ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেকনাফে যৌথবাহিনীর চিরুনি অভিযান: অপহরণ চক্র ও পাহাড়ে সন্ত্রাস দমনে তৎপরতা জোরদার আগুন দেখতে গিয়ে প্রাণ গেল শিশু রাইয়ানের সংকটেও বিদ্যুৎ গিলছে টমটম-ইজিবাইক স্লোগান, সুবিধা ও বাস্তবতার রাজনীতি নিখোঁজ সন্ন্যাসীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার কারচুপির অভিযোগে হামিদুর রহমানের মামলা: কক্সবাজার-২ আসনের নির্বাচনী নথি হেফাজতে নেওয়ার নির্দেশ শুভেচ্ছা দূত হিসেবে ইউএনএইচসিআরের সঙ্গে তাহসানের চুক্তি নবায়ন ঈদগড়ের ইউপি সদস্য অপহৃত, মুক্তিপণ দাবি চকরিয়ায় বেড়িবাঁধ থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার অভাব ও অন্ধকার ভবিষ্যৎ রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ঠেলে দিচ্ছে ‘ভাগ্যের জুয়ায়’ টেকনাফের হ্নীলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড: পুড়ে ছাই ১০-১২টি বসতবাড়ি কক্সবাজার শহরে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ১ সাত বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার পাচারকারীর ফেলে যাওয়া বস্তায় ১৮ কেজি গাঁজা

কক্সবাজার সৈকতের অবৈধ দোকান উচ্ছেদে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ

কক্সবাজারের বালিয়াড়ি সমুদ্রসৈকত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ জন্য মন্ত্রণালয় থেকে মঙ্গলবার ভূমি মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আইন অমান্য করে দেওয়া দোকানের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কক্সবাজার সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অথচ আইন ও বিধিবহির্ভূতভাবে দোকানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ ঘোষিত এলাকায় কোনো স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে পরিবেশের ক্ষতিকর স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মন্ত্রণালয় বলছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া ভবিষ্যতে যেন আর কোনো দোকান বা স্থাপনা গড়ে না ওঠে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে।

সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্রসৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। এরপর বিভিন্ন সময়ে হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টও এ এলাকায় যেকোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। তবু স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে বা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় বালিয়াড়িতে দোকানপাট ও স্থাপনা গড়ে ওঠে।

পরিবেশবিদেরা বলছেন, সৈকতের প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি শুধু পর্যটন নয়, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ধ্বংস হলে কক্সবাজারের পরিবেশ বিপর্যস্ত হবে। তাই সরকারের এ উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি

সূত্র: সমকাল

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজার সৈকতের অবৈধ দোকান উচ্ছেদে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০১:০২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের বালিয়াড়ি সমুদ্রসৈকত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ জন্য মন্ত্রণালয় থেকে মঙ্গলবার ভূমি মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আইন অমান্য করে দেওয়া দোকানের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কক্সবাজার সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অথচ আইন ও বিধিবহির্ভূতভাবে দোকানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ ঘোষিত এলাকায় কোনো স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে পরিবেশের ক্ষতিকর স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মন্ত্রণালয় বলছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া ভবিষ্যতে যেন আর কোনো দোকান বা স্থাপনা গড়ে না ওঠে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে।

সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্রসৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। এরপর বিভিন্ন সময়ে হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টও এ এলাকায় যেকোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। তবু স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে বা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় বালিয়াড়িতে দোকানপাট ও স্থাপনা গড়ে ওঠে।

পরিবেশবিদেরা বলছেন, সৈকতের প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি শুধু পর্যটন নয়, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ধ্বংস হলে কক্সবাজারের পরিবেশ বিপর্যস্ত হবে। তাই সরকারের এ উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি

সূত্র: সমকাল