ঢাকা ০৪:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা! ‌আপা-ভাইয়া বনাম “স্যার-ম্যডাম”: আমলাতন্ত্রের ভাষায় ঔপনিবেশিকতার দীর্ঘ ছায়া নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল গলায় চানাচুর আঁটকে শিশু আবিদের মৃত্যু উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযান: ৫ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ফুটবল বিশ্বকাপ: হিসাব–নিকাশে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা বিশ্ব পরিবেশ দিবসেই মহেশখালীতে পুড়ছে প্যারাবন: নির্বিকার বনবিভাগ ও প্রশাসন প্রায় সাত বছর পর রূপালী পর্দায় সিনেমা দেখার সুযোগ পেল কক্সবাজারের মানুষ, আধুনিক সিনেমা হলের দাবি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক, উখিয়া ক্যাম্প পরিদর্শনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আর্জেন্টিনার নীল-সাদা রঙে রাঙল টেকনাফ যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় কক্সবাজারের সন্তান শামীমুর রহমান ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সময়সূচি ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া কক্সবাজারে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৩ ডিগ্রি, দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

‘রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না’ – এড. শাহজালাল পুত্র

উখিয়া-টেকনাফে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এড. শাহজালাল চৌধুরী।

তিনি একই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর আপন ছোট ভাই।

নির্বাচনী মাঠে দুই ভাইয়ের দুটি আলাদা দলের হয়ে এমন ‘অবস্থান’ টক অব দ্যা কক্সবাজারে পরিণত হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ‘এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।’

নিচে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরীর সন্তান হাসান বান্না’র পোস্ট টিটিএনের পাঠকদের জন্য সংযুক্ত করা হলো :

‘সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মানুষ ভুল বোঝাবুঝি ছড়াচ্ছে যে আমাদের পরিবার নাকি একে অপরের “বিরুদ্ধে” কাজ করছে। বিষয়টি সম্পূর্ণই ভুল।

আমার বাবা তার দলের (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) দায়িত্ব অনুযায়ী দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন করছেন। অন্যদিকে আমার চাচা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।

আমাদের পরিবার সবসময়ই একে অপরকে শ্রদ্ধা করে এসেছে এবং আজও সে বোঝাপড়া অটুট রয়েছে।

আমরা সবাই জানি, আগের একাধিক সরকারের সময়—বিশেষ করে কঠিন রাজনৈতিক পরিবেশে—আমার বাবাকে কারাবরণ করতে হয়েছে এবং আমার চাচাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপরও নানা রাজনৈতিক চাপ, মামলা ও হয়রানি নেমে এসেছিল।

সেই সময় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন একে অপরের পাশে থেকেছেন,
আন্দোলন–সংগ্রামে একসঙ্গে কষ্ট ভাগাভাগি করেছেন, যা সবাই দেখেছেন।

রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, পারস্পরিক সম্মান এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ হোক।

যারা ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ—আমাদের পরিবারের সম্পর্ক নিয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য না করে সত্যকে সম্মান করুন। এরপরেও যারা নিজেদের বিবেকবুদ্ধি পকেটে রেখে অন‍্যের বিবেকবুদ্ধি খুঁজে বেড়াচ্ছেন, তারা বিগত ১৭ বছরের কথা চিন্তা করে দেখবেন। তাতে যদি আপনাদের বিবেকে নাড়া দেয়!’

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা!

‘রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না’ – এড. শাহজালাল পুত্র

আপডেট সময় : ০৭:২৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

উখিয়া-টেকনাফে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এড. শাহজালাল চৌধুরী।

তিনি একই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর আপন ছোট ভাই।

নির্বাচনী মাঠে দুই ভাইয়ের দুটি আলাদা দলের হয়ে এমন ‘অবস্থান’ টক অব দ্যা কক্সবাজারে পরিণত হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ‘এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।’

নিচে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরীর সন্তান হাসান বান্না’র পোস্ট টিটিএনের পাঠকদের জন্য সংযুক্ত করা হলো :

‘সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মানুষ ভুল বোঝাবুঝি ছড়াচ্ছে যে আমাদের পরিবার নাকি একে অপরের “বিরুদ্ধে” কাজ করছে। বিষয়টি সম্পূর্ণই ভুল।

আমার বাবা তার দলের (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) দায়িত্ব অনুযায়ী দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন করছেন। অন্যদিকে আমার চাচা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।

আমাদের পরিবার সবসময়ই একে অপরকে শ্রদ্ধা করে এসেছে এবং আজও সে বোঝাপড়া অটুট রয়েছে।

আমরা সবাই জানি, আগের একাধিক সরকারের সময়—বিশেষ করে কঠিন রাজনৈতিক পরিবেশে—আমার বাবাকে কারাবরণ করতে হয়েছে এবং আমার চাচাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপরও নানা রাজনৈতিক চাপ, মামলা ও হয়রানি নেমে এসেছিল।

সেই সময় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন একে অপরের পাশে থেকেছেন,
আন্দোলন–সংগ্রামে একসঙ্গে কষ্ট ভাগাভাগি করেছেন, যা সবাই দেখেছেন।

রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, পারস্পরিক সম্মান এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ হোক।

যারা ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ—আমাদের পরিবারের সম্পর্ক নিয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য না করে সত্যকে সম্মান করুন। এরপরেও যারা নিজেদের বিবেকবুদ্ধি পকেটে রেখে অন‍্যের বিবেকবুদ্ধি খুঁজে বেড়াচ্ছেন, তারা বিগত ১৭ বছরের কথা চিন্তা করে দেখবেন। তাতে যদি আপনাদের বিবেকে নাড়া দেয়!’