ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে আসামি ধরতে গিয়ে গর্ভবতী নারীকে লাথি মারার অভিযোগ এসআই দুলালের বিরুদ্ধে: অভিযোগ সঠিক নয় – ওসি লোহাগাড়ায় প্রাইভেটকারের গোপন চেম্বারে ১৬ হাজার ইয়াবা, নারীসহ গ্রেপ্তার ৪ আজ প্রেমিকা দিবস, সঙ্গীকে আনন্দ দেওয়ার দারুণ সুযোগ শাহপরীরদ্বীপে সাগরে ভেসে এলো অজ্ঞাত যুবকের মরদেহ প্রেসক্লাবে জুলাই শহীদ স্মৃতি শীর্ষক চিত্র প্রদর্শনী ম্যাজিস্ট্রেট এড়িয়ে গেলেও ডিসি বললেন- অগোচরে চলছিল প্যারাসেইলিং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে চলতি মাসেই চালু হচ্ছে মহানগর এক্সপ্রেস, আসছে আরও নতুন আন্তঃনগর ট্রেন ঈদগাঁওয়ে প্রাইভেটকারে ৭৬ কেজি গাঁজা, একাধিক মামলার আসামিসহ আটক ২ নতুন দায়িত্ব পেলেন মির্জা আব্বাস বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফিরছে, বিনিয়োগে উৎসাহ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র মায়ের দুধেই শিশুর সুরক্ষা, আজ থেকে শুরু বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ১৫০ বছর পর লাইব্রেরিতে বই ফেরত, জরিমানা ১৯ লাখ  মিয়ানমারে পাচারের সময় বিপুল পরিমাণ সার জব্দ, আটক ২৩ সাড়ে ৬ বছরে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ হাজার ৩৮৪ জন Scars Still Fresh, Yet Flood Victims in Chakaria Strive to Rebuild Their Lives

বিশ্ব মহাসাগর দিবসে ইনানী সৈকতে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বিশ্ব মহাসাগর দিবস (ওয়ার্ল্ড ওশান ডে) ২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিওআরআই)।

সোমবার (৮ জুন) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিওআরআই’র মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হকের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এ বছরের বিশ্ব মহাসাগর দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল— “Strong Marine Protected Areas for Our Blue Planet”।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইনানী সমুদ্র সৈকতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল, ক্যানসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করা হয়। একইসঙ্গে পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সামুদ্রিক পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখা এবং সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচারণা চালানো হয়।

এ সময় মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হক উপস্থিত জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতামূলক টি-শার্ট বিতরণ করেন এবং সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার ও সমুদ্র দূষণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা, অতিরিক্ত মাছ আহরণ বন্ধ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সমুদ্র এলাকার অন্তত ৩০ শতাংশ সংরক্ষণের বৈশ্বিক লক্ষ্য বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র সুরক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি মৎস্যসম্পদের প্রাচুর্য বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, সমুদ্র ও উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনগণ এবং পর্যটকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।
বিওআরআই কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করে, বিশ্ব মহাসাগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই নীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) বিকাশে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে আসামি ধরতে গিয়ে গর্ভবতী নারীকে লাথি মারার অভিযোগ এসআই দুলালের বিরুদ্ধে: অভিযোগ সঠিক নয় – ওসি

বিশ্ব মহাসাগর দিবসে ইনানী সৈকতে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আপডেট সময় : ০৫:১৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

বিশ্ব মহাসাগর দিবস (ওয়ার্ল্ড ওশান ডে) ২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিওআরআই)।

সোমবার (৮ জুন) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিওআরআই’র মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হকের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এ বছরের বিশ্ব মহাসাগর দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল— “Strong Marine Protected Areas for Our Blue Planet”।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইনানী সমুদ্র সৈকতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল, ক্যানসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করা হয়। একইসঙ্গে পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সামুদ্রিক পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখা এবং সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচারণা চালানো হয়।

এ সময় মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হক উপস্থিত জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতামূলক টি-শার্ট বিতরণ করেন এবং সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার ও সমুদ্র দূষণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা, অতিরিক্ত মাছ আহরণ বন্ধ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সমুদ্র এলাকার অন্তত ৩০ শতাংশ সংরক্ষণের বৈশ্বিক লক্ষ্য বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র সুরক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি মৎস্যসম্পদের প্রাচুর্য বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, সমুদ্র ও উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনগণ এবং পর্যটকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।
বিওআরআই কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করে, বিশ্ব মহাসাগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই নীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) বিকাশে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।