ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে ফিরলে শেখ হাসিনার কী হতে পারে? আইন, বিচার ও রাজনৈতিক বাস্তবতা মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ৩ কেন আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে চান স্পেন কোচ ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের পাটের মান বেশি উন্নত: ভারতীয় কৃষিমন্ত্রী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নীল জার্সিতে নামবে আর্জেন্টিনা, কেন এই জার্সি নিয়ে এত আলোচনা? দায়িত্ববোধ-সচেতনতা তৈরি করা গেলে পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা যাবে  দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল রথযাত্রা উৎসব- থাকছে নানা আয়োজন তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩ সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত আজ ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তিন বিষয়ের পরীক্ষা আবার নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী পেকুয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু রাজাপালংয়ের চেয়ারম্যান দুর্নীতিগ্রস্ত : জেলা প্রশাসকের কাছে দেয়া এমপির চিঠি ভাইরাল!

জরিপ: আ’লীগ না থাকলে জামায়াত ভোট পাবে ৩৩.৫ শতাংশ!

অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের বিষয়ে ছয় মাসের ব্যবধানে ভোটারদের মনোভাবে সামান্য পরিবর্তনের ইংগিত এসেছে ভোট সামনে রেখে পরিচালিত এক জরিপে।

ইনোভিশন কনসাল্টিং পরিচালিত ‘জনগণের নির্বাচন ভাবনা’ জরিপের সেপ্টেম্বর পর্বের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, যারা ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে কাকে ভোট দেবেন সে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং তা প্রকাশ করেছেন, তাদের ১৮ দশমিক ৮ শতাংশ উত্তরদাতা আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন। গত মার্চে প্রেথম পর্বের জরিপে এই হার ছিল ১৪ শতাংশ।

অন্যদিকে কমেছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিকে ভোট দিতে আগ্রহীর হার।

গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই জরিপ চালানো হয়, তাতে অংশ নেন ১০ হাজার ৪১৩ জন ভোটার। দেশের ৬৪ জেলার ৫২১টি ওয়ার্ডে এ জরিপ পরিচালনা করে ইনোভিশন কনসাল্টিং।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় আরকাইভস ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেন ইনোভিশন কনসাল্টিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবাইয়াত সারোয়ার।

তিনি বলেন, “মূলত আগামী নির্বাচনে জনগণ কাকে ভোট দেবে তা দেখার চেষ্টা করেছি।”

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান দলটির নেতা শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের অনেকেই বিদেশে বা আত্মগোপনে আছেন। কেউ কেউ গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গেছেন।

আন্দোলন দমনে শত শত মানুষকে হত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচার চলছে। বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হয়েছে আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম।

নির্বাচন কমিশনও আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করেছে। ফলে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় থাকা দলটির আপাতত নির্বাচন করার পথ বন্ধ।

রুবাইয়াত সারোয়ার বলেন, মোট ১০ হাজার ৪১৩ জন ভোটার সেপ্টেম্বরের ‘জনগণের নির্বাচন ভাবনা’ জরিপে অংশগ্রহণ করলেও তাদের মধ্যে ৫ হাজার ৬৭৩ জন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে কাকে ভোট দেবেন সে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং তা জরিপের মধ্যে প্রকাশ করেছেন।

ফালেফলে দেখা যাচ্ছে, তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে আগ্রহীদের হার বাড়লেও ভোটের মাঠে থাকা বেশিরভাগ দলের ক্ষেত্রে তা কমেছে।

সমর্থনে সবচেয়ে এগিয়ে আছে বিএনপি, সেপ্টেম্বরের জরিপে ৪১ দশমিক ৩০ শতাংশ উত্তরদাতা বিএনপিকে ভোট দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। মার্চে এই হার ছিল একটু বেশি, ৪১ দশমিক ৭০ শতাংশ।

জামায়তে ইসলামীর ক্ষেত্রে এই হার মার্চের ৩১ দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে কমে ৩০ দশমিক ৩০ শতাংশ হয়েছে।

আর এনসিপির ক্ষেত্রে ৫ দশমিক ১০ শতাংশ থেকে কমে ৪ দশমিক ১০ শতাংশ; জাতীয় পার্টির ক্ষেত্রে ১ শতাংশ থেকে দশমিক ৯০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

ব্যতিক্রম শুধু ইসলামী আন্দোলন। তাদের ভোট দিতে আগ্রহীর সংখ্যা মার্চের ২ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ হয়েছে।

আগামী সরকার গঠনে সবচেয়ে যোগ্য দল কোনটি এমন প্রশ্নে ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ উত্তরদাতা রায় দিয়েছেন বিএনপির পক্ষে।

এছাড়া ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ উত্তরদাতা আওয়ামী লীগকে, ২৮ দশমিক ১ শতাংশ জামায়াতকে, ৪ দশমিক ৯ শতাংশ এনসিপিকে এবং ১০ দশমিক ২ শতাংশ অন্যান্য দলের পক্ষে মত দিয়েছেন।

প্রশ্ন ছিল, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী নির্বাচন করতে না পারলে তাদের ভোট কোথায় যাবে।

