ঢাকা ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে অস্ত্রের মুখে ১১ বছরের মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণ, সন্তানকে ফিরে পেতে মায়ের আহাজারি হলদিয়ার সেই মিজান এবার ‘ওয়ার্ড প্রশাসক’ হতে লাখ টাকার মিশনে : অভিযোগ অস্বীকার মিজানের কক্সবাজারে বেঙ্গল ইসলামি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বার্ষিক সম্মেলন তরুণদের নেতৃত্বে টেকনাফে অনুষ্ঠিত হলো শান্তি ও সম্প্রীতি মেলা ২০২৬ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য কলাতলীর মেম্বার ঘাটা থেকে রাসেলের মরদেহ উদ্ধার ৪৫ বছর পর চকরিয়ায় মা-বাবার খোঁজে নেদারল্যান্ডসের সেলিনা নাইক্ষ্যংছড়িতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভা জেদ্দায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭ জনেরই বাড়ি চকরিয়ায় বিনা দোষে কাউকে গ্রেফতার না করার অনুরোধ এমপি কাজলের টেকনাফের পাহাড়ে ৩ ম/র/দে/হ গেল কোথায়? ৪ ঘন্টার অভিযানে মিলেনি কিছুই! কক্সবাজারে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে আলোচনা সভা ৭ নভেম্বরের চেতনায় ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী ৭ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের ম্যাগনা কার্টা: প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারগামী শিক্ষাসফরের বাস পুকুরে, শিক্ষিকাসহ নিহত ২

পরিকল্পিত নগরায়নে প্রতি সিটি ও জেলায় হচ্ছে মাস্টারপ্ল্যান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পরিকল্পিত ও সুষম নগরায়নের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছে সরকার। সোমবার (৫ অক্টোবর) ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। জাতিসংঘ ঘোষিত এবারের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন’কে অত্যন্ত সময়োপযোগী আখ্যা দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, আবাসন কেবল চার দেওয়ালের আশ্রয়ে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর সঙ্গে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও মর্যাদাপূর্ণ নাগরিক সেবার নিশ্চয়তা জড়িত।

নগর সম্প্রসারণের পাশাপাশি যানজট, দূষণ, আবাসন সংকট ও জলবায়ুজনিত অভিবাসনের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নিম্ন আয়ের মানুষ ও বস্তিবাসীদের দীর্ঘদিনের আবাসনের মালিকানা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে সমন্বিত বর্জ্য ও পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের কাজ চলছে।

পরিকল্পিত নগরায়নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি জোরদার করতে সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জে পৃথক নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি মনে করেন, এসব কার্যক্রম টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি-১১) অর্জনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

টেকসই আবাসন বাস্তবায়ন কেবল সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি খাত, এনজিও ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। গ্রাম ও শহরের বৈষম্য কমিয়ে সবার জন্য মানবিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

সূত্র:  দৈনিক ইত্তেফাক
ট্যাগ :

টেকনাফে অস্ত্রের মুখে ১১ বছরের মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণ, সন্তানকে ফিরে পেতে মায়ের আহাজারি

পরিকল্পিত নগরায়নে প্রতি সিটি ও জেলায় হচ্ছে মাস্টারপ্ল্যান: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ১১:৪৯:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

পরিকল্পিত ও সুষম নগরায়নের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় সমন্বিত মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছে সরকার। সোমবার (৫ অক্টোবর) ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে এ কথা জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি দেশের প্রতিটি নাগরিকের জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। জাতিসংঘ ঘোষিত এবারের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন’কে অত্যন্ত সময়োপযোগী আখ্যা দিয়ে তিনি উল্লেখ করেন, আবাসন কেবল চার দেওয়ালের আশ্রয়ে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর সঙ্গে নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও মর্যাদাপূর্ণ নাগরিক সেবার নিশ্চয়তা জড়িত।

নগর সম্প্রসারণের পাশাপাশি যানজট, দূষণ, আবাসন সংকট ও জলবায়ুজনিত অভিবাসনের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি জানান, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নিম্ন আয়ের মানুষ ও বস্তিবাসীদের দীর্ঘদিনের আবাসনের মালিকানা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে সমন্বিত বর্জ্য ও পানি ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতের কাজ চলছে।

পরিকল্পিত নগরায়নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি জোরদার করতে সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জে পৃথক নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি মনে করেন, এসব কার্যক্রম টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি-১১) অর্জনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

টেকসই আবাসন বাস্তবায়ন কেবল সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বেসরকারি খাত, এনজিও ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। গ্রাম ও শহরের বৈষম্য কমিয়ে সবার জন্য মানবিক, পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য বলে পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

সূত্র:  দৈনিক ইত্তেফাক