ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাত পেরুলেই বারের ভোট যুদ্ধ: বিএনপি,জামায়াত, আওয়ামীলীগ ৩ প্যানেল, ১৭ পদ, ৪৯ প্রার্থী পেকুয়ায় ৪ বাড়ি আগুনে পুড়ে ছাই ​শান্তির অন্বেষায়: সাগরতীর থেকে রাজধানী অভিমুখে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের পদযাত্রা দালালের খপ্পরে মালয়েশিয়ায় ‘স্বপ্নভঙ্গ’, রামুর কাজল ফিরলেন লাশ হয়ে কক্সবাজারের অগ্নি দুর্ঘটনা নিয়ে এলপিজি স্টেশনের মালিক এন. আলমের বিবৃতি আগুনে দগ্ধ আবু তাহেরসহ ৩ জনকে চমেক থেকে ঢাকায় প্রেরণ বিতর্কের মঞ্চে নিলামের উত্তাপ: সাউথইস্ট ব্যাংক দৃষ্টি ডিবেট প্রিমিয়ার লিগের অকশন কলাতলীর আগুনে দগ্ধদের দেখতে চমেক হাসপাতালে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃবৃন্দ রাজধানীতে আবার ভূমিকম্প অনুভূত ধর্ষণ-হত্যার এই ঘটনাগুলো গোটা জাতিকে স্তম্ভিত করেছে: শফিকুর রহমান জাতিসংঘের নির্বাচনে বাংলাদেশকে সমর্থনের আশ্বাস সৌদিসহ কয়েকটি মুসলিম দেশের মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিল ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা পাকিস্তানের কলাতলীর আগুনে দগ্ধ আবু তাহেরের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন ‘হ্যাঁ’ ভোট কমেছে ৯ লাখ ৭৫ হাজার, ইসির নতুন প্রজ্ঞাপন

​শান্তির অন্বেষায়: সাগরতীর থেকে রাজধানী অভিমুখে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের পদযাত্রা

কক্সবাজারের নীল জলরাশি আর বালুকাবেলার সিক্ত মোহনায় এক অনন্য স্নিগ্ধতার আল্পনা আঁকলেন একদল শান্তিপ্রিয় মানুষ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অমল বার্তা ছড়িয়ে দিতে এবং বিশ্বশান্তির প্রার্থনায় শুরু হয়েছে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের এক ব্যতিক্রমী পদযাত্রা।

উত্তাল সাগরের গর্জনের মাঝে বেজে উঠল এক ভিন্নতর—সম্প্রীতি আর মৈত্রীর সুর। শুক্রবারের বিকেলে যখন সূর্যের রক্তিম আভা কলাতলী সৈকতে খেলা করছিল, ঠিক তখনই একদল পুণ্যার্থী ও বৌদ্ধ ভিক্ষুর পদযাত্রা শুরু হয়। তাদের হৃদয়ে ছিল ভালোবাসার অর্ঘ্য আর কণ্ঠে ছিল বিশ্ব শান্তির আকুতি।

​এই অভিযাত্রার পথ ছিল স্নিগ্ধতায় মাখা। কলাতলী থেকে শুরু হয়ে সুগন্ধা ও লাবনী পয়েন্টের বালুকাবেলা মাড়িয়ে পদযাত্রাটি এসে থামে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। প্রতিটি পদক্ষেপে যেন মিশে ছিল বিভেদহীন এক পৃথিবীর স্বপ্ন।

​উখিয়া কেন্দ্রীয় আনন্দ ভবন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ: প্রজ্ঞাবোধি মহাথের,
​চট্টগ্রাম শান্তি ও সম্প্রীতি পরিষদের সমন্বয়ক চারুউত্তম বড়ুয়া এসময় উপস্থিত ছিলেন।

​প্রায় ৪০ জন শান্তিপ্রিয় মানুষের এই ছোট শোভাযাত্রা কেবল কোনো পথ চলা নয়, বরং এটি ছিল এক আধ্যাত্মিক সংযোগের প্রচেষ্টা। যার গন্তব্য রাজধানী ঢাকা।

​চট্টগ্রাম শান্তি ও সম্প্রীতি পরিষদের আয়োজনে এই পদযাত্রাটি কেবল কক্সবাজারেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি এক দীর্ঘ সফরের শুভ সূচনা মাত্র।

শুক্রবার শুরু হওয়া পদযাত্রা ​শনিবার চট্টলার রাজপথের ধুলোয় সম্প্রীতির বার্তা ছড়ানো হবে।

​সোমবার ময়নামতী ও গোমতী তীরের কুমিল্লায় পৌঁছাবে এই শান্তির পদযাত্রা।
​মঙ্গলবার পদযাত্রার পূর্ণতা পাবে রাজধানী ঢাকায়। মেরুল বাড্ডা, গুলশান, হাতিরঝিল আর কারওয়ান বাজারের কোলাহল মাড়িয়ে এই মৌন ও শান্ত মিছিলটি গিয়ে শেষ হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

