ঢাকা ০৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রামুর সেক্টর কমান্ডার শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার করেছে এসআরবি-১৫ লামায় বিদায়ী ইউএনও মঈন উদ্দিনকে প্রেসক্লাবের বিদায় সংবর্ধনা প্রশাসন-গণমাধ্যমের সমন্বয়ে জনসেবা গতিশীল হবে- উখিয়া প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইউএনওর মতবিনিময় পেকুয়ায় করাতকলে অভিযান, মেশিন ও গাছ জব্দ কয়েক যুগেও লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া , দুর্ভোগে দুই গ্রামের হাজার মানুষ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম নিখোঁজের তিন দিন পর চট্টগ্রামের দুই বাসা থেকে উদ্ধার ৩ স্কুলছাত্রী বিকাশের দোকানের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা:অতঃপর আটক সাহিত্যিকা পল্লীর মিজান পেশকার পাড়ার মৎস্য ব্যবসায়ী আবু বক্কর সিদ্দিক আর নেই, বাদ আছর জানাজা আজ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস শারদীয় দূর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনে সর্বদলীয় মতবিনিময় সভা প্রকাশিত সংবাদের ব্যাপারে রামু সরকারি কলেজের সহকারি অধ্যাপক শহীদুল হক কাজলের বক্তব্য কুতুবদিয়ায় বিসিবির বয়সভিত্তিক ক্রিকেটার বাছাই, দুই শতাধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ

ঢাকায় জয়শঙ্করের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে যা বললেন পাকিস্তানের স্পিকার

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ০১:৩৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬
  • 331

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় এসেছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রাহ্মনিয়াম জয়শঙ্কর এবং পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক। তারা উভয়েই ভারত ও পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে এসেছিলেন। ঢাকায় দু’জনের মধ্যে সাক্ষাৎ ও কথাবার্তাও হয়েছে।

জানাজা শেষে জয়শঙ্কর ও সরদার আয়াজ উভয়েই নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন। জয়শঙ্করের সঙ্গে ঢাকায় সাক্ষাৎ ও আলাপচারিতা সম্পর্কে আজ বুধবার পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও টিভির এক টকশোতে কথা বলেছেন সরদার আজিজ।

বুধবার জিও টিভির টকশো ‘আজ শাহজাইব খানজাদা কে সাথ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের স্পিকার। সেখানে তিনি বলেছেন, “(বিএনপি চেয়ারপারসনের জানাজা উপলক্ষে) আমরা যারা পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ থেকে (বাংলাদেশে) গিয়েছিলাম, ঢাকায় পৌঁছানোর পর প্রথম দিকে আমরা সবাই জড়ো হয়েছিলাম বাংলাদেশের পার্লামেন্ট ভবনের অভ্যর্থনা কক্ষে। সেখানেই এস. জয়শঙ্কর এবং তার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘটে আমাদের।”

“অভ্যর্থনা কক্ষে আমি (বাংলাদেশে নিযুক্ত) পাকিস্তানি হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা বলছিলাম, সে সময় তিনি (জয়শঙ্কর) এগিয়ে এলেন, স্বাগত জানালেন এবং নিজের পরিচয় দিলেন। এর পর আমি যখন নিজের পরিচয় দিতে গেলাম, তিনি বলেন, ‘আমি আপনাকে চিনি জনাব, পরিচয় দেওয়ার প্রয়োজন নেই’।”

সাক্ষাৎকারে সরদার আয়াজ জানান, যখন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার সঙ্গে হাত মেলানোর জন্য এগিয়ে আসেন— সে সময় বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা ও সাংবাদিকরা ব্যাপকমাত্রায় ‘সচেতন’ হয়ে ওঠেন জয়শঙ্কর এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল ছিলেন বলে তার মনে হয়েছে।

“তিনি খুব ভালোভাবেই জানতেন যে তিনি যা যা করছেন, সবই মিডিয়ার লোকজন রেকর্ড করছে। তিনি সেভাবেই আমার সঙ্গে কথা বলেছেন।”

সূত্র : জিও টিভি

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রামুর সেক্টর কমান্ডার

ঢাকায় জয়শঙ্করের সঙ্গে সাক্ষাৎ নিয়ে যা বললেন পাকিস্তানের স্পিকার

আপডেট সময় : ০১:৩৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী ২০২৬

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে ঢাকায় এসেছিলেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রাহ্মনিয়াম জয়শঙ্কর এবং পাকিস্তানের পার্লামেন্ট ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক। তারা উভয়েই ভারত ও পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে এসেছিলেন। ঢাকায় দু’জনের মধ্যে সাক্ষাৎ ও কথাবার্তাও হয়েছে।

জানাজা শেষে জয়শঙ্কর ও সরদার আয়াজ উভয়েই নিজ নিজ দেশে ফিরে গেছেন। জয়শঙ্করের সঙ্গে ঢাকায় সাক্ষাৎ ও আলাপচারিতা সম্পর্কে আজ বুধবার পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও টিভির এক টকশোতে কথা বলেছেন সরদার আজিজ।

বুধবার জিও টিভির টকশো ‘আজ শাহজাইব খানজাদা কে সাথ’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের স্পিকার। সেখানে তিনি বলেছেন, “(বিএনপি চেয়ারপারসনের জানাজা উপলক্ষে) আমরা যারা পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ থেকে (বাংলাদেশে) গিয়েছিলাম, ঢাকায় পৌঁছানোর পর প্রথম দিকে আমরা সবাই জড়ো হয়েছিলাম বাংলাদেশের পার্লামেন্ট ভবনের অভ্যর্থনা কক্ষে। সেখানেই এস. জয়শঙ্কর এবং তার নেতৃত্বাধীন ভারতীয় প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘটে আমাদের।”

“অভ্যর্থনা কক্ষে আমি (বাংলাদেশে নিযুক্ত) পাকিস্তানি হাইকমিশনারের সঙ্গে কথা বলছিলাম, সে সময় তিনি (জয়শঙ্কর) এগিয়ে এলেন, স্বাগত জানালেন এবং নিজের পরিচয় দিলেন। এর পর আমি যখন নিজের পরিচয় দিতে গেলাম, তিনি বলেন, ‘আমি আপনাকে চিনি জনাব, পরিচয় দেওয়ার প্রয়োজন নেই’।”

সাক্ষাৎকারে সরদার আয়াজ জানান, যখন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার সঙ্গে হাত মেলানোর জন্য এগিয়ে আসেন— সে সময় বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরা ও সাংবাদিকরা ব্যাপকমাত্রায় ‘সচেতন’ হয়ে ওঠেন জয়শঙ্কর এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ ওয়াকিবহাল ছিলেন বলে তার মনে হয়েছে।

“তিনি খুব ভালোভাবেই জানতেন যে তিনি যা যা করছেন, সবই মিডিয়ার লোকজন রেকর্ড করছে। তিনি সেভাবেই আমার সঙ্গে কথা বলেছেন।”

সূত্র : জিও টিভি