কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নে মোবাইল চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে দফায় দফায় সংঘর্ষ, বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং সিএনজিচালিত অটো রিকশা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় এক নেতার নেতৃত্বে ৬-৭ জন লোক এই তাণ্ডব চালায়।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্ধা খালী এলাকার প্রায় ছয় মাস আগে মোবাইল চুরির অভিযোগে এক যুবককে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি জেল থেকে জামিনে বেরিয়ে এসে ওই যুবক ও তার সহযোগীরা প্রতিশোধ নিতে মরিয়া হয়ে ওঠে। এরই জেরে গতকাল বিকেল থেকে কয়েক দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
হামলার এক পর্যায়ে একদল দুর্বৃত্ত চুরির অভিযোগে ধরিয়ে দেওয়া পরিবারগুলোর ওপর চড়াও হয়। এসময় তারা ওই পরিবারগুলোর মালিকানাধীন অন্তত ৪-৫টি সিএনজিচালিত অটো রিকশা ভাঙচুর করে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি চালায়।
পরবর্তীতে শনিবার (৯ মে) রাত ৯টার দিকে শিলখালী ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত সাব্বির আহমদের ছেলে শামসুর বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান জানান, “খবর পাওয়ার সাথে সাথে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। ব্যক্তিগত ও পূর্ব শত্রুতার জেরে এসব ঘটনা ঘটছে বলে জানা গেছে। ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিজস্ব প্রতিবেদক 




















