ঢাকা ০৭:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঈদগাঁওতে মাছের প্রজেক্টে থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার যাচ্ছে জ্বালানি তেল, আসছে ইয়াবা- কাটাখালির শীর্ষ চোরাকারবারি কে এই ‘মামুন মহাবারুণী স্নানে মুখর কক্সবাজার: সমুদ্রসৈকতে পূণ্যার্থীদের ঢল চকরিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে শিশুর মৃত্যু সরকার গঠনের মাস পূর্তি: বিএনপির ইশতেহার থেকে বাস্তব যাত্রা ঈদের ছুটিতে বাড়ি ফেরার পথে একই পরিবারের ৩ জন নিহত বাংলাদেশে ঈদুল ফিতর কবে, যা জানা গেল আফগানিস্তানের হাসপাতালে পাকিস্তানের হামলা, নিহত ৪০০ প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি: কক্সবাজার রেলস্টেশন ও বিমানবন্দরসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফ্রি ইন্টারনেট সেবা বঙ্গবন্ধুর ১০৬তম জন্মদিন আজ পবিত্র শবে কদরের ফজিলত ও করণীয় রামুর টমটম চালক জিহাদ হত্যার প্রধান আসামি ‘টিকটকার’ আঁখি গ্রেপ্তার ঢাকা থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ৫২৮ ফ্লাইট বাতিল পেকুয়ায় আলোচিত মা–মেয়েকে সাজা দেওয়া সেই ইউএনও বদলি টানা ৭ দিনের ছুটি শুরু

মহাবারুণী স্নানে মুখর কক্সবাজার: সমুদ্রসৈকতে পূণ্যার্থীদের ঢল

  • রাহুল মহাজন:
  • আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • 71

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় আয়োজন বারুণী স্নান ও গঙ্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চৈত্র মাসের মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশী তিথিকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরের মতো এবারও ভক্তদের অংশগ্রহণে মুখর হয়ে ওঠে সমুদ্রসৈকত।

মঙ্গলবার ১৭ মার্চ সকাল থেকেই কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের কবিতা চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেন পূণ্যার্থীরা।বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কবিতা চত্বর ছাড়াও আশপাশের সৈকত এলাকায় পূণ্যার্থীদের ভিড় আরও বাড়তে থাকে।

ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, বারুণী স্নানের মাধ্যমে পাপ মোচন হয় এবং পুণ্য লাভ হয়। সেই বিশ্বাস থেকেই প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ, তরুণ-প্রবীণ—সব বয়সী ভক্তরা এই ধর্মীয় আয়োজনে অংশ নেন।

পুণ্য লাভের আশায় দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পদচারণায় দিনভর মুখর ছিল কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। দলে দলে আগত ভক্তরা সমুদ্রের জলে বারুণী স্নান করে গঙ্গাপূজা ও প্রার্থনায় অংশ নেন।

পূণ্যার্থীরা জানান, পাপ মোচন ও পুণ্য লাভের আশায় তারা এ স্নানে অংশ নিয়েছেন। একই সঙ্গে পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনাও করেন তারা।

বারুণী স্নান উপলক্ষে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলন,গীতাপাঠ,ধর্মীয় আলোচনা ও প্রার্থনাসহ নানা ধর্মীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অদ্বৈত-অচ্যুত মিশন বাংলাদেশ, কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। কোনো ধর্মই বিদ্বেষ বা বিভেদ ছড়ানোর শিক্ষা দেয় না; বরং সব ধর্মেই মানবতা, সহমর্মিতা ও শান্তির বাণী রয়েছে। তবে কিছু মানুষ ব্যক্তিস্বার্থে সমাজে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

নতুন বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির বন্ধনে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ট্যাগ :

ঈদগাঁওতে মাছের প্রজেক্টে থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার

মহাবারুণী স্নানে মুখর কক্সবাজার: সমুদ্রসৈকতে পূণ্যার্থীদের ঢল

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় আয়োজন বারুণী স্নান ও গঙ্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চৈত্র মাসের মধুকৃষ্ণ ত্রয়োদশী তিথিকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরের মতো এবারও ভক্তদের অংশগ্রহণে মুখর হয়ে ওঠে সমুদ্রসৈকত।

মঙ্গলবার ১৭ মার্চ সকাল থেকেই কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের কবিতা চত্বরে ভিড় জমাতে শুরু করেন পূণ্যার্থীরা।বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কবিতা চত্বর ছাড়াও আশপাশের সৈকত এলাকায় পূণ্যার্থীদের ভিড় আরও বাড়তে থাকে।

ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, বারুণী স্নানের মাধ্যমে পাপ মোচন হয় এবং পুণ্য লাভ হয়। সেই বিশ্বাস থেকেই প্রতি বছর দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ, তরুণ-প্রবীণ—সব বয়সী ভক্তরা এই ধর্মীয় আয়োজনে অংশ নেন।

পুণ্য লাভের আশায় দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পদচারণায় দিনভর মুখর ছিল কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত। দলে দলে আগত ভক্তরা সমুদ্রের জলে বারুণী স্নান করে গঙ্গাপূজা ও প্রার্থনায় অংশ নেন।

পূণ্যার্থীরা জানান, পাপ মোচন ও পুণ্য লাভের আশায় তারা এ স্নানে অংশ নিয়েছেন। একই সঙ্গে পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ প্রার্থনাও করেন তারা।

বারুণী স্নান উপলক্ষে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বলন,গীতাপাঠ,ধর্মীয় আলোচনা ও প্রার্থনাসহ নানা ধর্মীয় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

অদ্বৈত-অচ্যুত মিশন বাংলাদেশ, কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। কোনো ধর্মই বিদ্বেষ বা বিভেদ ছড়ানোর শিক্ষা দেয় না; বরং সব ধর্মেই মানবতা, সহমর্মিতা ও শান্তির বাণী রয়েছে। তবে কিছু মানুষ ব্যক্তিস্বার্থে সমাজে বিভাজন তৈরির চেষ্টা করে, যা অত্যন্ত নিন্দনীয়।

নতুন বাংলাদেশ গড়তে সব ধর্মের মানুষকে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সম্প্রীতির বন্ধনে একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি।