ঢাকা ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজার শহরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ সাত বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তায় ১৮ কেজি গাঁজা স্ত্রীর পাতা ফাঁদে অপহরণ, অপহৃতদের হাতে প্রাণ গেল তিন অপহরণকারীর কক্সবাজার সরকারি মহিলা কলেজে উশো-কারাতে ক্লাবের উদ্বোধন প্রফেসর আখতার বাদী: কক্সবাজারের দুই অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে মামলা জামায়াত এমপি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি টেকনাফের গহীন পাহাড়ে তিন যুবক খু*ন এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে জরুরি ব্রিফিং ডেকেছেন শিক্ষামন্ত্রী কক্সবাজারে ৫৪ কেন্দ্রে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, অংশ নিচ্ছে ২৬ হাজার ৭৪৭ শিক্ষার্থী “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস” কুতুবদিয়া উপজেলা কমিটির প্রস্তুতি সভা সম্পন্ন বাঁচাতে হবে ছাত্র রাজনীতি মানব পাচার প্রতিরোধে অঙ্গীকারবদ্ধ কক্সবাজারের সাংবাদিকেরা খাল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় যুবকের লাশ উদ্ধার টেকনাফে ৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

রাজনীতির ভাষা: মর্যাদা নাকি মুখোমুখি অবস্থান?

জাতীয় সংসদ একটি দেশের সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক মঞ্চ, এখানে ভাষা, আচরণ এবং উপস্থাপন সবই একটি জাতির রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতিফলন। সেই মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে “আমরা রক্ত ঝরিয়েছি বলে আজ আপনারা প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী” এমন বক্তব্য নিঃসন্দেহে প্রশ্নের জন্ম দেয়।

মুক্তিযুদ্ধ বা রাজনৈতিক সংগ্রামের অবদান অবশ্যই সম্মানের। কিন্তু সেই অবদানকে যদি বর্তমান নেতৃত্বকে ‘ঋণী’ বা ‘দায়বদ্ধ’ হিসেবে উপস্থাপন করার ভাষায় ব্যবহার করা হয়, তবে তা সম্মানজনক সংলাপের পরিবর্তে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক অবস্থান তৈরি করে। এতে করে বক্তব্যের শক্তি কমে যায়, বরং একটি অন্তর্নিহিত হতাশা বা পরাজয়ের ইঙ্গিত প্রকাশ পায়।

রাজনীতিতে মতবিরোধ থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই মতবিরোধের ভাষা যদি শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মানের সীমা অতিক্রম করে, তাহলে তা শুধু ব্যক্তিগত নয়, প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

আজকের প্রয়োজন দায়িত্বশীল ভাষা, যেখানে ইতিহাসের অবদানকে সম্মান জানিয়ে বর্তমানের বাস্তবতাকে গঠনমূলক ভাবে মোকাবিলা করা হবে। কারণ গণতন্ত্রের শক্তি প্রতিপক্ষকে ছোট করার মধ্যে নয়, বরং নিজেদের অবস্থানকে যুক্তি ও মর্যাদার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করার মধ্যেই নিহিত।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার শহরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১

রাজনীতির ভাষা: মর্যাদা নাকি মুখোমুখি অবস্থান?

আপডেট সময় : ১১:০৯:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

জাতীয় সংসদ একটি দেশের সর্বোচ্চ গণতান্ত্রিক মঞ্চ, এখানে ভাষা, আচরণ এবং উপস্থাপন সবই একটি জাতির রাজনৈতিক সংস্কৃতির প্রতিফলন। সেই মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে “আমরা রক্ত ঝরিয়েছি বলে আজ আপনারা প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী” এমন বক্তব্য নিঃসন্দেহে প্রশ্নের জন্ম দেয়।

মুক্তিযুদ্ধ বা রাজনৈতিক সংগ্রামের অবদান অবশ্যই সম্মানের। কিন্তু সেই অবদানকে যদি বর্তমান নেতৃত্বকে ‘ঋণী’ বা ‘দায়বদ্ধ’ হিসেবে উপস্থাপন করার ভাষায় ব্যবহার করা হয়, তবে তা সম্মানজনক সংলাপের পরিবর্তে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক অবস্থান তৈরি করে। এতে করে বক্তব্যের শক্তি কমে যায়, বরং একটি অন্তর্নিহিত হতাশা বা পরাজয়ের ইঙ্গিত প্রকাশ পায়।

রাজনীতিতে মতবিরোধ থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সেই মতবিরোধের ভাষা যদি শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মানের সীমা অতিক্রম করে, তাহলে তা শুধু ব্যক্তিগত নয়, প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।

আজকের প্রয়োজন দায়িত্বশীল ভাষা, যেখানে ইতিহাসের অবদানকে সম্মান জানিয়ে বর্তমানের বাস্তবতাকে গঠনমূলক ভাবে মোকাবিলা করা হবে। কারণ গণতন্ত্রের শক্তি প্রতিপক্ষকে ছোট করার মধ্যে নয়, বরং নিজেদের অবস্থানকে যুক্তি ও মর্যাদার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করার মধ্যেই নিহিত।