অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি জাফর আহমদ।
এর আগে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালত তাঁকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং আট কোটি টাকা জরিমানা প্রদান করেন। রায় ঘোষণার পর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।
পরবর্তীতে বিচারিক আদালতের সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল ও জামিনের আবেদন করা হলে উচ্চ আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন। জামিনের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
২০১৯ সালের ১ এপ্রিল দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন বাদী হয়ে চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানায় মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১৫ মে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয় এবং চলতি বছরের ৫ মে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে বিচারক রায় ঘোষণা করেন।
দুদকের অভিযোগপত্রে উল্লেখ ছিল, জাফর আহমদের নামে ৪ কোটি ৯০ লাখ ৬৯ হাজার টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রমাণ পাওয়া যায়, যার মধ্যে টেকনাফে জমি ও বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবের জমা টাকা অন্তর্ভুক্ত। দুদক তদন্তে তাঁর মোট ৬ কোটি ৭৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পায়, যার বিপরীতে তাঁর গ্রহণযোগ্য আয় ছিল ২ কোটি ৪৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।
জাফর আহমদ ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং দ্বিতীয়বারের মতো ২০২৪ সালেও চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক 






















