ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে সাংবাদিকদের ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপন অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পেকুয়ায় র‍্যালি ও পথসভা দশ মিনিটেই পুড়ে ছাই ব্যবসায়ী কাইছারের শেষ সম্বল দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য খুলল যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার পথ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানের জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস : প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার থেকে ফেরা হলো না, লোহাগাড়ায় মিনিট্রাকের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দু’র্ঘ’ট’না, বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নি’হ’ত শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভা: দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি চকরিয়ায় বাসে তল্লাশি : ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা যুবক আটক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি উজানটিয়া বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে বসানো হচ্ছে জিও ব্যাগ, এলাকাজুড়ে স্বস্তি

বিশ্ব মহাসাগর দিবসে ইনানী সৈকতে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বিশ্ব মহাসাগর দিবস (ওয়ার্ল্ড ওশান ডে) ২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিওআরআই)।

সোমবার (৮ জুন) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিওআরআই’র মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হকের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এ বছরের বিশ্ব মহাসাগর দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল— “Strong Marine Protected Areas for Our Blue Planet”।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইনানী সমুদ্র সৈকতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল, ক্যানসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করা হয়। একইসঙ্গে পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সামুদ্রিক পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখা এবং সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচারণা চালানো হয়।

এ সময় মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হক উপস্থিত জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতামূলক টি-শার্ট বিতরণ করেন এবং সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার ও সমুদ্র দূষণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা, অতিরিক্ত মাছ আহরণ বন্ধ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সমুদ্র এলাকার অন্তত ৩০ শতাংশ সংরক্ষণের বৈশ্বিক লক্ষ্য বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র সুরক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি মৎস্যসম্পদের প্রাচুর্য বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, সমুদ্র ও উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনগণ এবং পর্যটকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।
বিওআরআই কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করে, বিশ্ব মহাসাগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই নীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) বিকাশে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে সাংবাদিকদের ‘এআই ও ফ্যাক্ট চেকিং’ বিষয়ক প্রশিক্ষণের সমাপন অনুষ্ঠান ও সনদ বিতরণ

বিশ্ব মহাসাগর দিবসে ইনানী সৈকতে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আপডেট সময় : ০৫:১৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

বিশ্ব মহাসাগর দিবস (ওয়ার্ল্ড ওশান ডে) ২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিওআরআই)।

সোমবার (৮ জুন) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিওআরআই’র মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হকের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এ বছরের বিশ্ব মহাসাগর দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল— “Strong Marine Protected Areas for Our Blue Planet”।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইনানী সমুদ্র সৈকতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল, ক্যানসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করা হয়। একইসঙ্গে পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সামুদ্রিক পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখা এবং সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচারণা চালানো হয়।

এ সময় মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হক উপস্থিত জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতামূলক টি-শার্ট বিতরণ করেন এবং সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার ও সমুদ্র দূষণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা, অতিরিক্ত মাছ আহরণ বন্ধ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সমুদ্র এলাকার অন্তত ৩০ শতাংশ সংরক্ষণের বৈশ্বিক লক্ষ্য বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র সুরক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি মৎস্যসম্পদের প্রাচুর্য বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, সমুদ্র ও উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনগণ এবং পর্যটকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।
বিওআরআই কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করে, বিশ্ব মহাসাগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই নীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) বিকাশে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।