কক্সবাজারের মাতামুহুরি উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ডলনীঘোনায় মা-মেয়েকে ধর্ষণ ও বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে ও ৫জনকে অজ্ঞাত দেখিয়ে মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু হয়েছে।
বুধবার (১১ জুন) চকরিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন ভিকটিমের এক আত্মীয়।
পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নে সংঘটিত এই সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ৫ জন ডাকাত গ্রেফতার করেছে পুলিশ ।
এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, ৯ জুন দিবাগত রাত ২ টা ৪০ থেকে ৩ টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ডলনী ঘোনার একটি পাকা বাড়ির গ্রিল কেটে ১০/১২ জনের একটি ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভুক্তভোগীর বসতবাড়িতে প্রবেশ করে।
ডাকাতরা পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ লুট করে এবং ভুক্তভোগী পরিবারের মহিলা ও তার অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যাকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে।
ঘটনার সংবাদ প্রাপ্তির পর,চকরিয়া থানা পুলিশ ও মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সমন্বয়ে গঠিত একটি অভিযানিক টিম ডাকাতি ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে তাৎক্ষনিক অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের এক পর্যায়ে ঘটনার সাথে জড়িত ৫ জন আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেনঃ
১। তারেক (২৫), পিতা- আবু তাহের, সাং- কোরালখালী, ০৯ নং ওয়ার্ড, সাহারবিল ইউনিয়ন, ২। তোফাজ্জল হোসেন প্রকাশ বাবু (২৩), পিতা- মৃত আলমগীর ফারুক, মাতা- কামরুজ্জাহান, সাং- ডলনীঘোনা সিকদারপাড়া, ০৩ নং ওয়ার্ড, পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন, ৩। মেহেদী (২৪), পিতা- বশির আহমদ, সাং- কদ্দাছড়া, ০২ নং ওয়ার্ড, পূর্ব বড় ভেওলা, ৪। তানজীদ (২৫), পিতা- মনি আলম, সাং- ডলনীঘোনা সিকদারপাড়া, ০৩ নং ওয়ার্ড, পূর্ব বড় ভেওলা ও ৫। কেফায়েত হোসেন (২৫), পিতা- আলমগীর ফারুক, সাং- ডলনীঘোনা সিকদারপাড়া, ০৩ নং ওয়ার্ড, পূর্ব বড় ভেওলা।
গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে চকরিয়া থানায় সংশ্লীষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আটককৃত ৫ জন ছাড়াও এজাহারে নাম উল্লেখ করা আরো ২ জন আসামী এবং ৫ জন অজ্ঞাতনামা আসামী রয়েছে।
সাইফুল ইসলাম সাইফ 























