ঢাকা ০৯:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদক,গরু চোরাচালান ও আইন বিরোধী কাজ করলে দল তার দায়িত্ব নেবে না- রামুতে এমপি কাজল সৈকতে গোসলে নেমে পর্যটক নিখোঁজ জাতীয় পর্যায়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতায় সেরা কক্সবাজারের মুশফিকা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ উপেক্ষা করে ফের দখলে কক্সবাজার সৈকত, বালিয়াড়িতে ৪ শতাধিক অবৈধ দোকান জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়েই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়: মির্জা ফখরুল টেকনাফে মাদক মামলায় ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার মোদির আমন্ত্রণে ভারত সফরে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট কুতুবদিয়ায় ‘দ্বীপবর্তিকা’র উচ্চ শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার ও আইকিউ অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের প্রথম বা দ্বিতীয় ম্যাচেই ফিরতে পারেন নেইমার: আনচেলত্তি নেইমারকে ছাড়াই পানামার বিপক্ষে ব্রাজিলের একাদশ ঘোষণা হিজাব পরায় তোপের মুখে বলিউড অভিনেত্রী দিল্লিতে বহুতল ভবন ধস, নিহত অন্তত ৯ দেশজুড়ে আরও বাড়বে গরম, চট্টগ্রামসহ ৫ বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা জঙ্গল সলিমপুরকে অপরাধীদের আস্তানা হতে দেওয়া হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন নৌকার সমর্থক , উখিয়ার কৃষকদল আহবায়ক দিলেন সাংবাদিকদের হুমকি!

কক্সবাজারে ঠিকাদারকে ‘মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর’ অভিযোগ, এসপির কাছে স্ত্রীর আবেদন

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা ঠিকাদার মোহাম্মদ শাহাজাহানকে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রে একাধিক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে এ ঘটনায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোকে হয়রানিমূলক দাবি করে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তার স্ত্রী নুসরাত ইয়াসমিন।

লিখিত আবেদনে তিনি জানান, তার স্বামী মোহাম্মদ শাহাজাহান দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী চায়না রোড সংলগ্ন একটি বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পে ঠিকাদারি কাজ পান তিনি। একই প্রকল্পের কাজ পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন স্থানীয় আরেক ঠিকাদার মোহাম্মদ সেলিম। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চীনা কোম্পানি সেলিমকে কাজ না দিয়ে শাহাজাহানের প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরশাদ এন্টারপ্রাইজ-কে কাজ দেয়। এরপর থেকেই মোহাম্মদ সেলিম ক্ষুব্ধ হয়ে তার স্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, সেলিমের স্ত্রী কামরুননেছা রুমিকে বাদী করে টেকনাফ মডেল থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৭/৮/১০/১৩ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে টেকনাফের শামলাপুর মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বাহারছড়া পাহাড় এলাকা। তবে শাহাজাহানের পরিবারের দাবি, তিনি কখনো ওই এলাকায় যাননি এবং ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

এছাড়া কক্সবাজার সদর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা আরেকটি মামলায় তাকে ৩০ নম্বর আসামি করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের দাবি, শাহাজাহান একজন ব্যবসায়ী এবং বিএনপির সমর্থক। তিনি কখনো মানব পাচার, অবৈধ অর্থ লেনদেন বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। স্থানীয়ভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলেও তারা মনে করেন।

এ অবস্থায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো তদন্ত করে তাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে রক্ষা করতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নুসরাত ইয়াসমিন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মাদক,গরু চোরাচালান ও আইন বিরোধী কাজ করলে দল তার দায়িত্ব নেবে না- রামুতে এমপি কাজল

কক্সবাজারে ঠিকাদারকে ‘মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর’ অভিযোগ, এসপির কাছে স্ত্রীর আবেদন

আপডেট সময় : ১২:০৪:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী ইউনিয়নের বাসিন্দা ঠিকাদার মোহাম্মদ শাহাজাহানকে প্রতিপক্ষের ষড়যন্ত্রে একাধিক মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে এ ঘটনায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলোকে হয়রানিমূলক দাবি করে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তার স্ত্রী নুসরাত ইয়াসমিন।

লিখিত আবেদনে তিনি জানান, তার স্বামী মোহাম্মদ শাহাজাহান দীর্ঘদিন ধরে ঠিকাদারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। সম্প্রতি কক্সবাজার সদর উপজেলার চৌফলদন্ডী চায়না রোড সংলগ্ন একটি বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্পে ঠিকাদারি কাজ পান তিনি। একই প্রকল্পের কাজ পাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন স্থানীয় আরেক ঠিকাদার মোহাম্মদ সেলিম। তবে প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চীনা কোম্পানি সেলিমকে কাজ না দিয়ে শাহাজাহানের প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরশাদ এন্টারপ্রাইজ-কে কাজ দেয়। এরপর থেকেই মোহাম্মদ সেলিম ক্ষুব্ধ হয়ে তার স্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র শুরু করেন এবং মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার হুমকি দিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

আবেদনে আরও বলা হয়, সেলিমের স্ত্রী কামরুননেছা রুমিকে বাদী করে টেকনাফ মডেল থানায় মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের ৭/৮/১০/১৩ ধারায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার ঘটনাস্থল দেখানো হয়েছে টেকনাফের শামলাপুর মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন বাহারছড়া পাহাড় এলাকা। তবে শাহাজাহানের পরিবারের দাবি, তিনি কখনো ওই এলাকায় যাননি এবং ঘটনাটির সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

এছাড়া কক্সবাজার সদর থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর বিভিন্ন ধারায় দায়ের করা আরেকটি মামলায় তাকে ৩০ নম্বর আসামি করা হয়েছে এবং আওয়ামী লীগের অর্থ যোগানদাতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিবারের দাবি, শাহাজাহান একজন ব্যবসায়ী এবং বিএনপির সমর্থক। তিনি কখনো মানব পাচার, অবৈধ অর্থ লেনদেন বা রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন না। স্থানীয়ভাবে নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে প্রকৃত সত্য বেরিয়ে আসবে বলেও তারা মনে করেন।

এ অবস্থায় স্বামীর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো তদন্ত করে তাকে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে রক্ষা করতে কক্সবাজারের পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন নুসরাত ইয়াসমিন।