৫০ লিটার দেশীয় মদসহ আটক ১

রামুর আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

আপডেট সময় : ০৭:২৮:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

রামু উপজেলার আলোচিত দুই শিশু হত্যা মামলার যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আব্দুল মজিদ ওরফে বদাইয়া (৪৫) অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে প্রায় এক দশক ধরে আত্মগোপনে থাকা এ আসামি।

সোমবার (২২ জুন) সকালে রামু থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আব্দুল মজিদ রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বড়বিল এলাকার বাসিন্দা এবং হাজী জাকের আহমদ সওদাগরের ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গর্জনিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই মোহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সকাল ১১টার দিকে বড়বিল এলাকায় নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ১৭ জানুয়ারি বিকেলে রামুর বড়বিল এলাকায় খেলার সময় নিখোঁজ হয় মো. ফোরকান (মিন্টু) এর দুই ছেলে মোহাম্মদ হাসান (১১) ও মো. হোসেন (৮)। পরে তাদের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় অপহরণ ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। ঘটনাটি সে সময় পুরো রামু উপজেলায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছিল।

দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার রায়ে আব্দুল মজিদসহ সংশ্লিষ্ট আসামিদের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান।

রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, “দীর্ঘদিন আইনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হবে।”

আসামি গ্রেফতারের খবরে বড়বিলসহ আশপাশের এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা পুলিশের এ অভিযানের প্রশংসা করে মামলার অন্যান্য অপরাধীদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের মতে, প্রায় এক দশক ধরে জনমনে ক্ষত হয়ে থাকা এই শিশু হত্যা মামলার অন্যতম দণ্ডপ্রাপ্ত আসামির গ্রেফতার ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।