ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনসংখ্যা বাংলাদেশের অভিশাপ নয়, আশীর্বাদ : শিক্ষামন্ত্রী গর্জনিয়ার পোয়াংগেরখিলে দাতা সদস্য নির্বাচিত হলেন সাংবাদিক হাফিজ গর্জনিয়ার সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র ওয়াসিম নাপিতেরচর স্কুলে দাতা সদস্য নির্বাচিত ‘আমাকে মিস করছেন?’ বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান পুরোনো ছকে ফিরছে ব্রাজিল স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোট নয়, এককভাবে অংশ নেবে এনসিপি এক রেলপথে যুক্ত হচ্ছে সৌদি, কুয়েত ও কাতারসহ ৬ দেশ কেমন ছিল বিশ্বকাপের প্রথম কিস্তি? মাতামুহুরীতে জামায়াতের জেলা আমীর নুর আহমদ আনোয়ারী- জননিরাপত্তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শিক্ষক রেজাউল করিমের মায়ের অনুপস্থিতিতে ১২ বছর বয়সী নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে রাস্তা পার হওয়ার সময় আইওএমের গাড়ির ধাক্কা, শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু কুতুবদিয়ায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা টেকনাফে স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু, বিচার দাবিতে পরিবারের আহাজারি

ভালো থাকুক বাংলাদেশ, বললেন ব্যারিস্টার সুমন

সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন বলেছেন, ‘দেশের যে পরিস্থিতি, ভালো থাকুক বাংলাদেশ’। জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যাত্রাবাড়ীতে মো. রিয়াজ (৩৫) নামে এক শ্রমিক নিহতের মামলায় বুধবার সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে কারাগারে যাওয়ার সময় এ মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘দেশের যে পরিস্থিতি, ভালো থাকুক বাংলাদেশে। ভালো থাকুক বাংলাদেশে।’ বার বার একই কথা বলতে থাকেন তিনি। অন্যান্য আসামিরা এসময় মাথা নিচু করে চুপচাপ ছিলেন।

এর আগে আজ বুধবার সকালে কারাগারে থেকে ব্যারিস্টার সুমনসহ ৭ জনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তাদের সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সকাল ৯ টা ৫০ মিনিটের দিকে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এজলাসে ওঠানো হয়। এসময় তাদের হাতে হাতকড়া, মাথায় হেলমেট, বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছিল। এদিন শুনানি শেষে সকাল সোয়া ১০টার দিকে আদালতে থেকে আসামিদের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে হাজতখানায় নেওয়া হয়।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন— সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন, আনিসুল হক, আব্দুর রাজ্জাক এবং যাত্রাবাড়ী-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু।

এদিকে শুনানি চলাকালীন অবস্থায় সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর জন্য ‘স্যান্ডইচ ও ড্রাই ফুড’ আনেন তার আইনজীবী মহসিন রেজা। তাকে সেই খাবার দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে অনুমতি চান এই আইনজীবী। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী এর বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আসামিকে খাবার দেওয়ার বিষয়টি নাকচ করেন আদালত।

এ বিষয়ে আমির হোসেন আমুর আইনজীবী মহসিন রেজা বলেন, ‘আসামিকে এক ঘণ্টা পর পর খাবার খেতে হয়। এজন্য তার পছন্দের খাবার স্যান্ডইচ ও ড্রাই ফুড আদালতে আনা হয়। কিন্তু আদালত তাকে এই খাবার দেওয়ার অনুমতি দেননি। আসামি একজন বয়স্ক ব্যক্তি, নানান অসুখে জর্জরিত। এজন্য তাকে প্রতিনিয়ত সময় করে খাবার খেতে হয়।’ রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী সমকালকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

রিয়াজ হত্যা মামলার অভিযোগে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনের শেষ দিন ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন রিয়াজ। ওই ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

সুত্র: দৈনিক সমকাল

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জনসংখ্যা বাংলাদেশের অভিশাপ নয়, আশীর্বাদ : শিক্ষামন্ত্রী

ভালো থাকুক বাংলাদেশ, বললেন ব্যারিস্টার সুমন

আপডেট সময় : ০৫:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন বলেছেন, ‘দেশের যে পরিস্থিতি, ভালো থাকুক বাংলাদেশ’। জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যাত্রাবাড়ীতে মো. রিয়াজ (৩৫) নামে এক শ্রমিক নিহতের মামলায় বুধবার সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে শুনানি শেষে কারাগারে যাওয়ার সময় এ মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় ব্যারিস্টার সুমন বলেন, ‘দেশের যে পরিস্থিতি, ভালো থাকুক বাংলাদেশে। ভালো থাকুক বাংলাদেশে।’ বার বার একই কথা বলতে থাকেন তিনি। অন্যান্য আসামিরা এসময় মাথা নিচু করে চুপচাপ ছিলেন।

এর আগে আজ বুধবার সকালে কারাগারে থেকে ব্যারিস্টার সুমনসহ ৭ জনকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর তাদের সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সকাল ৯ টা ৫০ মিনিটের দিকে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এজলাসে ওঠানো হয়। এসময় তাদের হাতে হাতকড়া, মাথায় হেলমেট, বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ছিল। এদিন শুনানি শেষে সকাল সোয়া ১০টার দিকে আদালতে থেকে আসামিদের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে হাজতখানায় নেওয়া হয়।

এ মামলার অপর আসামিরা হলেন— সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু, হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন, আনিসুল হক, আব্দুর রাজ্জাক এবং যাত্রাবাড়ী-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু।

এদিকে শুনানি চলাকালীন অবস্থায় সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমুর জন্য ‘স্যান্ডইচ ও ড্রাই ফুড’ আনেন তার আইনজীবী মহসিন রেজা। তাকে সেই খাবার দেওয়ার জন্য আদালতের কাছে অনুমতি চান এই আইনজীবী। তবে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী এর বিরোধিতা করেন। শুনানি শেষে আসামিকে খাবার দেওয়ার বিষয়টি নাকচ করেন আদালত।

এ বিষয়ে আমির হোসেন আমুর আইনজীবী মহসিন রেজা বলেন, ‘আসামিকে এক ঘণ্টা পর পর খাবার খেতে হয়। এজন্য তার পছন্দের খাবার স্যান্ডইচ ও ড্রাই ফুড আদালতে আনা হয়। কিন্তু আদালত তাকে এই খাবার দেওয়ার অনুমতি দেননি। আসামি একজন বয়স্ক ব্যক্তি, নানান অসুখে জর্জরিত। এজন্য তাকে প্রতিনিয়ত সময় করে খাবার খেতে হয়।’ রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী সমকালকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

রিয়াজ হত্যা মামলার অভিযোগে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনের শেষ দিন ৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার সামনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন রিয়াজ। ওই ঘটনায় যাত্রাবাড়ী থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

সুত্র: দৈনিক সমকাল