​”ভালোবাসা আর সম্প্রীতিই হোক মানুষের শ্রেষ্ঠ ধর্ম”—এই চিরন্তন সত্যকে বুকে নিয়ে সাগর তীর থেকে শুরু হওয়া বৌদ্ধ ভিক্ষুদের এই পদযাত্রা শপষ হবে বুড়িগঙ্গা তীরের ঢাকায়। তারা বলছেন, সাগরের বিশালতা আর মানুষের হৃদয়ের ঔদার্য্য এক বিন্দুতে মিশলে তবেই বিশ্বে শান্তি ফেরা সম্ভব।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাত পেরুলেই বারের ভোট যুদ্ধ: বিএনপি,জামায়াত, আওয়ামীলীগ ৩ প্যানেল, ১৭ পদ, ৪৯ প্রার্থী

This will close in 6 seconds

​শান্তির অন্বেষায়: সাগরতীর থেকে রাজধানী অভিমুখে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের পদযাত্রা

আপডেট সময় : ১১:০০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজারের নীল জলরাশি আর বালুকাবেলার সিক্ত মোহনায় এক অনন্য স্নিগ্ধতার আল্পনা আঁকলেন একদল শান্তিপ্রিয় মানুষ। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অমল বার্তা ছড়িয়ে দিতে এবং বিশ্বশান্তির প্রার্থনায় শুরু হয়েছে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের এক ব্যতিক্রমী পদযাত্রা।

উত্তাল সাগরের গর্জনের মাঝে বেজে উঠল এক ভিন্নতর—সম্প্রীতি আর মৈত্রীর সুর। শুক্রবারের বিকেলে যখন সূর্যের রক্তিম আভা কলাতলী সৈকতে খেলা করছিল, ঠিক তখনই একদল পুণ্যার্থী ও বৌদ্ধ ভিক্ষুর পদযাত্রা শুরু হয়। তাদের হৃদয়ে ছিল ভালোবাসার অর্ঘ্য আর কণ্ঠে ছিল বিশ্ব শান্তির আকুতি।

​এই অভিযাত্রার পথ ছিল স্নিগ্ধতায় মাখা। কলাতলী থেকে শুরু হয়ে সুগন্ধা ও লাবনী পয়েন্টের বালুকাবেলা মাড়িয়ে পদযাত্রাটি এসে থামে শহরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে। প্রতিটি পদক্ষেপে যেন মিশে ছিল বিভেদহীন এক পৃথিবীর স্বপ্ন।

​উখিয়া কেন্দ্রীয় আনন্দ ভবন বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ: প্রজ্ঞাবোধি মহাথের,
​চট্টগ্রাম শান্তি ও সম্প্রীতি পরিষদের সমন্বয়ক চারুউত্তম বড়ুয়া এসময় উপস্থিত ছিলেন।

​প্রায় ৪০ জন শান্তিপ্রিয় মানুষের এই ছোট শোভাযাত্রা কেবল কোনো পথ চলা নয়, বরং এটি ছিল এক আধ্যাত্মিক সংযোগের প্রচেষ্টা। যার গন্তব্য রাজধানী ঢাকা।

​চট্টগ্রাম শান্তি ও সম্প্রীতি পরিষদের আয়োজনে এই পদযাত্রাটি কেবল কক্সবাজারেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি এক দীর্ঘ সফরের শুভ সূচনা মাত্র।

শুক্রবার শুরু হওয়া পদযাত্রা ​শনিবার চট্টলার রাজপথের ধুলোয় সম্প্রীতির বার্তা ছড়ানো হবে।

​সোমবার ময়নামতী ও গোমতী তীরের কুমিল্লায় পৌঁছাবে এই শান্তির পদযাত্রা।
​মঙ্গলবার পদযাত্রার পূর্ণতা পাবে রাজধানী ঢাকায়। মেরুল বাড্ডা, গুলশান, হাতিরঝিল আর কারওয়ান বাজারের কোলাহল মাড়িয়ে এই মৌন ও শান্ত মিছিলটি গিয়ে শেষ হবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

​”ভালোবাসা আর সম্প্রীতিই হোক মানুষের শ্রেষ্ঠ ধর্ম”—এই চিরন্তন সত্যকে বুকে নিয়ে সাগর তীর থেকে শুরু হওয়া বৌদ্ধ ভিক্ষুদের এই পদযাত্রা শপষ হবে বুড়িগঙ্গা তীরের ঢাকায়। তারা বলছেন, সাগরের বিশালতা আর মানুষের হৃদয়ের ঔদার্য্য এক বিন্দুতে মিশলে তবেই বিশ্বে শান্তি ফেরা সম্ভব।