ঢাকা ০৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন ৬ বছর পর নিষিদ্ধ অবস্থায় কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের ৮৩৭ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি লোহাগাড়ায় পুকুরে গোসলে নেমে নিখোঁজ বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার সদর থানার বিশেষ অভিযান : গ্রেফতার ১৫ রামুতে মাদক মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান: সাজাপ্রাপ্ত আসামি ও ডাকাত আটক, ৩ জনের কারাদণ্ড মা ইলিশ সংরক্ষণে সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় নৌবাহিনী পেকুয়ায় নিজ বিদ্যালয়ে সংবর্ধিত কউক চেয়ারম্যান ও কমেক অধ্যক্ষ উখিয়ায় বন বিভাগের অভিযান : বালিভর্তি দুই অবৈধ ডাম্পার জব্দ কক্সবাজারে ২ প্রতিষ্ঠানকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা জাতীয় পর্যায়ে “সেরা গুণী শিক্ষক” সম্মাননা পেলেন রামু ক্যান্টনমেন্ট ইংলিশ স্কুলের অধ্যক্ষ লে. কর্নেল আব্দুর রহিম টেকনাফে এসআরবি ও বিজিবির যৌথ অভিযান : ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার বাস টার্মিনালের স্ট্যান্ড পার্ক হোটেলে আলোচিত কুলসুমা হত্যার প্রধান আসামী ইরফান গ্রেফতার সাগরে মাছ শিকারে বন্ধ : দুঃশ্চিন্তায় জেলেরা পেকুয়ায় দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা

বিশ্ব মহাসাগর দিবসে ইনানী সৈকতে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বিশ্ব মহাসাগর দিবস (ওয়ার্ল্ড ওশান ডে) ২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিওআরআই)।

সোমবার (৮ জুন) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিওআরআই’র মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হকের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এ বছরের বিশ্ব মহাসাগর দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল— “Strong Marine Protected Areas for Our Blue Planet”।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইনানী সমুদ্র সৈকতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল, ক্যানসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করা হয়। একইসঙ্গে পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সামুদ্রিক পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখা এবং সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচারণা চালানো হয়।

এ সময় মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হক উপস্থিত জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতামূলক টি-শার্ট বিতরণ করেন এবং সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার ও সমুদ্র দূষণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা, অতিরিক্ত মাছ আহরণ বন্ধ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সমুদ্র এলাকার অন্তত ৩০ শতাংশ সংরক্ষণের বৈশ্বিক লক্ষ্য বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র সুরক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি মৎস্যসম্পদের প্রাচুর্য বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, সমুদ্র ও উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনগণ এবং পর্যটকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।
বিওআরআই কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করে, বিশ্ব মহাসাগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই নীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) বিকাশে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে বাস্তুচ্যুত পরিস্থিতিতে সংঘাত-সংবেদনশীল সাংবাদিকতা বিষয়ক কর্মশালা সম্পন্ন

বিশ্ব মহাসাগর দিবসে ইনানী সৈকতে সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আপডেট সময় : ০৫:১৯:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

বিশ্ব মহাসাগর দিবস (ওয়ার্ল্ড ওশান ডে) ২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজারের ইনানী সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিওআরআই)।

সোমবার (৮ জুন) অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে বিওআরআই’র মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হকের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। এ বছরের বিশ্ব মহাসাগর দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল— “Strong Marine Protected Areas for Our Blue Planet”।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ইনানী সমুদ্র সৈকতে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন, বোতল, ক্যানসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণ করা হয়। একইসঙ্গে পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে সামুদ্রিক পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখা এবং সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রচারণা চালানো হয়।

এ সময় মহাপরিচালক কমডোর মো. মিনারুল হক উপস্থিত জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতামূলক টি-শার্ট বিতরণ করেন এবং সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, প্লাস্টিক দূষণ নিয়ন্ত্রণ, সমুদ্রসম্পদের টেকসই ব্যবহার ও সমুদ্র দূষণ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা, অতিরিক্ত মাছ আহরণ বন্ধ এবং ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সমুদ্র এলাকার অন্তত ৩০ শতাংশ সংরক্ষণের বৈশ্বিক লক্ষ্য বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র সুরক্ষিত হওয়ার পাশাপাশি মৎস্যসম্পদের প্রাচুর্য বৃদ্ধি পাবে, যা জাতীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

মহাপরিচালক আরও বলেন, সমুদ্র ও উপকূলীয় পরিবেশ রক্ষায় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনগণ এবং পর্যটকদের সম্মিলিত অংশগ্রহণ ও দায়িত্বশীল আচরণ প্রয়োজন।
বিওআরআই কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করে, বিশ্ব মহাসাগর দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই নীল অর্থনীতি (ব্লু ইকোনমি) বিকাশে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।