ঢাকা ০১:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মুক্ত রাখা হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী কক্সবাজার উপকূলে এগোচ্ছে মৌসুমীবায়ু, দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির আভাস ফুটবল রোমাঞ্চে ভরা রাত- মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও পর্তুগাল হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশনে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা! ‌আপা-ভাইয়া বনাম “স্যার-ম্যডাম”: আমলাতন্ত্রের ভাষায় ঔপনিবেশিকতার দীর্ঘ ছায়া নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল গলায় চানাচুর আঁটকে শিশু আবিদের মৃত্যু উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযান: ৫ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ফুটবল বিশ্বকাপ: হিসাব–নিকাশে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা বিশ্ব পরিবেশ দিবসেই মহেশখালীতে পুড়ছে প্যারাবন: নির্বিকার বনবিভাগ ও প্রশাসন প্রায় সাত বছর পর রূপালী পর্দায় সিনেমা দেখার সুযোগ পেল কক্সবাজারের মানুষ, আধুনিক সিনেমা হলের দাবি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক, উখিয়া ক্যাম্প পরিদর্শনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আর্জেন্টিনার নীল-সাদা রঙে রাঙল টেকনাফ

কক্সবাজার সৈকতের অবৈধ দোকান উচ্ছেদে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ

কক্সবাজারের বালিয়াড়ি সমুদ্রসৈকত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ জন্য মন্ত্রণালয় থেকে মঙ্গলবার ভূমি মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আইন অমান্য করে দেওয়া দোকানের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কক্সবাজার সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অথচ আইন ও বিধিবহির্ভূতভাবে দোকানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ ঘোষিত এলাকায় কোনো স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে পরিবেশের ক্ষতিকর স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মন্ত্রণালয় বলছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া ভবিষ্যতে যেন আর কোনো দোকান বা স্থাপনা গড়ে না ওঠে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে।

সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্রসৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। এরপর বিভিন্ন সময়ে হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টও এ এলাকায় যেকোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। তবু স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে বা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় বালিয়াড়িতে দোকানপাট ও স্থাপনা গড়ে ওঠে।

পরিবেশবিদেরা বলছেন, সৈকতের প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি শুধু পর্যটন নয়, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ধ্বংস হলে কক্সবাজারের পরিবেশ বিপর্যস্ত হবে। তাই সরকারের এ উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি

সূত্র: সমকাল

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মুক্ত রাখা হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী

কক্সবাজার সৈকতের অবৈধ দোকান উচ্ছেদে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০১:০২:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের বালিয়াড়ি সমুদ্রসৈকত দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ জন্য মন্ত্রণালয় থেকে মঙ্গলবার ভূমি মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আইন অমান্য করে দেওয়া দোকানের লাইসেন্স বাতিলের প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে।

পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কক্সবাজার সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অথচ আইন ও বিধিবহির্ভূতভাবে দোকানের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ ঘোষিত এলাকায় কোনো স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে পরিবেশের ক্ষতিকর স্থাপনা নির্মাণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মন্ত্রণালয় বলছে, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়া ভবিষ্যতে যেন আর কোনো দোকান বা স্থাপনা গড়ে না ওঠে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করা হয়েছে।

সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্রসৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। এরপর বিভিন্ন সময়ে হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টও এ এলাকায় যেকোনো ধরনের স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। তবু স্থানীয়ভাবে প্রভাব খাটিয়ে বা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় বালিয়াড়িতে দোকানপাট ও স্থাপনা গড়ে ওঠে।

পরিবেশবিদেরা বলছেন, সৈকতের প্রাকৃতিক বালিয়াড়ি শুধু পর্যটন নয়, সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এগুলো ধ্বংস হলে কক্সবাজারের পরিবেশ বিপর্যস্ত হবে। তাই সরকারের এ উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি

সূত্র: সমকাল