ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এবার পুরো ইরান উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিলেন ট্রাম্প চৌফলদন্ডীতে ৬০ বছরের বৃদ্ধা গুলিবিদ্ধ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ইস্টার সানডে উদযাপিত: সম্প্রীতি ও আলোর বার্তা রোহিঙ্গা নারীকে নৃশংসভাবে পঙ্গু করার চাঞ্চল্যকর মামলার ৩ আসামি র‍্যাবের জালে মাটিতে পুঁতে আলোচিত ছৈয়দ হ/ত্যা, পালংখালীতে প্রকাশ্যে ঘুরছে আসামিরা খোরশেদ মরে গিয়ে বেঁচে গেছে, আমাকে বানিয়ে গেছে জিন্দা লাশ-তারিন ৬৬/৩ পানি ব্যবস্হাপনা এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী ২ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ইউএনডিপি’র আবাসিক প্রতিনিধিদলের সৌজন্য সাক্ষাৎ দুর্গম এলাকায় টিকা ঘাটতি, বাড়ছে ঝুঁকি শহরে নকল বিদেশি মদ তৈরির কারখানার সন্ধান, গ্রেপ্তার ১ দেশ থেকে হাম নির্মূলের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রামুতে হাম-রুবেলা টিকাদান শুরু: প্রথমদিনেই ২ হাজার শিশুকে টিকা মাদক কারবারির ঘরে ৬০ হাজার ইয়াবা, র‍্যাবের উদ্ধার টেকনাফে বিএনপি অফিসে আগুন

রাষ্ট্রপতির ৩ অপরাধে ভাষণ বর্জন : জামায়াত আমির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ বর্জন করেছে বিরোধী দল। রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জনের কারণ হিসেবে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধে তার ভাষণ বর্জন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের শুরুতেই বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদের মুখে পড়েন তিনি। এক পর্যায়ে বিরোধী দলের সদস্যরা অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করেন।

প্রথা অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি।

ওয়াক আউট শেষে সংসদে সাংবাদিক সামনে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এই সংসদ জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা অনুরোধ করেছিলাম, এই সংসদে ফ্যাসিস্টের দোসর, খুনির কোনো দোসর যেন বক্তব্য রাখতে না পারে।’

রাষ্ট্রপতি তিনটি অপরাধে অপরাধী বলে দাবি করেছেন জামায়াত আমির।

তিনি বলেন, ‘এই প্রেসিডেন্ট তিনটা কারণে অপরাধী। তার বক্তব্য এই মহান সংসদে আমরা শুনতে পারি না। প্রথম কারণ, তিনি সব খুনের সহযোগী ছিলেন। দ্বিতীয়ত, তিনি ২০২৪ সালের আগস্টের ৫ তারিখ তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন সেই ভাষণে তিনি বলেছিলেন, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা মঞ্জুর করেছেন।

কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তা অস্বীকার করেছেন। তিনি জাতির সামনে মিথ্যাবাদী হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছেন।
তৃতীয় কারণ হিসেবে জামায়াত আমির বলেন, রাষ্ট্রপতি নিজের হাতে অর্ডিন্যান্স স্বাক্ষর করেছেন। নির্বাচনে দুটি ভোট হবে, এতে যারা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবে তারা সংস্কার সংশোধন পরিষদের সদস্য হিসেবেও নির্বাচিত হবেন। একই দিনে উভয় শপথ একই ব্যক্তি পড়াবেন।

এই শপথ দুটি আমরা নিলেও সরকারি দল নেয়নি।

রাষ্ট্রপতির প্রথম দায়িত্ব ছিল অধ্যাদের জারির ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা। তিনি সেই অধিবেশন ডাকেননি। গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। রাষ্ট্রপতি এই ৭০ শতাংশ মানুষকে অপমান করেছেন। এখানেও তিনি অপরাধ করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘স্পিকারের কাছে নিবেদন থাকবে, কোনো ফ্যাসিস্ট বা তার দোসর যেন বক্তব্য দিয়ে সংসদকে কলুষিত করতে না পারেন।’

সূত্র: কালের কন্ঠ

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

এবার পুরো ইরান উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিলেন ট্রাম্প

রাষ্ট্রপতির ৩ অপরাধে ভাষণ বর্জন : জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ০৪:৪১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ভাষণ বর্জন করেছে বিরোধী দল। রাষ্ট্রপতির ভাষণ বর্জনের কারণ হিসেবে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতির তিন অপরাধে তার ভাষণ বর্জন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপতির ভাষণের শুরুতেই বিরোধী দলের তীব্র প্রতিবাদের মুখে পড়েন তিনি। এক পর্যায়ে বিরোধী দলের সদস্যরা অধিবেশন থেকে ওয়াক আউট করেন।

প্রথা অনুযায়ী প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেন রাষ্ট্রপতি।

ওয়াক আউট শেষে সংসদে সাংবাদিক সামনে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘এই সংসদ জুলাই শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। আমরা অনুরোধ করেছিলাম, এই সংসদে ফ্যাসিস্টের দোসর, খুনির কোনো দোসর যেন বক্তব্য রাখতে না পারে।’

রাষ্ট্রপতি তিনটি অপরাধে অপরাধী বলে দাবি করেছেন জামায়াত আমির।

তিনি বলেন, ‘এই প্রেসিডেন্ট তিনটা কারণে অপরাধী। তার বক্তব্য এই মহান সংসদে আমরা শুনতে পারি না। প্রথম কারণ, তিনি সব খুনের সহযোগী ছিলেন। দ্বিতীয়ত, তিনি ২০২৪ সালের আগস্টের ৫ তারিখ তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন সেই ভাষণে তিনি বলেছিলেন, তৎকালীন ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন এবং তিনি তা মঞ্জুর করেছেন।

কিন্তু পরবর্তীতে তিনি তা অস্বীকার করেছেন। তিনি জাতির সামনে মিথ্যাবাদী হিসেবে সাব্যস্ত হয়েছেন।
তৃতীয় কারণ হিসেবে জামায়াত আমির বলেন, রাষ্ট্রপতি নিজের হাতে অর্ডিন্যান্স স্বাক্ষর করেছেন। নির্বাচনে দুটি ভোট হবে, এতে যারা সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হবে তারা সংস্কার সংশোধন পরিষদের সদস্য হিসেবেও নির্বাচিত হবেন। একই দিনে উভয় শপথ একই ব্যক্তি পড়াবেন।

এই শপথ দুটি আমরা নিলেও সরকারি দল নেয়নি।

রাষ্ট্রপতির প্রথম দায়িত্ব ছিল অধ্যাদের জারির ৩০ দিনের মধ্যে সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকা। তিনি সেই অধিবেশন ডাকেননি। গণভোটে ৭০ শতাংশ মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছে। রাষ্ট্রপতি এই ৭০ শতাংশ মানুষকে অপমান করেছেন। এখানেও তিনি অপরাধ করেছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘স্পিকারের কাছে নিবেদন থাকবে, কোনো ফ্যাসিস্ট বা তার দোসর যেন বক্তব্য দিয়ে সংসদকে কলুষিত করতে না পারেন।’

সূত্র: কালের কন্ঠ