কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বালিয়াড়িতে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা সব সাময়িক দোকান ও স্থাপনা অতি দ্রুত নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি।
সুপ্রীম কোর্টের আদেশ ও কার্ডের শর্ত লঙ্ঘন করে ব্যবসা পরিচালনা করায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এসব স্থাপনা সরিয়ে না নিলে প্রশাসন থেকে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
বুধবার বিকেলে সৈকত থেকে নীজ উদ্যোগে দোকান সরাতে মাইকিং করেছে বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি।
এর আগে পরিবেশ অধিদপ্তর ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সৈকতের বালিয়াড়িতে সব সাময়িক কার্ড বাতিল করার সিদ্ধান্ত হয়। সেই প্রেক্ষিতে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে পূর্বের ইস্যুকৃত কার্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর, ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য তা আর পুনঃনবায়ন না করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এছাড়া সমুদ্র সৈকতের কোনো স্থানে নতুন করে আর কোনো সাময়িক কার্ড ইস্যু করা হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তটি গত ১ জুন ২০২৬ তারিখে এক চিঠির মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট সকল ব্যবসায়ীকে ইতিমধ্যে অবহিত করা হয়েছে।
এর আগে গত ৯ মার্চ কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় সৈকতের সকল অবৈধ দোকান ১ সপ্তাহের মধ্যে সরানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। সেই নির্দেশনা মোতাবেক সৈকতের দোকান গুলো উচ্ছেদ করে জেলা প্রশাসন। তার কিছুদিন না যেতেই আবারো সৈকতের বালিয়াড়ীতে রাতের আঁধারে দোকান বসানো শুরু করে ব্যবসায়ীরা। বর্তমানে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট,কলাতলী পয়েন্ট, লাবনী পয়েন্টে ৯ শ’র অধিক অবৈধ দোকান রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 

















