ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ৩ কেন আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে চান স্পেন কোচ ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের পাটের মান বেশি উন্নত: ভারতীয় কৃষিমন্ত্রী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নীল জার্সিতে নামবে আর্জেন্টিনা, কেন এই জার্সি নিয়ে এত আলোচনা? দায়িত্ববোধ-সচেতনতা তৈরি করা গেলে পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা যাবে  দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল রথযাত্রা উৎসব- থাকছে নানা আয়োজন তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩ সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত আজ ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তিন বিষয়ের পরীক্ষা আবার নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী পেকুয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু রাজাপালংয়ের চেয়ারম্যান দুর্নীতিগ্রস্ত : জেলা প্রশাসকের কাছে দেয়া এমপির চিঠি ভাইরাল! বুধবার পরীক্ষা হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লংমার্চের ঘোষণা

‘রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না’ – এড. শাহজালাল পুত্র

উখিয়া-টেকনাফে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এড. শাহজালাল চৌধুরী।

তিনি একই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর আপন ছোট ভাই।

নির্বাচনী মাঠে দুই ভাইয়ের দুটি আলাদা দলের হয়ে এমন ‘অবস্থান’ টক অব দ্যা কক্সবাজারে পরিণত হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ‘এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।’

নিচে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরীর সন্তান হাসান বান্না’র পোস্ট টিটিএনের পাঠকদের জন্য সংযুক্ত করা হলো :

‘সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মানুষ ভুল বোঝাবুঝি ছড়াচ্ছে যে আমাদের পরিবার নাকি একে অপরের “বিরুদ্ধে” কাজ করছে। বিষয়টি সম্পূর্ণই ভুল।

আমার বাবা তার দলের (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) দায়িত্ব অনুযায়ী দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন করছেন। অন্যদিকে আমার চাচা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।

আমাদের পরিবার সবসময়ই একে অপরকে শ্রদ্ধা করে এসেছে এবং আজও সে বোঝাপড়া অটুট রয়েছে।

আমরা সবাই জানি, আগের একাধিক সরকারের সময়—বিশেষ করে কঠিন রাজনৈতিক পরিবেশে—আমার বাবাকে কারাবরণ করতে হয়েছে এবং আমার চাচাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপরও নানা রাজনৈতিক চাপ, মামলা ও হয়রানি নেমে এসেছিল।

সেই সময় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন একে অপরের পাশে থেকেছেন,
আন্দোলন–সংগ্রামে একসঙ্গে কষ্ট ভাগাভাগি করেছেন, যা সবাই দেখেছেন।

রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, পারস্পরিক সম্মান এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ হোক।

যারা ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ—আমাদের পরিবারের সম্পর্ক নিয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য না করে সত্যকে সম্মান করুন। এরপরেও যারা নিজেদের বিবেকবুদ্ধি পকেটে রেখে অন‍্যের বিবেকবুদ্ধি খুঁজে বেড়াচ্ছেন, তারা বিগত ১৭ বছরের কথা চিন্তা করে দেখবেন। তাতে যদি আপনাদের বিবেকে নাড়া দেয়!’

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

‘রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না’ – এড. শাহজালাল পুত্র

আপডেট সময় : ০৭:২৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

উখিয়া-টেকনাফে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এড. শাহজালাল চৌধুরী।

তিনি একই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর আপন ছোট ভাই।

নির্বাচনী মাঠে দুই ভাইয়ের দুটি আলাদা দলের হয়ে এমন ‘অবস্থান’ টক অব দ্যা কক্সবাজারে পরিণত হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ‘এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।’

নিচে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরীর সন্তান হাসান বান্না’র পোস্ট টিটিএনের পাঠকদের জন্য সংযুক্ত করা হলো :

‘সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মানুষ ভুল বোঝাবুঝি ছড়াচ্ছে যে আমাদের পরিবার নাকি একে অপরের “বিরুদ্ধে” কাজ করছে। বিষয়টি সম্পূর্ণই ভুল।

আমার বাবা তার দলের (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) দায়িত্ব অনুযায়ী দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন করছেন। অন্যদিকে আমার চাচা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।

আমাদের পরিবার সবসময়ই একে অপরকে শ্রদ্ধা করে এসেছে এবং আজও সে বোঝাপড়া অটুট রয়েছে।

আমরা সবাই জানি, আগের একাধিক সরকারের সময়—বিশেষ করে কঠিন রাজনৈতিক পরিবেশে—আমার বাবাকে কারাবরণ করতে হয়েছে এবং আমার চাচাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপরও নানা রাজনৈতিক চাপ, মামলা ও হয়রানি নেমে এসেছিল।

সেই সময় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন একে অপরের পাশে থেকেছেন,
আন্দোলন–সংগ্রামে একসঙ্গে কষ্ট ভাগাভাগি করেছেন, যা সবাই দেখেছেন।

রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, পারস্পরিক সম্মান এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ হোক।

যারা ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ—আমাদের পরিবারের সম্পর্ক নিয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য না করে সত্যকে সম্মান করুন। এরপরেও যারা নিজেদের বিবেকবুদ্ধি পকেটে রেখে অন‍্যের বিবেকবুদ্ধি খুঁজে বেড়াচ্ছেন, তারা বিগত ১৭ বছরের কথা চিন্তা করে দেখবেন। তাতে যদি আপনাদের বিবেকে নাড়া দেয়!’