ঢাকা ১১:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধুর সহচর বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম মোজাম্মেল হকের ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশ্ব মা দিবস আজ পেকুয়ায় দফায় দফায় সংঘর্ষ ও বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ: আহত একাধিক পেশকারপাড়ায় ফারুক হত্যার ঘটনায় মামলা, আসামী হলেন যারা…  সীমান্তের ৫শ হতদরিদ্রকে ফ্রীতে ৪ ধরণের সেবা দিলো ১১ বিজিবির রামুতে কোমলমতি খেলাঘর আসরের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন হামে মৃত্যু, সামনে ডেঙ্গু, এ কেমন জীবন? নারায়ণগঞ্জে পুলিশ পিটিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের দুই হোতাসহ ৭ জন কক্সবাজারে গ্রেফতার ঈদগাঁওর আলোচিত সেলিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আতাউল্লাহ গ্রেফতার আরাকান আর্মির হাতে আটক ১৪ জেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনলো বিজিবি কক্সবাজারে এ মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড, জনজীবনে অস্বস্তি সোনাদিয়ায় প্রশাসনের অভিযান: অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কালিরছড়ায় সাহেদের ই’য়াবা নাকি টাকার ব্যাগ ছি’নতাই? শিক্ষক সংকটসহ শিক্ষা খাতের সমস্যা সমাধানে নীতিমালায় পরিবর্তন আনছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ লোহাগাড়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪

কক্সবাজারে ঠিকাদারকে ‘মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর’ অভিযোগ, এসপির কাছে স্ত্রীর আবেদন

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা ঠিকাদার মোহাম্মদ শাহাজাহানকে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রে একাধিক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে এ ঘটনায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোকে হয়রানিমূলক দাবি করে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তার স্ত্রী নুসরাত ইয়াসমিন।

লিখিত আবেদনে তিনি জানান, তার স্বামী মোহাম্মদ শাহাজাহান দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী চায়না রোড সংলগ্ন একটি বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পে ঠিকাদারি কাজ পান তিনি। একই প্রকল্পের কাজ পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন স্থানীয় আরেক ঠিকাদার মোহাম্মদ সেলিম। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চীনা কোম্পানি সেলিমকে কাজ না দিয়ে শাহাজাহানের প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরশাদ এন্টারপ্রাইজ-কে কাজ দেয়। এরপর থেকেই মোহাম্মদ সেলিম ক্ষুব্ধ হয়ে তার স্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, সেলিমের স্ত্রী কামরুননেছা রুমিকে বাদী করে টেকনাফ মডেল থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৭/৮/১০/১৩ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে টেকনাফের শামলাপুর মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বাহারছড়া পাহাড় এলাকা। তবে শাহাজাহানের পরিবারের দাবি, তিনি কখনো ওই এলাকায় যাননি এবং ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

এছাড়া কক্সবাজার সদর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা আরেকটি মামলায় তাকে ৩০ নম্বর আসামি করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের দাবি, শাহাজাহান একজন ব্যবসায়ী এবং বিএনপির সমর্থক। তিনি কখনো মানব পাচার, অবৈধ অর্থ লেনদেন বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। স্থানীয়ভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলেও তারা মনে করেন।

এ অবস্থায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো তদন্ত করে তাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে রক্ষা করতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নুসরাত ইয়াসমিন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গবন্ধুর সহচর বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম মোজাম্মেল হকের ২১ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

কক্সবাজারে ঠিকাদারকে ‘মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর’ অভিযোগ, এসপির কাছে স্ত্রীর আবেদন

আপডেট সময় : ১২:০৪:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা ঠিকাদার মোহাম্মদ শাহাজাহানকে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রে একাধিক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে এ ঘটনায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোকে হয়রানিমূলক দাবি করে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তার স্ত্রী নুসরাত ইয়াসমিন।

লিখিত আবেদনে তিনি জানান, তার স্বামী মোহাম্মদ শাহাজাহান দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী চায়না রোড সংলগ্ন একটি বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পে ঠিকাদারি কাজ পান তিনি। একই প্রকল্পের কাজ পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন স্থানীয় আরেক ঠিকাদার মোহাম্মদ সেলিম। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চীনা কোম্পানি সেলিমকে কাজ না দিয়ে শাহাজাহানের প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরশাদ এন্টারপ্রাইজ-কে কাজ দেয়। এরপর থেকেই মোহাম্মদ সেলিম ক্ষুব্ধ হয়ে তার স্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, সেলিমের স্ত্রী কামরুননেছা রুমিকে বাদী করে টেকনাফ মডেল থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৭/৮/১০/১৩ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে টেকনাফের শামলাপুর মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বাহারছড়া পাহাড় এলাকা। তবে শাহাজাহানের পরিবারের দাবি, তিনি কখনো ওই এলাকায় যাননি এবং ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

এছাড়া কক্সবাজার সদর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা আরেকটি মামলায় তাকে ৩০ নম্বর আসামি করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের দাবি, শাহাজাহান একজন ব্যবসায়ী এবং বিএনপির সমর্থক। তিনি কখনো মানব পাচার, অবৈধ অর্থ লেনদেন বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। স্থানীয়ভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলেও তারা মনে করেন।

এ অবস্থায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো তদন্ত করে তাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে রক্ষা করতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নুসরাত ইয়াসমিন।