ঢাকা ০৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৩ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে অবশ্যই জনগণের রায় প্রতিফলিত হয় টেকনাফে যুবক গুলিবিদ্ধ টেকনাফে কিশোর অপহরণ, ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি কক্সবাজার চেম্বারের বার্ষিক সাধারণ সভা ও নতুন পরিচালনা পর্ষদের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হ্নীলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর/ অবশেষে জেটি ও টার্মিনালসহ অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু জুলাই সনদের প্রতিটি দফা আমরা বাস্তবায়ন করব : প্রধানমন্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ এমপির শপথ আজ হত্যাচেষ্টা মামলায় হাসিনাসহ ৪০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের আংশিক কমিটি অনুমোদন: ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটির নির্দেশ ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করলো সৈকত খেলাঘর আসর নানাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে নিখোঁজ শিশুর লাশ মিললো গর্তে কক্সবাজারে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল:গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে বিএনপিকে জনগণ নোট অব ডিসেন্ট দেবে খেলাঘরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঝিনুকমালার নানান আয়োজন  পেকুয়ায় গলায় ফাঁস দিয়ে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা

মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে?

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০৩:২১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • 294

রমজানের রোজা রাখা ফরজ। ফরজ ইবাদত পালন না করলে আল্লাহর সামনে জবাবদিহিতা করতে হবে। কেউ সঙ্গত কারণে রোজা রাখতে না পারলে কাজা রোজার বিধান রয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে মাসটিতে (রমজানে) উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে সিয়াম পালন করে। আর যে ব্যক্তি অসুস্থ বা মুসাফির হয়, সে অন্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে নেবে, আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজটাই চান, কঠিন করতে চান না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৫)

তবে ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভাঙা উচিত নয়। কারণ, পরবর্তীতে কাজা আদায় করলেও তা বর্তমান রোজার ফজিলতের সমতুল্য হবে না কখনো। এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি শরিয়তসম্মত কারণ বা অসুস্থতা ছাড়া রমজানের একটি রোজা ভাঙে, তার ওই রোজার বিপরীতে সারা জীবনের রোজাও রমজানের একটি রোজার সমমর্যাদা ও স্থলাভিষিক্ত হবে না।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৭২৩)

এজন্য যথাসম্ভব রোজা কাজা না করার চেষ্টা করা উচিত। তবে কাজা হয়ে গেলে তা দ্রুত আদায় করা উচিত। তবে কেউ যদি রোজার কাজা আদায় করতে না পারেন এবং এর আগেই মৃত্যু বরণ করেন, তাহলে তার রোজার বিধান কী এবং জীবিত অন্য কেউ তার পক্ষ থেকে সেই রোজার কাজা আদায় করতে পারবেন কিনা?

এ বিষয়ে ফেকাহবিদদের মতামত হলো— কারো অনাদায়ী বা কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে না। অন্য কেউ রাখলেও সেই মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে তা আদায় হবে না।

আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-কে অন্যের পক্ষ থেকে রোজা রাখা কিংবা অন্যের পক্ষ থেকে নামাজ আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলতেন,

কেউ অন্যের পক্ষ থেকে রোজা রাখবে না এবং অন্যের পক্ষ থেকে নামাজ পড়বে না। (মুআত্তা ইমাম মালেক : ৯৪)

তাই এক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির কাজা রোজার জন্য ফিদইয়া আদায় করতে পারেন তার জীবিত স্বজনরা। ফিদইয়া হিসেবে প্রতিটি রোজার জন্য কোনো দরিদ্রকে দু’ বেলা খাবার বা তার মূল্য দান করতে পারেন। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৭)

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জনপ্রশাসন সঠিকভাবে কাজ করলে অবশ্যই জনগণের রায় প্রতিফলিত হয়

মৃত ব্যক্তির কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে?

আপডেট সময় : ০৩:২১:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

রমজানের রোজা রাখা ফরজ। ফরজ ইবাদত পালন না করলে আল্লাহর সামনে জবাবদিহিতা করতে হবে। কেউ সঙ্গত কারণে রোজা রাখতে না পারলে কাজা রোজার বিধান রয়েছে। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যে মাসটিতে (রমজানে) উপস্থিত হবে, সে যেন তাতে সিয়াম পালন করে। আর যে ব্যক্তি অসুস্থ বা মুসাফির হয়, সে অন্য দিনে সংখ্যা পূরণ করে নেবে, আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজটাই চান, কঠিন করতে চান না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৮৫)

তবে ইচ্ছাকৃতভাবে রোজা ভাঙা উচিত নয়। কারণ, পরবর্তীতে কাজা আদায় করলেও তা বর্তমান রোজার ফজিলতের সমতুল্য হবে না কখনো। এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি শরিয়তসম্মত কারণ বা অসুস্থতা ছাড়া রমজানের একটি রোজা ভাঙে, তার ওই রোজার বিপরীতে সারা জীবনের রোজাও রমজানের একটি রোজার সমমর্যাদা ও স্থলাভিষিক্ত হবে না।’ (তিরমিজি, হাদিস : ৭২৩)

এজন্য যথাসম্ভব রোজা কাজা না করার চেষ্টা করা উচিত। তবে কাজা হয়ে গেলে তা দ্রুত আদায় করা উচিত। তবে কেউ যদি রোজার কাজা আদায় করতে না পারেন এবং এর আগেই মৃত্যু বরণ করেন, তাহলে তার রোজার বিধান কী এবং জীবিত অন্য কেউ তার পক্ষ থেকে সেই রোজার কাজা আদায় করতে পারবেন কিনা?

এ বিষয়ে ফেকাহবিদদের মতামত হলো— কারো অনাদায়ী বা কাজা রোজা অন্য কেউ রাখতে পারবে না। অন্য কেউ রাখলেও সেই মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে তা আদায় হবে না।

আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.)-কে অন্যের পক্ষ থেকে রোজা রাখা কিংবা অন্যের পক্ষ থেকে নামাজ আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলতেন,

কেউ অন্যের পক্ষ থেকে রোজা রাখবে না এবং অন্যের পক্ষ থেকে নামাজ পড়বে না। (মুআত্তা ইমাম মালেক : ৯৪)

তাই এক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির কাজা রোজার জন্য ফিদইয়া আদায় করতে পারেন তার জীবিত স্বজনরা। ফিদইয়া হিসেবে প্রতিটি রোজার জন্য কোনো দরিদ্রকে দু’ বেলা খাবার বা তার মূল্য দান করতে পারেন। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/২০৭)

সূত্র: ঢাকা পোস্ট