ঢাকা ০৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কোরবানি পশুর চামড়ার দাম বাড়ল এবার কক্সবাজার সরকারি কলেজে ইউনিফর্ম পরে টিকটক-রিলস নিষিদ্ধ, নির্দেশনা অমান্য করলে শাস্তির সতর্কতা বাবার নামে হোটেল ‘সায়মন’ নামকরণ করেছিলেন ইঞ্জি. মোশাররফ ঢাকায় অপহৃত স্কুলছাত্রী কক্সবাজারে উদ্ধার, গ্রেফতার ২ ১ মাসের শিশু হুমাইরাকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন… পাঠ্যবইয়ে যুক্ত হচ্ছে খালেদা জিয়ার ‘আপসহীন’ রাজনৈতিক অধ্যায় এপ্রিলে ৫২৭ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫১০, আহত ১২৬৮ : যাত্রী কল্যাণ সমিতি তরুণদের দক্ষ করে তুললে বিশ্বে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ: শিক্ষামন্ত্রী স্বাস্থ্যকর খাবার ওটস সবার জন্য ‘উপকারী’ নয়, কারণ জানুন হামের টিকা না পাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন আর নেই দুর্ঘটনা কমাতে চুনতিতে ৯০০ মিটার সড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ শুরু মিয়ানমার থেকে টেকনাফ স্থলবন্দরে আরও ২ কাঠবোঝাই ট্রলার, ফিরছে সীমান্ত বাণিজ্যের প্রাণচাঞ্চল্য চকরিয়া উপজেলা জাতীয় যুবশক্তির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি গঠন: আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ সদস্য সচিব হাসান হোসাইন আলী সানি আর নেই: কারাগারে হৃদরোগে আক্রান্ত, সদর হাসপাতালে মৃত্যু 

রামুতে ব্রি ধান ১০৩ জাতের ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস

রামুতে আমান মৌসুমের ব্রি ধান-১০৩ জাতের ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলার পশ্চিম চাকমারকুলে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কক্সবাজার আঞ্চলিক কার্যালয়ের আয়োজনে ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রামু উপজেলার সহযোগিতায়
এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

নতুন ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্থান ভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের অর্থায়নে বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণও করা হয়।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আঞ্চলিক কার্যালয় কক্সবাজারের প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার এবং আঞ্চলিক প্রধান ড. ফজলুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন।

চাকমারকুল ইউনিয়নে কর্মরত উপসহকারি কৃষি অফিসার মো: জাকারিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে বক্তব্য রাখেন রামু উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ তানজিলা রহমান, সাইন্টিফিক অফিসার মোজাম্মেল হক, কৃষি তথ্য সার্ভিস কক্সবাজারের কর্মকর্তা মোঃ লোকমান হাকিম, কৃষক আবদুল মান্নান প্রমুখ।

চলতি আমন ২০২৫ মৌসুমে কক্সবাজার জেলায় এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় ১ একরের ১২৫টি জাত প্রদর্শনী স্থাপিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন ১ বিঘা (৩৩ শতক) জমিতে ব্রি ধান১০৩ জাত চাষ করে ২৫ মণের অধিক ফলন উৎপাদন করা সম্ভব,যা প্রচলিত আমন মৌসুমের যেকোন জাতের চেয়ে বেশি ফলন দিতে সক্ষম।

জাতটির জীবনকাল ১২৮-১৩৩দিন হওয়ায় আগাম শীতকালীন সবজি চাষেও কৃষকদের জন্যে সুবিধা হবে। এছাড়া জাতটিতে পোকামাকড় ও রোগের আক্রমণ কম, ফলন বেশি হওয়ায় আমন মৌসুমে কৃষকদের জন্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় জাত হবে বলে আমরা আশাকরি।

মাঠ দিবসে ব্রির বিজ্ঞানীগন উক্ত ইউনিয়নে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের আশা প্রকাশ করেন এবং সে লক্ষ্যে এলাকার কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ধান চাষের সকল ধরনের সুবিধা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কোরবানি পশুর চামড়ার দাম বাড়ল এবার

রামুতে ব্রি ধান ১০৩ জাতের ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস

আপডেট সময় : ১১:৩৮:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

রামুতে আমান মৌসুমের ব্রি ধান-১০৩ জাতের ফসল কর্তন ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলার পশ্চিম চাকমারকুলে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কক্সবাজার আঞ্চলিক কার্যালয়ের আয়োজনে ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রামু উপজেলার সহযোগিতায়
এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়।

নতুন ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্থান ভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি) প্রকল্পের অর্থায়নে বীজ সংরক্ষণ পাত্র বিতরণও করা হয়।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আঞ্চলিক কার্যালয় কক্সবাজারের প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার এবং আঞ্চলিক প্রধান ড. ফজলুল ইসলামের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড.মোঃ আনোয়ার হোসেন।

চাকমারকুল ইউনিয়নে কর্মরত উপসহকারি কৃষি অফিসার মো: জাকারিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মাঠ দিবসে বক্তব্য রাখেন রামু উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ তানজিলা রহমান, সাইন্টিফিক অফিসার মোজাম্মেল হক, কৃষি তথ্য সার্ভিস কক্সবাজারের কর্মকর্তা মোঃ লোকমান হাকিম, কৃষক আবদুল মান্নান প্রমুখ।

চলতি আমন ২০২৫ মৌসুমে কক্সবাজার জেলায় এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় ১ একরের ১২৫টি জাত প্রদর্শনী স্থাপিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন ১ বিঘা (৩৩ শতক) জমিতে ব্রি ধান১০৩ জাত চাষ করে ২৫ মণের অধিক ফলন উৎপাদন করা সম্ভব,যা প্রচলিত আমন মৌসুমের যেকোন জাতের চেয়ে বেশি ফলন দিতে সক্ষম।

জাতটির জীবনকাল ১২৮-১৩৩দিন হওয়ায় আগাম শীতকালীন সবজি চাষেও কৃষকদের জন্যে সুবিধা হবে। এছাড়া জাতটিতে পোকামাকড় ও রোগের আক্রমণ কম, ফলন বেশি হওয়ায় আমন মৌসুমে কৃষকদের জন্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় জাত হবে বলে আমরা আশাকরি।

মাঠ দিবসে ব্রির বিজ্ঞানীগন উক্ত ইউনিয়নে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের আশা প্রকাশ করেন এবং সে লক্ষ্যে এলাকার কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ধান চাষের সকল ধরনের সুবিধা দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।