ঢাকা ০৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লোহাগাড়ায় ব্যবসায়ীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ, স্বামীকে অক্ষত ফেরত চেয়ে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার করেছে এসআরবি-১৫ টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রামুর সেক্টর কমান্ডার শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে কক্সবাজার বিশেষ নিরাপত্তা জোরদার করেছে এসআরবি-১৫ লামায় বিদায়ী ইউএনও মঈন উদ্দিনকে প্রেসক্লাবের বিদায় সংবর্ধনা প্রশাসন-গণমাধ্যমের সমন্বয়ে জনসেবা গতিশীল হবে- উখিয়া প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ইউএনওর মতবিনিময় পেকুয়ায় করাতকলে অভিযান, মেশিন ও গাছ জব্দ কয়েক যুগেও লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া , দুর্ভোগে দুই গ্রামের হাজার মানুষ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববাজারে কমলো জ্বালানি তেলের দাম নিখোঁজের তিন দিন পর চট্টগ্রামের দুই বাসা থেকে উদ্ধার ৩ স্কুলছাত্রী বিকাশের দোকানের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা:অতঃপর আটক সাহিত্যিকা পল্লীর মিজান পেশকার পাড়ার মৎস্য ব্যবসায়ী আবু বক্কর সিদ্দিক আর নেই, বাদ আছর জানাজা আজ বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস শারদীয় দূর্গোৎসব সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে উদযাপনে সর্বদলীয় মতবিনিময় সভা

টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রামুর সেক্টর কমান্ডার

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকার পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আনোয়ার।

সীমান্তবর্তী এলাকায় পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও পুরোহিতদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং এলাকায় একটি এবং হ্নীলা এলাকায় দুটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আনোয়ার। এ সময় উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মো. মাসুদ রানা (কোয়ার্টার মাস্টার)সহ বিজিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে সেক্টর কমান্ডার পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আশপাশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের পুরোহিতদের উপহার প্রদান করেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত ছয়টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির সদস্যরা নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

এদিকে শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরিকল্পনার আওতায় নিয়মিত টহল জোরদার, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও বিষয় চিহ্নিতকরণ এবং স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

বিজিবি জানিয়েছে, দেশের মোট ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৪২৫টি পূজামণ্ডপ। এছাড়া ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা ১ হাজার ১১৯টি এবং দুর্গম এলাকায় অবস্থিত ১৮৩টি পূজামণ্ডপকেও নিরাপত্তার আওতায় রাখা হয়েছে।
পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৮টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছে বিজিবি।

আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিজিবির সদস্যরা মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধেও বিশেষ নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই ছাড়া প্রচার না করার জন্য সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

লোহাগাড়ায় ব্যবসায়ীকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ, স্বামীকে অক্ষত ফেরত চেয়ে স্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন

টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রামুর সেক্টর কমান্ডার

আপডেট সময় : ০৮:৩৪:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কক্সবাজারের টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকার পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন রামু সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আনোয়ার।

সীমান্তবর্তী এলাকায় পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও পুরোহিতদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং এলাকায় একটি এবং হ্নীলা এলাকায় দুটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন রামু সেক্টর কমান্ডার কর্নেল আনোয়ার। এ সময় উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জহিরুল ইসলাম, সহকারী পরিচালক মো. মাসুদ রানা (কোয়ার্টার মাস্টার)সহ বিজিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে সেক্টর কমান্ডার পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা, আশপাশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। একই সঙ্গে পূজামণ্ডপের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপের পুরোহিতদের উপহার প্রদান করেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপনে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে টেকনাফ ও উখিয়ার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত ছয়টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবির সদস্যরা নিরবচ্ছিন্নভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এসব এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।

এদিকে শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। পরিকল্পনার আওতায় নিয়মিত টহল জোরদার, গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ও বিষয় চিহ্নিতকরণ এবং স্থানীয় প্রশাসন, পুলিশ ও পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

বিজিবি জানিয়েছে, দেশের মোট ২ হাজার ৭২৭টি পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিজিবি সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে সীমান্তের ৮ কিলোমিটারের মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৪২৫টি পূজামণ্ডপ। এছাড়া ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরের ৩ কিলোমিটারের মধ্যে থাকা ১ হাজার ১১৯টি এবং দুর্গম এলাকায় অবস্থিত ১৮৩টি পূজামণ্ডপকেও নিরাপত্তার আওতায় রাখা হয়েছে।
পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা কার্যক্রম আরও জোরদার করতে দেশের বিভিন্ন স্থানে ১৮টি বেইজ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছে বিজিবি।

আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় বিজিবির সদস্যরা মাঠে দায়িত্ব পালন করবেন।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি গুজব, অপতথ্য ও সাম্প্রদায়িক উসকানি প্রতিরোধেও বিশেষ নজরদারি থাকবে বলে জানিয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তিকর তথ্য যাচাই ছাড়া প্রচার না করার জন্য সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।