কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মাছভর্তি ব্যাগের ভেতরে লুকিয়ে ইয়াবা পাচারের চেষ্টা ব্যর্থ করে ৩০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তার এক সহযোগী পালিয়ে গেছে।
বিজিবি জানায়, গত শনিবার (৩ মে) মিয়ানমার থেকে জেলের ছদ্মবেশে একটি মাদক চালান টেকনাফে প্রবেশ করতে পারে বলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায়। এমন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি) নাজিরপাড়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় বিশেষ তল্লাশি অভিযানের পরিকল্পনা গ্রহণ করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী বিকেল ৫টা থেকে নাজিরপাড়া বেড়িবাঁধ সংলগ্ন জালিয়াপাড়া এলাকায় বিজিবির একটি আভিযানিক দল কৌশলগত অবস্থান নেয় এবং জেলেদের চলাচলের ওপর নজরদারি শুরু করে। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাছ শিকার শেষে ফেরার পথে জেলের ছদ্মবেশে দুইজন সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে একটি মাছভর্তি ব্যাগসহ আসতে দেখা যায়। বিজিবি সদস্যরা তাদের থামার সংকেত দিলে তারা তা অমান্য করে দ্রুত লবণের খেতের দিকে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করে একজনকে আটক করতে সক্ষম হয়। অপরজন পার্শ্ববর্তী গ্রামে পালিয়ে যায়। আটক ব্যক্তির সঙ্গে থাকা মাছভর্তি ব্যাগ তল্লাশি করে বিশেষ কৌশলে লুকানো ৩০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
আটক যুবকের নাম কোরবান আলী (২০)। তিনি টেকনাফের জালিয়াপাড়া এলাকার মৃত রমজান আলীর ছেলে।
টেকনাফ ব্যাটালিয়নের (২ বিজিবি) অধিনায়ক লেঃ কর্নেল মোঃ হানিফুর রহমান বলেন, আটক আসামি ও জব্দকৃত ইয়াবা পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বিজিবি’র এই কর্মকর্তা জানান, সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও জোরদার করা হবে।
বিশেষ প্রতিবেদক: 



















