বন্ধুত্বের সুযোগ নিয়ে এক যুবককে অপহরণ করে মালয়েশিয়া পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিলো।
এলাকাবাসীর ৯৯৯ ফোনকলের পর দ্রুত অভিযানে নেমে পুলিশ ভিকটিমকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে।
টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের জাহাজপুরা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গেলো ৯ ডিসেম্বর বিকেল ৪টার দিকে জাহাজপুরা এলাকার ছৈয়দ হোসেনের ছেলে এহেসান উল্লাহ (২০)–কে একই এলাকার যুবক আবছার (২৫) বেড়াতে যাওয়ার কথা বলে মোবাইলে করে ডেকে নিয়ে যায়। পরে তাকে বাহারছড়া ইউনিয়নের কচ্ছপিয়া এলাকায় নিয়ে গিয়ে একটি মানবপাচারকারী চক্রের কাছে বিক্রি করে দেয়।
এহেসানের অভিযোগ, পাচারকারীরা তাকে পাহাড়ি এলাকায় বন্দি করে রাখে। এক পর্যায়ে কৌশলে পালিয়ে রাস্তায় উঠে এলে পাচারকারীরা আবারও তাকে ধরে নিয়ে যায়।
১১ ডিসেম্বর সকালে ঘটনাটি জানতে পেরে এলাকাবাসী ৯৯৯–এ ফোন করলে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ ও বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশের একটি দল তাৎক্ষণিক অভিযান চালায়।
পুলিশের তৎপরতায় চক্রটি চাপে পড়ে এহেসানকে মুক্তিপণ ছাড়া ছেড়ে দেয়।
পুলিশ জানায়, অপহরণ ও পাচারচেষ্টায় জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করা হয়েছে, তবে এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
এদিকে ভিকটিমের পরিবার জানিয়েছে, দারিদ্র্যতার কারণে তারা মামলা করতে পারছেন না।
গোপন সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আবছারের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় এহেসানের বাবা ছৈয়দ হোসেন ভয়ে মামলা করা থেকে বিরত রয়েছেন।
টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান,
“ভিকটিমকে আমরা উদ্ধার করতে পেরেছি। ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে”।
নোমান অরুপ 














