কলাতলীর আগুনে দগ্ধ আবু তাহেরসহ ৩ জনকে চমেক মেডিকেল কলেজ থেকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে।
অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদের ঢাকার জাতীয় বার্ণ ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে প্রেরণ করা হয় বলে চমেকের বার্ণ ইউনিটের চিকিৎসক ডাঃ রাশেদুল করিম।
ঢাকায় প্রেরণ করা বাকী ২ জন হলেন আব্দুর রহিম ও মোহাম্মদ সিরাজ।
আবু তাহেরের পুত্র সোহেল জানান,তারা এখন (রাত ৮ টা নাগাদ) ঢাকার পথে।
চিকিৎসক জানান, আবু তাহেরের শ্বাসনালীসহ শরীরের ৯০ ভাগ অংশ,আব্দুর রহিমের ৭০ ভাগ এবং মোহাম্মদ সিরাজের ৬০ ভাগ অংশ পুড়ে গেছে।
এর আগে তাদের তিনজনকে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে চমেকের আইসিইউতে রাখা হয়। তাদের অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় তাদের ঢাকায় প্রেরণ করা হয় বলে চিকিৎসক জানান।
বুধবার রাতে শহরের কলাতলীর কক্সবাজার ফিলিং স্টেশন নামের এলপিজি পাম্পের গ্যাস লিকেজের পর বিস্ফোরণ ও অগ্নিকান্ডে দগ্ধ হন আবু তাহের (৪৫)। পেশায় তিনি একজন সিএনজি চালক।তার স্থায়ী নিবাস টেকনাফের কাটাবনিয়ায়, তিনি কলাতলীর বড়ছড়া ঝরঝরি কুয়া এলাকার স্বপরিবারে বসবাস করতেন ।
অগ্নিদগ্ধ আব্দুর রহিম (৪৫) কলাতলীর বাসিন্দা ও গ্যাস পাম্প লাগোয়া গ্যারেজের মালিক। রামুর জোয়ারিয়ানালার মোহাম্মদ সিরাজ (২৪)সহ মোট তিনজনকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়।
এ ঘটনায় আহত বাকী ৩ জন চমেকের বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীন আছেন।
কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো:আ. মান্নান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বুধবার রাতের অগ্নিকান্ডে ১০ জন দগ্ধ হয়ে আহত হয়। আহতদের চিকিৎসায় সহযোগিতা করা হচ্ছে।
এঘটনায় আহত ২ জন কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, বাকী ২ জন বুধবার রাতেই চিকিৎসা শেষে বাড়ী ফিরে গেছেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক : 






















