ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উখিয়ার হলদিয়ায় দোকান থেকে মোটরসাইকেল চুরি, সন্ধানদাতার জন্য পুরস্কারের ঘোষণা ঈদগাঁওয়ে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার নিখোঁজের ২২ ঘন্টা পর চকরিয়ার কৈয়ারবিলের সেই কিশোরের মরদেহ উদ্ধার সেমিফাইনালের পরিসংখ্যানে বিস্ময়! আর্জেন্টিনার ৭ বিভাগেই এক নাম—মেসি রামুর কচ্ছপিয়ায় স্রোতে ভেসে গিয়ে একজনের প্রাণহানি দুর্গতদের পাশে কক্সবাজার জেলা পুলিশ সরাকরি সহায়তা থেকে দূর্গত কোনো মানুষ বাদ পড়বেনা- চকরিয়ায় দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী জননেতা নুরুল আবছারের ওপেন হার্ট সার্জারি সোমবার : দোয়া কামনা পেকুয়ায় চেয়ারম্যান ও স্থানীয়দের উদ্যোগে চলছে বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজ হাতকড়াসহ পালিয়েছে আসামি: ২১ ঘন্টায়ও গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ জুড বেলিংহাম: জিদানের পর এমন বিশ্বকাপ কি আর কোনো মিডফিল্ডার খেলেছেন? প্রাথমিক বৃত্তির ফল প্রকাশ, বৃত্তি পেল ৭৯ হাজার ২৪৬ শিক্ষার্থী মুজিববর্ষ উদযাপনে খরচ ৯৮৩ কোটি টাকা : সংসদে অর্থমন্ত্রী সাবেক স্পিকার জমির উদ্দিন সরকারের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক  ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ ১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে সতর্কতা

কক্সবাজারে ঠিকাদারকে ‘মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর’ অভিযোগ, এসপির কাছে স্ত্রীর আবেদন

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা ঠিকাদার মোহাম্মদ শাহাজাহানকে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রে একাধিক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে এ ঘটনায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোকে হয়রানিমূলক দাবি করে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তার স্ত্রী নুসরাত ইয়াসমিন।

লিখিত আবেদনে তিনি জানান, তার স্বামী মোহাম্মদ শাহাজাহান দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী চায়না রোড সংলগ্ন একটি বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পে ঠিকাদারি কাজ পান তিনি। একই প্রকল্পের কাজ পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন স্থানীয় আরেক ঠিকাদার মোহাম্মদ সেলিম। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চীনা কোম্পানি সেলিমকে কাজ না দিয়ে শাহাজাহানের প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরশাদ এন্টারপ্রাইজ-কে কাজ দেয়। এরপর থেকেই মোহাম্মদ সেলিম ক্ষুব্ধ হয়ে তার স্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, সেলিমের স্ত্রী কামরুননেছা রুমিকে বাদী করে টেকনাফ মডেল থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৭/৮/১০/১৩ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে টেকনাফের শামলাপুর মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বাহারছড়া পাহাড় এলাকা। তবে শাহাজাহানের পরিবারের দাবি, তিনি কখনো ওই এলাকায় যাননি এবং ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

এছাড়া কক্সবাজার সদর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা আরেকটি মামলায় তাকে ৩০ নম্বর আসামি করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের দাবি, শাহাজাহান একজন ব্যবসায়ী এবং বিএনপির সমর্থক। তিনি কখনো মানব পাচার, অবৈধ অর্থ লেনদেন বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। স্থানীয়ভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলেও তারা মনে করেন।

এ অবস্থায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো তদন্ত করে তাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে রক্ষা করতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নুসরাত ইয়াসমিন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ার হলদিয়ায় দোকান থেকে মোটরসাইকেল চুরি, সন্ধানদাতার জন্য পুরস্কারের ঘোষণা

কক্সবাজারে ঠিকাদারকে ‘মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর’ অভিযোগ, এসপির কাছে স্ত্রীর আবেদন

আপডেট সময় : ১২:০৪:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা ঠিকাদার মোহাম্মদ শাহাজাহানকে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রে একাধিক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে এ ঘটনায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোকে হয়রানিমূলক দাবি করে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তার স্ত্রী নুসরাত ইয়াসমিন।

লিখিত আবেদনে তিনি জানান, তার স্বামী মোহাম্মদ শাহাজাহান দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী চায়না রোড সংলগ্ন একটি বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পে ঠিকাদারি কাজ পান তিনি। একই প্রকল্পের কাজ পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন স্থানীয় আরেক ঠিকাদার মোহাম্মদ সেলিম। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চীনা কোম্পানি সেলিমকে কাজ না দিয়ে শাহাজাহানের প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরশাদ এন্টারপ্রাইজ-কে কাজ দেয়। এরপর থেকেই মোহাম্মদ সেলিম ক্ষুব্ধ হয়ে তার স্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, সেলিমের স্ত্রী কামরুননেছা রুমিকে বাদী করে টেকনাফ মডেল থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৭/৮/১০/১৩ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে টেকনাফের শামলাপুর মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বাহারছড়া পাহাড় এলাকা। তবে শাহাজাহানের পরিবারের দাবি, তিনি কখনো ওই এলাকায় যাননি এবং ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

এছাড়া কক্সবাজার সদর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা আরেকটি মামলায় তাকে ৩০ নম্বর আসামি করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের দাবি, শাহাজাহান একজন ব্যবসায়ী এবং বিএনপির সমর্থক। তিনি কখনো মানব পাচার, অবৈধ অর্থ লেনদেন বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। স্থানীয়ভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলেও তারা মনে করেন।

এ অবস্থায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো তদন্ত করে তাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে রক্ষা করতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নুসরাত ইয়াসমিন।