ঢাকা ০২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে, সৃজনশীল হোক: শিক্ষামন্ত্রী গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক, কার্যকর হবে ১ আগস্ট থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তে ১১ স্কাইডাইভার ও পাইলট নিহত চকরিয়ার দুই মাদ্রাসা ছাত্র নিখোঁজ, ‎সন্ধান চায় পরিবার বেনজীর আহমদকে দেশে ফেরানো হবে কোন প্রক্রিয়ায়? ইসলামী ব্যাংকের পুরো বোর্ড ভেঙে দিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার নাম করে আনছিলো ইয়াবা : আটক  যুবদল নেতা, দল থেকে বহিস্কার কক্সবাজারে দুইশ কিলোমিটার ড্রাইভ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ১৫ বছর পরও স্মৃতিতে অমলিন নেতা শাহ আলম সরকার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবান্ধব শিক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে- এমপি কাজল সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ গ্রেপ্তার আত্মসমর্পণ করতে আদালতে আসছেন এমপি আমির হামজা একই পরিবারের ৪ সদস্যের আত্মহত্যা ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার নিজ বাড়ি থেকে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার

‘রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না’ – এড. শাহজালাল পুত্র

উখিয়া-টেকনাফে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এড. শাহজালাল চৌধুরী।

তিনি একই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর আপন ছোট ভাই।

নির্বাচনী মাঠে দুই ভাইয়ের দুটি আলাদা দলের হয়ে এমন ‘অবস্থান’ টক অব দ্যা কক্সবাজারে পরিণত হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ‘এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।’

নিচে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরীর সন্তান হাসান বান্না’র পোস্ট টিটিএনের পাঠকদের জন্য সংযুক্ত করা হলো :

‘সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মানুষ ভুল বোঝাবুঝি ছড়াচ্ছে যে আমাদের পরিবার নাকি একে অপরের “বিরুদ্ধে” কাজ করছে। বিষয়টি সম্পূর্ণই ভুল।

আমার বাবা তার দলের (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) দায়িত্ব অনুযায়ী দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন করছেন। অন্যদিকে আমার চাচা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।

আমাদের পরিবার সবসময়ই একে অপরকে শ্রদ্ধা করে এসেছে এবং আজও সে বোঝাপড়া অটুট রয়েছে।

আমরা সবাই জানি, আগের একাধিক সরকারের সময়—বিশেষ করে কঠিন রাজনৈতিক পরিবেশে—আমার বাবাকে কারাবরণ করতে হয়েছে এবং আমার চাচাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপরও নানা রাজনৈতিক চাপ, মামলা ও হয়রানি নেমে এসেছিল।

সেই সময় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন একে অপরের পাশে থেকেছেন,
আন্দোলন–সংগ্রামে একসঙ্গে কষ্ট ভাগাভাগি করেছেন, যা সবাই দেখেছেন।

রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, পারস্পরিক সম্মান এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ হোক।

যারা ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ—আমাদের পরিবারের সম্পর্ক নিয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য না করে সত্যকে সম্মান করুন। এরপরেও যারা নিজেদের বিবেকবুদ্ধি পকেটে রেখে অন‍্যের বিবেকবুদ্ধি খুঁজে বেড়াচ্ছেন, তারা বিগত ১৭ বছরের কথা চিন্তা করে দেখবেন। তাতে যদি আপনাদের বিবেকে নাড়া দেয়!’

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫’র পেছনে না ছুটে, সৃজনশীল হোক: শিক্ষামন্ত্রী

‘রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না’ – এড. শাহজালাল পুত্র

আপডেট সময় : ০৭:২৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

উখিয়া-টেকনাফে জামায়াতের প্রার্থী অধ্যক্ষ নুর আহমদ আনোয়ারীর নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এড. শাহজালাল চৌধুরী।

তিনি একই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর আপন ছোট ভাই।

নির্বাচনী মাঠে দুই ভাইয়ের দুটি আলাদা দলের হয়ে এমন ‘অবস্থান’ টক অব দ্যা কক্সবাজারে পরিণত হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা বলছেন, ‘এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।’

নিচে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এডভোকেট শাহজালাল চৌধুরীর সন্তান হাসান বান্না’র পোস্ট টিটিএনের পাঠকদের জন্য সংযুক্ত করা হলো :

‘সাম্প্রতিক সময়ে কিছু মানুষ ভুল বোঝাবুঝি ছড়াচ্ছে যে আমাদের পরিবার নাকি একে অপরের “বিরুদ্ধে” কাজ করছে। বিষয়টি সম্পূর্ণই ভুল।

আমার বাবা তার দলের (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) দায়িত্ব অনুযায়ী দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন করছেন। অন্যদিকে আমার চাচা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

এটি তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা—কোনোভাবেই ব্যক্তিগত সম্পর্ক বা পারিবারিক বিরোধের প্রতিফলন নয়।

আমাদের পরিবার সবসময়ই একে অপরকে শ্রদ্ধা করে এসেছে এবং আজও সে বোঝাপড়া অটুট রয়েছে।

আমরা সবাই জানি, আগের একাধিক সরকারের সময়—বিশেষ করে কঠিন রাজনৈতিক পরিবেশে—আমার বাবাকে কারাবরণ করতে হয়েছে এবং আমার চাচাসহ পরিবারের অন্য সদস্যদের ওপরও নানা রাজনৈতিক চাপ, মামলা ও হয়রানি নেমে এসেছিল।

সেই সময় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন একে অপরের পাশে থেকেছেন,
আন্দোলন–সংগ্রামে একসঙ্গে কষ্ট ভাগাভাগি করেছেন, যা সবাই দেখেছেন।

রাজনৈতিক মতভেদ থাকতে পারে, কিন্তু সম্পর্ক ও সম্মান কখনো ভাঙে না। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, পারস্পরিক সম্মান এবং বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধ হোক।

যারা ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছেন, তাদের প্রতি অনুরোধ—আমাদের পরিবারের সম্পর্ক নিয়ে ভিত্তিহীন মন্তব্য না করে সত্যকে সম্মান করুন। এরপরেও যারা নিজেদের বিবেকবুদ্ধি পকেটে রেখে অন‍্যের বিবেকবুদ্ধি খুঁজে বেড়াচ্ছেন, তারা বিগত ১৭ বছরের কথা চিন্তা করে দেখবেন। তাতে যদি আপনাদের বিবেকে নাড়া দেয়!’