যারা ভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং মতামত প্রকাশ করেছে, তাদের ৪৫ দশমিক ৬ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, সেই ভোট বিএনপি পাবে।

এছাড়া ৩৩ দশমিক ৫ শতাংশ জামায়াত, ৪ দশমিক ৭ শতাংশ এনসিপি, ৩ দশমিক ৮ শতাংশ ইসলামী আন্দোলন এবং ২ দশমিক ১ শতাংশ জাতীয় পার্টির কথা বলেছেন।

আওয়ামী লীগকে যারা সবচেয়ে উপযুক্ত মনে করেন, এমন ১ হাজার ৮৪০ জন ভোটারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তাদের বিচারে দ্বিতীয় উপযুক্ত দল কোনটি।

সেখানে ৪৯ দশমিক ৫ শতাংশের রায় গেছে বিএনপির বাক্সে। ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ জামায়াত, ৩ দশমিক ৪ শতাংশ এনসিপি, ১ দশমিক ২ শতাংশ ইসলামী আন্দোলন এবং ৮ দশমিক ৭ শতাংশ উত্তরদাতা জাতীয় পার্টিকে দ্বিতীয় উপযুক্ত দল মনে করার কথা বলেছেন। আর ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন তারা কোনো দলকে দ্বিতীয় উপযুক্ত মনে করেন না।

ভোটের ক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিএনপির পক্ষে রায় বেড়েছে, উল্টো ঘটেছে জামায়াতের ক্ষেত্রে। জেন জি ও নারীদের মধ্যে জামায়াতের সমর্থন বেশি।

শিক্ষা বাড়ার সঙ্গে ভোটাররা মত দিয়েছেন জামায়াতের পক্ষে, উল্টো ঘটেছে বিএনপির বেলায়।

সেপ্টেম্বরের জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ ভোটার ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশের সঙ্গেই বাংলাদেশের ভালো সম্পর্ক চায়।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার মত তুলনামূলকভাবে কম।

জরিপে দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জরিপে অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ৮ দশমিক ০ শতাংশ পাকিস্তানের সঙ্গে দূরত্ব চান। আর ভারতের সঙ্গে দূরত্ব চান ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ।

ভবিষ্যৎ সরকারের কাছে কী প্রত্যাশা–এই প্রশ্নে মার্চে সবচেয়ে বেশি ৭১ দশমিক ২ শতাংশ বলেছিলেন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের দাবির কথা।

সেপ্টেম্বরের জরিপে অংশগ্রহণকারীদের প্রাধিকার বদলে গেছে। সবচেয়ে বেশি ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ বলেছেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির প্রত্যাশার কথা।

সূত্র: বিডিনিউজ

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে ফিরলে শেখ হাসিনার কী হতে পারে? আইন, বিচার ও রাজনৈতিক বাস্তবতা

জরিপ: আ’লীগ না থাকলে জামায়াত ভোট পাবে ৩৩.৫ শতাংশ!

আপডেট সময় : ০৫:১৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের বিষয়ে ছয় মাসের ব্যবধানে ভোটারদের মনোভাবে সামান্য পরিবর্তনের ইংগিত এসেছে ভোট সামনে রেখে পরিচালিত এক জরিপে।

ইনোভিশন কনসাল্টিং পরিচালিত ‘জনগণের নির্বাচন ভাবনা’ জরিপের সেপ্টেম্বর পর্বের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, যারা ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে কাকে ভোট দেবেন সে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং তা প্রকাশ করেছেন, তাদের ১৮ দশমিক ৮ শতাংশ উত্তরদাতা আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার কথা বলেছেন। গত মার্চে প্রেথম পর্বের জরিপে এই হার ছিল ১৪ শতাংশ।

অন্যদিকে কমেছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিকে ভোট দিতে আগ্রহীর হার।

গত ২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই জরিপ চালানো হয়, তাতে অংশ নেন ১০ হাজার ৪১৩ জন ভোটার। দেশের ৬৪ জেলার ৫২১টি ওয়ার্ডে এ জরিপ পরিচালনা করে ইনোভিশন কনসাল্টিং।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের জাতীয় আরকাইভস ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেন ইনোভিশন কনসাল্টিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবাইয়াত সারোয়ার।

তিনি বলেন, “মূলত আগামী নির্বাচনে জনগণ কাকে ভোট দেবে তা দেখার চেষ্টা করেছি।”

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট আওয়ামী লীগের ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটে। প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান দলটির নেতা শেখ হাসিনা।

আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ নেতাদের অনেকেই বিদেশে বা আত্মগোপনে আছেন। কেউ কেউ গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে গেছেন।

আন্দোলন দমনে শত শত মানুষকে হত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিচার চলছে। বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিষিদ্ধ করা হয়েছে আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম।

নির্বাচন কমিশনও আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত করেছে। ফলে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় থাকা দলটির আপাতত নির্বাচন করার পথ বন্ধ।

