ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে হুইল চেয়ার,ট্রলি সরবরাহ এবং দালালের দৌরাত্ম বন্ধের নির্দেশ রমজান মাসের অমূল্য রত্ন রোজাদারের দোয়া মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে? ওপেন হার্ট সার্জারি শেষে ঘরে ফিরলেন অভিনেতা ‘আমাকে ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল’ হামিমকে ছাত্রদল থেকে অব্যাহতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযোগ: জিনিয়া শারমিন রিয়াকে কারণ দর্শানোর নোটিশ রামুতে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন, দাম্পত্যকলহ নাকি পরকীয়া?  নিজেরসহ পরিবারের সদস্যদের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রকাশ করলেন আসিফ মাহমুদ ‘সুপ্রভাত কক্সবাজার’-এর ইফতার ও শুভেচ্ছা আড্ডা অনুষ্ঠিত পোকখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনায় ফরিদুল আলম ফরিদ উখিয়ায় অস্ত্রসহ ৫ রোহিঙ্গা ডাকাত আটক ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কলাতলী গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিপূরণের দাবিতে মানববন্ধন খেজুর কেন ইফতারে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী?

মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে?

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:২১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • 78

রমজানের রোজা রাখা ফরজ। ফরজ ইবাদত পালন না করলে আল্লাহর সামনে জবাবদিহিতা করতে হবে। কেউ সঙ্গত কারণে রোজা রাখতে না পারলে কাজা রোজার বিধান রয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে মাসটিতে (রমজানে) উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে সিয়াম পালন করে। আর যে ব্যক্তি অসুস্থ বা মুসাফির হয়, সে অন্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে নেবে, আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজটাই চান, কঠিন করতে চান না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৫)

তবে ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভাঙা উচিত নয়। কারণ, পরবর্তীতে কাজা আদায় করলেও তা বর্তমান রোজার ফজিলতের সমতুল্য হবে না কখনো। এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি শরিয়তসম্মত কারণ বা অসুস্থতা ছাড়া রমজানের একটি রোজা ভাঙে, তার ওই রোজার বিপরীতে সারা জীবনের রোজাও রমজানের একটি রোজার সমমর্যাদা ও স্থলাভিষিক্ত হবে না।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৭২৩)

এজন্য যথাসম্ভব রোজা কাজা না করার চেষ্টা করা উচিত। তবে কাজা হয়ে গেলে তা দ্রুত আদায় করা উচিত। তবে কেউ যদি রোজার কাজা আদায় করতে না পারেন এবং এর আগেই মৃত্যু বরণ করেন, তাহলে তার রোজার বিধান কী এবং জীবিত অন্য কেউ তার পক্ষ থেকে সেই রোজার কাজা আদায় করতে পারবেন কিনা?

এ বিষয়ে ফেকাহবিদদের মতামত হলো— কারো অনাদায়ী বা কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে না। অন্য কেউ রাখলেও সেই মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে তা আদায় হবে না।

আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-কে অন্যের পক্ষ থেকে রোজা রাখা কিংবা অন্যের পক্ষ থেকে নামাজ আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলতেন,

কেউ অন্যের পক্ষ থেকে রোজা রাখবে না এবং অন্যের পক্ষ থেকে নামাজ পড়বে না। (মুআত্তা ইমাম মালেক : ৯৪)

তাই এক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির কাজা রোজার জন্য ফিদইয়া আদায় করতে পারেন তার জীবিত স্বজনরা। ফিদইয়া হিসেবে প্রতিটি রোজার জন্য কোনো দরিদ্রকে দু’ বেলা খাবার বা তার মূল্য দান করতে পারেন। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৭)

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে?

আপডেট সময় : ০৩:২১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

রমজানের রোজা রাখা ফরজ। ফরজ ইবাদত পালন না করলে আল্লাহর সামনে জবাবদিহিতা করতে হবে। কেউ সঙ্গত কারণে রোজা রাখতে না পারলে কাজা রোজার বিধান রয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে মাসটিতে (রমজানে) উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে সিয়াম পালন করে। আর যে ব্যক্তি অসুস্থ বা মুসাফির হয়, সে অন্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে নেবে, আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজটাই চান, কঠিন করতে চান না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৫)

তবে ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভাঙা উচিত নয়। কারণ, পরবর্তীতে কাজা আদায় করলেও তা বর্তমান রোজার ফজিলতের সমতুল্য হবে না কখনো। এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি শরিয়তসম্মত কারণ বা অসুস্থতা ছাড়া রমজানের একটি রোজা ভাঙে, তার ওই রোজার বিপরীতে সারা জীবনের রোজাও রমজানের একটি রোজার সমমর্যাদা ও স্থলাভিষিক্ত হবে না।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৭২৩)

এজন্য যথাসম্ভব রোজা কাজা না করার চেষ্টা করা উচিত। তবে কাজা হয়ে গেলে তা দ্রুত আদায় করা উচিত। তবে কেউ যদি রোজার কাজা আদায় করতে না পারেন এবং এর আগেই মৃত্যু বরণ করেন, তাহলে তার রোজার বিধান কী এবং জীবিত অন্য কেউ তার পক্ষ থেকে সেই রোজার কাজা আদায় করতে পারবেন কিনা?

এ বিষয়ে ফেকাহবিদদের মতামত হলো— কারো অনাদায়ী বা কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে না। অন্য কেউ রাখলেও সেই মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে তা আদায় হবে না।

আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-কে অন্যের পক্ষ থেকে রোজা রাখা কিংবা অন্যের পক্ষ থেকে নামাজ আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলতেন,

কেউ অন্যের পক্ষ থেকে রোজা রাখবে না এবং অন্যের পক্ষ থেকে নামাজ পড়বে না। (মুআত্তা ইমাম মালেক : ৯৪)

তাই এক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির কাজা রোজার জন্য ফিদইয়া আদায় করতে পারেন তার জীবিত স্বজনরা। ফিদইয়া হিসেবে প্রতিটি রোজার জন্য কোনো দরিদ্রকে দু’ বেলা খাবার বা তার মূল্য দান করতে পারেন। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৭)

সূত্র: ঢাকা পোস্ট