ঢাকা ১২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টুথপেস্ট ছাড়াও যেসব উপকরণে রয়েছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, শরীরের কী ক্ষতি করে আজ জাতীয় লিপস্টিক দিবস মিয়ানমার থেকে ৩ কোটি টাকার মাদক ঢুকছিলো এপারে, বিজিবির হাতে পাচারকারী আটক কক্সবাজারে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির সাহিত্য আড্ডা, বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান প্রশাসনের নির্দেশনা মানেন না বিএনপি নেতা, ইজারার নামে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ কুতুবদিয়ায় নজরুল বর্ষ উপলক্ষে প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস পালনে জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা আবারো সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের পর উখিয়ায় ক্যাম্পে আশ্রয় নিল ৫ রোহিঙ্গা বনকর্মীরদের হামলার ঘটনায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে ৯০ জনের বিরুদ্ধে মামলা মিয়ানমারের অভ্যন্তরে মাইন বিস্ফোরণে বাংলাদেশি যুবকের পা বিচ্ছিন্ন টেকনাফে অস্ত্র মামলায় ১০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন করা হবে : চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক শামীম কক্সবাজারে অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি আবু সিদ্দিক গ্রেপ্তার পেকুয়ায় এবার ব্যবসায়ীর বাড়িতে দূর্ধর্ষ চুরি : স্বর্ণালংকার ও টাকা লুট রামুতে ছাত্রলীগের মোটরসাইকেল শোডাউন: ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা

কক্সবাজারে চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

কক্সবাজার শহরে চাঁদা না দেওয়ায় গণেশ পাল নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত গণেশ পাল (৪০) ওই এলাকার বাসিন্দা বিশ্বনাথ পালের ছেলে।

নিহতের স্ত্রী নেপালী পাল জানান, তাদের বাসায় একটি সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলছিল। গতকাল রাতে জিদান নামে এক ব্যক্তি গণেশ পালের দোকানে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আজ দুপুরে জিদান ও তার এক সহযোগী তাদের বাড়িতে এসে হামলা চালায়।

তিনি আরও জানান, তার চোখের সামনেই জিদান ও তার সহযোগী গণেশ পালের ওপর ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অভিযুক্ত জিদানের বাড়ি বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায়। তিনি রাজমিস্ত্রি জাকির হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

এদিকে নিহত গণেশের কাকাতো ভাই বাপ্পী পাল বলেন, “হঠাৎ করে খবর পাই, গণেশকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, আমার জেঠাতো ভাই গণেশ মারা গেছেন। তার বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আমার ভাইকে যারা হত্যা করেছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শংকর পাল মিন্টু বলেন, “এ ধরনের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপরাধীদের কঠোরভাবে দমন করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। সনাতনী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

ঘটনার বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, “বাড়ির সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলাকালে টাকা দাবি করা নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে গণেশ পাল নিহত হন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টুথপেস্ট ছাড়াও যেসব উপকরণে রয়েছে মাইক্রোপ্লাস্টিক, শরীরের কী ক্ষতি করে

কক্সবাজারে চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আপডেট সময় : ০৫:৪২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজার শহরে চাঁদা না দেওয়ায় গণেশ পাল নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত গণেশ পাল (৪০) ওই এলাকার বাসিন্দা বিশ্বনাথ পালের ছেলে।

নিহতের স্ত্রী নেপালী পাল জানান, তাদের বাসায় একটি সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলছিল। গতকাল রাতে জিদান নামে এক ব্যক্তি গণেশ পালের দোকানে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আজ দুপুরে জিদান ও তার এক সহযোগী তাদের বাড়িতে এসে হামলা চালায়।

তিনি আরও জানান, তার চোখের সামনেই জিদান ও তার সহযোগী গণেশ পালের ওপর ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অভিযুক্ত জিদানের বাড়ি বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায়। তিনি রাজমিস্ত্রি জাকির হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

এদিকে নিহত গণেশের কাকাতো ভাই বাপ্পী পাল বলেন, “হঠাৎ করে খবর পাই, গণেশকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, আমার জেঠাতো ভাই গণেশ মারা গেছেন। তার বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আমার ভাইকে যারা হত্যা করেছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শংকর পাল মিন্টু বলেন, “এ ধরনের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপরাধীদের কঠোরভাবে দমন করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। সনাতনী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

ঘটনার বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, “বাড়ির সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলাকালে টাকা দাবি করা নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে গণেশ পাল নিহত হন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”