ঢাকা ০৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর বিশ্বে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে উষ্ণ মাস আগস্ট: ইইউ বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, চার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত এসএসসি পরীক্ষার খাতা চ্যালেঞ্জের ফল প্রকাশ, নতুন জিপিএ-৫ তিন হাজারের বেশি আনোয়ারুল ইসলাম চৌধুরীর ২৩ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে বিশেষ ক্রোড়পত্র টেকনাফে ছুরিকাঘাতে নিহত ১, আহত ৫ পুলিশ পরিচয়ে হোটেল-রিসোর্টে চাঁদাবাজি: চক্রের মূলহোতা গ্রেপ্তার চৌফলদণ্ডী ও ভারুয়াখালীকে কক্সবাজার সিটি কর্পোরেশনে অন্তর্ভুক্তির আশ্বাস এমপি কাজলের লালদিঘি পাড় এলাকার ব্যবসায়ী বাহার ছড়ার সৈয়দ সওদাগরের ইন্তেকাল সীমান্তে ইয়াবার সর্ববৃহৎ চালান আটক : ৪২ কোটি টাকার ১৪ লাখ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার ২ বন্যার্ত ১৪’শ মানুষের পাশে মুসলিম হ্যান্ডস্ ইন্টারন্যাশনাল যে কারণে তিন কিশোরের হাতে ফুটবল তুলে দিলেন কুতুবদিয়ার ইউএনও কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান : গ্রেফতার ২২ কক্সবাজার সিটি কলেজ জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক শোয়াইব, সদস্য সচিব তারেক দাপ্তারিক চিঠিপত্রে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ শব্দ বাদের সিদ্ধান্ত

দেশ থেকে হাম নির্মূলের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে হাম নির্মূলের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ঝুঁকিপূর্ণ কোনো এলাকাই টিকাদান কর্মসূচির বাইরে রাখা হবে না এবং একটি শিশুও যেন টিকা থেকে বাদ না পড়ে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু উপজেলায় হাম-রুবেলা (এমআর) প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রথম ধাপে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় এ কর্মসূচি চালু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জেলা ও শহরাঞ্চলেও তা সম্প্রসারণ করা হবে। কক্সবাজারের দ্বীপাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকায় হামের প্রকোপ বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এসব এলাকায় বিশেষ নজর দিতে হবে, যাতে কোনো শিশু টিকার বাইরে না থাকে।”

তিনি আরও বলেন, টিকা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে মসজিদ, মন্দির ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়াতে হবে। তিনি আরো বলেন, “হামের উপসর্গ নিয়ে আর কোনো শিশুর মৃত্যু দেখতে চাই না।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মহেশখালী ও রামু উপজেলায় ৫ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় টিকা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ১০ শয্যার হাম ইউনিট ইউনিসেফের সহায়তায় ২০ শয্যায় উন্নীত করার কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আ মান্নান, সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) মহিউদ্দিন আলমগীর, কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মং টিন ঞসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। একটি শিশুকে টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতির ছেড়ে দেওয়া আসনে উপনির্বাচন ২৯ অক্টোবর

দেশ থেকে হাম নির্মূলের লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৫:৪১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

দেশ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে হাম নির্মূলের লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ঝুঁকিপূর্ণ কোনো এলাকাই টিকাদান কর্মসূচির বাইরে রাখা হবে না এবং একটি শিশুও যেন টিকা থেকে বাদ না পড়ে সে বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

রোববার (৫ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু উপজেলায় হাম-রুবেলা (এমআর) প্রতিরোধে জরুরি টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রথম ধাপে দেশের ১৮টি জেলার ৩০টি ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলায় এ কর্মসূচি চালু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্যান্য জেলা ও শহরাঞ্চলেও তা সম্প্রসারণ করা হবে। কক্সবাজারের দ্বীপাঞ্চল ও পাহাড়ি এলাকায় হামের প্রকোপ বেশি উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এসব এলাকায় বিশেষ নজর দিতে হবে, যাতে কোনো শিশু টিকার বাইরে না থাকে।”

তিনি আরও বলেন, টিকা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে মসজিদ, মন্দির ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সচেতনতা বাড়াতে হবে। তিনি আরো বলেন, “হামের উপসর্গ নিয়ে আর কোনো শিশুর মৃত্যু দেখতে চাই না।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মহেশখালী ও রামু উপজেলায় ৫ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার শিশুকে এই কর্মসূচির আওতায় টিকা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের ১০ শয্যার হাম ইউনিট ইউনিসেফের সহায়তায় ২০ শয্যায় উন্নীত করার কথাও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. আ মান্নান, সিভিল সার্জন (ভারপ্রাপ্ত) মহিউদ্দিন আলমগীর, কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মং টিন ঞসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। একটি শিশুকে টিকা প্রয়োগের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়।