রুবাইয়াত সারোয়ার বলেন, মোট ১০ হাজার ৪১৩ জন ভোটার সেপ্টেম্বরের ‘জনগণের নির্বাচন ভাবনা’ জরিপে অংশগ্রহণ করলেও তাদের মধ্যে ৫ হাজার ৬৭৩ জন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে কাকে ভোট দেবেন সে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং তা জরিপের মধ্যে প্রকাশ করেছেন।

ফালেফলে দেখা যাচ্ছে, তাদের মধ্যে আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে আগ্রহীদের হার বাড়লেও ভোটের মাঠে থাকা বেশিরভাগ দলের ক্ষেত্রে তা কমেছে।

সমর্থনে সবচেয়ে এগিয়ে আছে বিএনপি, সেপ্টেম্বরের জরিপে ৪১ দশমিক ৩০ শতাংশ উত্তরদাতা বিএনপিকে ভোট দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। মার্চে এই হার ছিল একটু বেশি, ৪১ দশমিক ৭০ শতাংশ।

জামায়তে ইসলামীর ক্ষেত্রে এই হার মার্চের ৩১ দশমিক ৬০ শতাংশ থেকে কমে ৩০ দশমিক ৩০ শতাংশ হয়েছে।

আর এনসিপির ক্ষেত্রে ৫ দশমিক ১০ শতাংশ থেকে কমে ৪ দশমিক ১০ শতাংশ; জাতীয় পার্টির ক্ষেত্রে ১ শতাংশ থেকে দশমিক ৯০ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

ব্যতিক্রম শুধু ইসলামী আন্দোলন। তাদের ভোট দিতে আগ্রহীর সংখ্যা মার্চের ২ দশমিক ৫০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ হয়েছে।

আগামী সরকার গঠনে সবচেয়ে যোগ্য দল কোনটি এমন প্রশ্নে ৩৯ দশমিক ১ শতাংশ উত্তরদাতা রায় দিয়েছেন বিএনপির পক্ষে।

এছাড়া ১৭ দশমিক ৭ শতাংশ উত্তরদাতা আওয়ামী লীগকে, ২৮ দশমিক ১ শতাংশ জামায়াতকে, ৪ দশমিক ৯ শতাংশ এনসিপিকে এবং ১০ দশমিক ২ শতাংশ অন্যান্য দলের পক্ষে মত দিয়েছেন।

প্রশ্ন ছিল, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী নির্বাচন করতে না পারলে তাদের ভোট কোথায় যাবে।

যারা ভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং মতামত প্রকাশ করেছে, তাদের ৪৫ দশমিক ৬ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, সেই ভোট বিএনপি পাবে।

এছাড়া ৩৩ দশমিক ৫ শতাংশ জামায়াত, ৪ দশমিক ৭ শতাংশ এনসিপি, ৩ দশমিক ৮ শতাংশ ইসলামী আন্দোলন এবং ২ দশমিক ১ শতাংশ জাতীয় পার্টির কথা বলেছেন।

আওয়ামী লীগকে যারা সবচেয়ে উপযুক্ত মনে করেন, এমন ১ হাজার ৮৪০ জন ভোটারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, তাদের বিচারে দ্বিতীয় উপযুক্ত দল কোনটি।

সেখানে ৪৯ দশমিক ৫ শতাংশের রায় গেছে বিএনপির বাক্সে। ১৭ দশমিক ৯ শতাংশ জামায়াত, ৩ দশমিক ৪ শতাংশ এনসিপি, ১ দশমিক ২ শতাংশ ইসলামী আন্দোলন এবং ৮ দশমিক ৭ শতাংশ উত্তরদাতা জাতীয় পার্টিকে দ্বিতীয় উপযুক্ত দল মনে করার কথা বলেছেন। আর ১৭ দশমিক ৪ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন তারা কোনো দলকে দ্বিতীয় উপযুক্ত মনে করেন না।

ভোটের ক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিএনপির পক্ষে রায় বেড়েছে, উল্টো ঘটেছে জামায়াতের ক্ষেত্রে। জেন জি ও নারীদের মধ্যে জামায়াতের সমর্থন বেশি।

শিক্ষা বাড়ার সঙ্গে ভোটাররা মত দিয়েছেন জামায়াতের পক্ষে, উল্টো ঘটেছে বিএনপির বেলায়।

সেপ্টেম্বরের জরিপে দেখা গেছে, অধিকাংশ ভোটার ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশের সঙ্গেই বাংলাদেশের ভালো সম্পর্ক চায়।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখার মত তুলনামূলকভাবে কম।

জরিপে দেখা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জরিপে অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে ৮ দশমিক ০ শতাংশ পাকিস্তানের সঙ্গে দূরত্ব চান। আর ভারতের সঙ্গে দূরত্ব চান ১৫ দশমিক ১০ শতাংশ।

ভবিষ্যৎ সরকারের কাছে কী প্রত্যাশা–এই প্রশ্নে মার্চে সবচেয়ে বেশি ৭১ দশমিক ২ শতাংশ বলেছিলেন মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের দাবির কথা।

সেপ্টেম্বরের জরিপে অংশগ্রহণকারীদের প্রাধিকার বদলে গেছে। সবচেয়ে বেশি ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ বলেছেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির প্রত্যাশার কথা।

সূত্র: বিডিনিউজ