ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা! ‌আপা-ভাইয়া বনাম “স্যার-ম্যডাম”: আমলাতন্ত্রের ভাষায় ঔপনিবেশিকতার দীর্ঘ ছায়া নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল গলায় চানাচুর আঁটকে শিশু আবিদের মৃত্যু উখিয়া ও টেকনাফ সীমান্তে পৃথক অভিযান: ৫ লাখ ৭২ হাজার ইয়াবাসহ আটক ১ ফুটবল বিশ্বকাপ: হিসাব–নিকাশে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে কারা বিশ্ব পরিবেশ দিবসেই মহেশখালীতে পুড়ছে প্যারাবন: নির্বিকার বনবিভাগ ও প্রশাসন প্রায় সাত বছর পর রূপালী পর্দায় সিনেমা দেখার সুযোগ পেল কক্সবাজারের মানুষ, আধুনিক সিনেমা হলের দাবি রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে তুরস্ক, উখিয়া ক্যাম্প পরিদর্শনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান আর্জেন্টিনার নীল-সাদা রঙে রাঙল টেকনাফ যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষায় কক্সবাজারের সন্তান শামীমুর রহমান ২০২৬ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত সময়সূচি ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে মা ও ছেলের মৃত্যু: এলাকায় শোকের ছায়া কক্সবাজারে মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬.৩ ডিগ্রি, দাবদাহে বিপর্যস্ত জনজীবন

উখিয়ার চাঞ্চল্যকর রহিমা হ’ত্যা’কাণ্ড, র‍্যাবের জালে স্বামী

কক্সবাজারের উখিয়ায় তচ্ছাখালী খালে বস্তাবন্দী অবস্থায় অজ্ঞাত এক নারীর লাশ ভেসে ওঠার পর পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক ও শঙ্কা।

গেল ১৩ নভেম্বর উদ্ধারকৃত সেই লাশটি শনাক্ত হওয়ার পর জানা যায়-তিনি রহিমা আক্তার (৩০), যিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন এক সপ্তাহ আগে। আর এই ঘটনার সঙ্গে তার স্বামী জসিম উদ্দিনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠে আসে পরিবারের পক্ষ থেকে।

রহিমা আক্তার ছিলেন জালিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। দীর্ঘ ১০ বছর আগে তার বিয়ে হয়েছিল পাশের ইউনিয়নের জসিম উদ্দিনের সঙ্গে। বিয়ের পর থেকেই জসিম শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন। পারিবারিক জীবনে নানা বিষয় নিয়ে দাম্পত্য কলহ চললেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উত্তেজনা বেড়ে যায়-পরিবারের দাবি, জসিম প্রায়ই তালাক দেয়ার হুমকি দিতেন।

০৬ নভেম্বর রাতে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার কথা বলে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। কিন্তু সেই রাতের পর থেকে আর তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। নিখোঁজের পর পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয়দের খোঁজাখুঁজির মধ্যেই লাশ পাওয়ার ঘটনায় এলাকায় সৃষ্টি হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

লাশ উদ্ধারের পর কক্সবাজারের র‌্যাব-১৫ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছায়া তদন্ত শুরু করে। ৬ নভেম্বর থেকে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আজ সোমবার ( ১ ডিসেম্বর ২৫) চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থেকে জসিম উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া অফিসার) আ. ম. ফারুক। এসময় তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে দীর্ঘদিনের দাম্পত্য কলহ এবং পরিকল্পিত হত্যার তথ্য।

তবে তদন্ত এখনো চলমান, এবং মামলার অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারের কাজও চলছে বলে জানান তিনি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা!

উখিয়ার চাঞ্চল্যকর রহিমা হ’ত্যা’কাণ্ড, র‍্যাবের জালে স্বামী

আপডেট সময় : ০৪:৩৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

কক্সবাজারের উখিয়ায় তচ্ছাখালী খালে বস্তাবন্দী অবস্থায় অজ্ঞাত এক নারীর লাশ ভেসে ওঠার পর পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক ও শঙ্কা।

গেল ১৩ নভেম্বর উদ্ধারকৃত সেই লাশটি শনাক্ত হওয়ার পর জানা যায়-তিনি রহিমা আক্তার (৩০), যিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন এক সপ্তাহ আগে। আর এই ঘটনার সঙ্গে তার স্বামী জসিম উদ্দিনের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠে আসে পরিবারের পক্ষ থেকে।

রহিমা আক্তার ছিলেন জালিয়াপালং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। দীর্ঘ ১০ বছর আগে তার বিয়ে হয়েছিল পাশের ইউনিয়নের জসিম উদ্দিনের সঙ্গে। বিয়ের পর থেকেই জসিম শ্বশুরবাড়িতেই থাকতেন। পারিবারিক জীবনে নানা বিষয় নিয়ে দাম্পত্য কলহ চললেও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উত্তেজনা বেড়ে যায়-পরিবারের দাবি, জসিম প্রায়ই তালাক দেয়ার হুমকি দিতেন।

০৬ নভেম্বর রাতে স্ত্রীকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার কথা বলে তিনি বাড়ি থেকে বের হন। কিন্তু সেই রাতের পর থেকে আর তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। নিখোঁজের পর পুলিশ, পরিবার ও স্থানীয়দের খোঁজাখুঁজির মধ্যেই লাশ পাওয়ার ঘটনায় এলাকায় সৃষ্টি হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য।

লাশ উদ্ধারের পর কক্সবাজারের র‌্যাব-১৫ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ছায়া তদন্ত শুরু করে। ৬ নভেম্বর থেকে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আজ সোমবার ( ১ ডিসেম্বর ২৫) চট্টগ্রামের বোয়ালখালী থেকে জসিম উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (ল’ এন্ড মিডিয়া অফিসার) আ. ম. ফারুক। এসময় তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে দীর্ঘদিনের দাম্পত্য কলহ এবং পরিকল্পিত হত্যার তথ্য।

তবে তদন্ত এখনো চলমান, এবং মামলার অন্যান্য অভিযুক্তদের গ্রেফতারের কাজও চলছে বলে জানান তিনি।