নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে কক্সবাজারো পালিত হয়েছে বৌদ্ধধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা। মহামতি বুদ্ধের জন্ম, বুদ্ধত্ব ও মহাপরিনির্বাণ লাভের এদিনটি বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের কাছে অতি তাৎপর্যপূর্ণ।
শুক্রবার বিকেলে শহরের বৌদ্ধ মন্দির সড়ক থেকে একটি বর্ণাঢ্য শান্তি শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পাবলিক লাইব্রেরীর শহীদ দৌলত ময়দানে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশ নেন, বৌদ্ধ ভিক্ষু, নারী-পুরুষসহ নানা শ্রেণী পেশার মানুষ।।
পরে শহীদ সুভাষ হলে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। সকালে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অবস্থিত বৌদ্ধ বিহারগুলোতেও ছিল নানা আয়োজন। দিবসের শুরুতে ধর্মীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বুদ্ধ পূজা, সংঘদানসহ নানা কর্মসূচি উদযাপিত হয়।
কক্সবাজার জেলা সম্মিলিত বৌদ্ধ পূর্ণিমা উদযাপন পরিষদ ২০২৬ খ্রি. এর সভাপতি কে.শ্রী জ্যোতিসেন মহাথের বলেন, বৌদ্ধদের কাছে এই দিনটি মহা গৌরবের।কেননা এই তিথিতে গৌতম বুদ্ধ জন্ম, বুদ্ধত্বলাভ ও পরিনির্বাণ লাভ করেন। যার কারনে দিনটি স্মরনীয় করে রাখতে করা হয়েছে নানান আয়োজন।
উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কানন বড়ুয়া বিশাল বলেন, গৌতম বুদ্ধ সারাজীবন মানুষের মঙ্গল,সুখশান্তির কথা বলে গেছেন। এছাড়া দুঃখ থেকে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। এমন মহামানবের জন্ম,বুদ্ধত্বলাভ ও পরিনির্বাণ একই তিথিতে হওয়াতে সবচেয়ে প্রাধান্য পেয়েছে এই দিনটি।
দিনটি উপলক্ষে রামুর ঐতিহাসিক রাংকূট বনাশ্রম বৌদ্ধ বিহারে অনুষ্ঠিত হয় ৮৪ হাজার ধর্মস্কন্দ পূজা। এছাড়াও রামু,উখিয়া,টেকনাফ,চকরিয়া,মহেশখালী,সহ বিভিন্ন উপজেলায় বুদ্ধপূজা ও সংঘদানের আয়োজন করা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক 

















