অভিযোগে আরও বলা হয়, একই সময়ে রুবেল নামে আরও এক ব্যক্তিকেও ওই গাড়িতে তোলা হয়েছিল। তবে কিছু দূর যাওয়ার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও বিদ্যাচন্দ্র ত্রিপুরাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর থেকে তার অবস্থান সম্পর্কে পরিবারের কাছে কোনো তথ্য নেই।
অপহৃতের বড় ভাই গঙ্গা চন্দ্র ত্রিপুরা সরকারের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, “আমার ভাই একজন সাধারণ রাবার শ্রমিক। তিনি কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত নন। তাকে দ্রুত জীবিত উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।”
কান্নাজড়িত কণ্ঠে অপহৃতের স্ত্রী হামতি ত্রিপুরা বলেন, “আমার স্বামীই আমাদের পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। আমি তাকে জীবিত ফিরে পেতে চাই। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, দ্রুত তাকে উদ্ধার করে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিন।”
এ বিষয়ে লামা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কাইছার হামিদ বলেন, “অপহরণের ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অপহৃত ব্যক্তিকে উদ্ধারে পুলিশ কাজ করছে। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”
মো:ইমরান খান: 





















