ঢাকা ০৩:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পেকুয়ায় র‍্যালি ও পথসভা দশ মিনিটেই পুড়ে ছাই ব্যবসায়ী কাইছারের শেষ সম্বল দীর্ঘ সংগ্রাম শেষে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পেরেছি: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক অতীতে আটকে থাকার সুযোগ নেই: দীনেশ ত্রিবেদী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের নাগরিকদের জন্য খুলল যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী ভিসার পথ বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানের জলাশয়ে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণই বিএনপির সব রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস : প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার থেকে ফেরা হলো না, লোহাগাড়ায় মিনিট্রাকের ধাক্কায় দুই যুবক নিহত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে দু’র্ঘ’ট’না, বিমানবাহিনীর ৩ সদস্য নি’হ’ত শক্তিশালী টেকনাফকে হারিয়ে ফাইনালে রামু : ম্যান অব দ্যা ম্যাচ কৌশিক বড়ুয়া প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালনে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভা: দিনব্যাপী কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি চকরিয়ায় বাসে তল্লাশি : ইয়াবাসহ ২ রোহিঙ্গা যুবক আটক আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিলেন মেসি উজানটিয়া বেড়িবাঁধের ঝুঁকিপূর্ণ অংশে বসানো হচ্ছে জিও ব্যাগ, এলাকাজুড়ে স্বস্তি সভাপতির ‘না’,সেক্রেটারির ‘হ্যাঁ’ : মিলনায়তনে সীরাতুন্নবী (সা:) মাহফিল আয়োজন নিয়ে আইনজীবী সমিতির বিতর্ক

কক্সবাজারে চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

কক্সবাজার শহরে চাঁদা না দেওয়ায় গণেশ পাল নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত গণেশ পাল (৪০) ওই এলাকার বাসিন্দা বিশ্বনাথ পালের ছেলে।

নিহতের স্ত্রী নেপালী পাল জানান, তাদের বাসায় একটি সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলছিল। গতকাল রাতে জিদান নামে এক ব্যক্তি গণেশ পালের দোকানে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আজ দুপুরে জিদান ও তার এক সহযোগী তাদের বাড়িতে এসে হামলা চালায়।

তিনি আরও জানান, তার চোখের সামনেই জিদান ও তার সহযোগী গণেশ পালের ওপর ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অভিযুক্ত জিদানের বাড়ি বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায়। তিনি রাজমিস্ত্রি জাকির হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

এদিকে নিহত গণেশের কাকাতো ভাই বাপ্পী পাল বলেন, “হঠাৎ করে খবর পাই, গণেশকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, আমার জেঠাতো ভাই গণেশ মারা গেছেন। তার বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আমার ভাইকে যারা হত্যা করেছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শংকর পাল মিন্টু বলেন, “এ ধরনের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপরাধীদের কঠোরভাবে দমন করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। সনাতনী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

ঘটনার বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, “বাড়ির সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলাকালে টাকা দাবি করা নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে গণেশ পাল নিহত হন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে পেকুয়ায় র‍্যালি ও পথসভা

কক্সবাজারে চাঁদা না দেওয়ায় যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আপডেট সময় : ০৫:৪২:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজার শহরে চাঁদা না দেওয়ায় গণেশ পাল নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৭ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত গণেশ পাল (৪০) ওই এলাকার বাসিন্দা বিশ্বনাথ পালের ছেলে।

নিহতের স্ত্রী নেপালী পাল জানান, তাদের বাসায় একটি সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলছিল। গতকাল রাতে জিদান নামে এক ব্যক্তি গণেশ পালের দোকানে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু তিনি চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে আজ দুপুরে জিদান ও তার এক সহযোগী তাদের বাড়িতে এসে হামলা চালায়।

তিনি আরও জানান, তার চোখের সামনেই জিদান ও তার সহযোগী গণেশ পালের ওপর ছুরিকাঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

অভিযুক্ত জিদানের বাড়ি বিজিবি ক্যাম্পের পল্লন কাটা এলাকায়। তিনি রাজমিস্ত্রি জাকির হোসেনের ছেলে বলে জানা গেছে।

এদিকে নিহত গণেশের কাকাতো ভাই বাপ্পী পাল বলেন, “হঠাৎ করে খবর পাই, গণেশকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সেখানে গিয়ে জানতে পারি, আমার জেঠাতো ভাই গণেশ মারা গেছেন। তার বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। আমার ভাইকে যারা হত্যা করেছে তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।”

তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

এ বিষয়ে জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি উদয় শংকর পাল মিন্টু বলেন, “এ ধরনের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে জড়িত অপরাধীদের কঠোরভাবে দমন করা না গেলে ভবিষ্যতে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। সনাতনী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

ঘটনার বিষয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন বলেন, “বাড়ির সেপটিক ট্যাংক নির্মাণের কাজ চলাকালে টাকা দাবি করা নিয়ে বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটে। এতে গণেশ পাল নিহত হন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।”