ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কেমন ছিল বিশ্বকাপের প্রথম কিস্তি? মাতামুহুরীতে জামায়াতের জেলা আমীর নুর আহমদ আনোয়ারী- জননিরাপত্তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও ব্যাখ্যা শিক্ষক রেজাউল করিমের মায়ের অনুপস্থিতিতে ১২ বছর বয়সী নিজের মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ বাবার বিরুদ্ধে রাস্তা পার হওয়ার সময় আইওএমের গাড়ির ধাক্কা, শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু কুতুবদিয়ায় গ্রাম আদালতের সচেতনতা বৃদ্ধিতে কর্মশালা টেকনাফে স্বামীর নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু, বিচার দাবিতে পরিবারের আহাজারি যুদ্ধ থেমেছে, ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে? বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দুর্নীতিকে উৎসাহিত করে: ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ কক্সবাজারে শুরু হলো তিনদিনের জাতীয় ফল মেলা কুতুবদিয়া পাড়া বিদ্যালয়ের অ্যাডহক কমিটিতে অভিভাবক প্রতিনিধি মনোনীত মনির উল্লাহ (আবির) ইয়াবা সেবনের আসরে অভিযান, অস্ত্র-ইয়াবা,নগদ টাকা সহ আটক:২ এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা সারাদেশে এবার অভিন্ন প্রশ্নে বোর্ড পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে: শিক্ষামন্ত্রী যেখানে অ্যাম্বুলেন্স নয়, রোগী চলে মানুষের কাঁধে
বস্তা ভর্তি ট্রাক গেলো কোথায়

উখিয়ার ওসি জানেন না অভিযানের খবর!

কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক, উখিয়া হাসপাতাল ফটক থেকে ১০০ গজ দূরে চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তল্লাশি।

হঠাৎ কক্সবাজারমুখী একটি ট্রাক থামান সিএনজি যোগে ঘটনাস্থলে আসা দুই পুলিশ সদস্য। বস্তাভর্তি ট্রাকটির উপরে উঠে পোশাকবিহীন অপর এক পুলিশ সদস্য কিছু একটা খুঁজছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী এক পথচারীর (রেকর্ড সংরক্ষিত) ভাষ্য বলছে, সেই ট্রাকে একাধিক ব্যক্তি ছিলেন।

তার মতে, তল্লাশির পর ইয়াবার প্যাকেট সাদৃশ্য বস্তু মিললে ট্রাকটি সহ উখিয়ার দিকে চলে যান অভিযানে থাকা পুলিশ সদস্যরা।

পথচারী দাবী করেন অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া পুলিশ সদস্য স্বাস্থ্যবান ছিলেন, পরে তাকে ছবি দেখানো হলে সেই ব্যক্তি ‘এস আই সাইফুদ্দিন’ বলে জানান তিনি।

প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে পথচারী বর্ণিত সময় ও বিবরণের মিলে এমন একটি বস্তা ভর্তি ট্রাকের সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া গেছে।

তবে থানায় এমন কোন জব্দ ট্রাকের অস্তিত্ব মিলেনি এবং ওসি অভিযান প্রসঙ্গে কিছু জানেন না বলে দাবী করেন।

ওসি জিয়াউল হক মুঠোফোনে বলেন,’ এরকম কোন অভিযান ঘটেনি, আপনার কাছে তথ্য থাকলে প্রতিবেদন করেন সমস্যা নেই। সাইফুদ্দিনের কাছে আমি জিজ্ঞেস করেছি সে জানিয়েছে এমন কিছু হয়নি।’

এস আই সাইফুদ্দিনও অভিযানের বিষয় অস্বীকার করে বলেন, ‘ আমি সেখানে কোন অভিযান পরিচালনা করিনি। ‘

এদিকে বিষয়টি আলোচনায় আসার পর নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, ওসির বডিগার্ড হিসেবে দায়িত্বরত এক কনস্টেবল অভিযানটির নেপথ্যে ছিলেন এবং তার মধ্যস্থতায় থানায় নিয়ে যাওয়া ট্রাকটি টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে সেখানে ইয়াবা বা অন্যকিছু ছিল কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এবিষয়ে জানতে চাইলে জেলা পুলিশের মুখপাত্র (মিডিয়া) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অলক বিশ্বাস বলেন, ‘ নিয়ম বহির্ভূত কোন কাজে জড়িত যেই হোক বিধি অনুযায়ী তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সংশোধনী – প্রত্যক্ষদর্শীকে দেখানো ছবিটি প্রকাশ করা হয়েছিলো পরে নতুন তথ্য পাওয়ায় প্রতিবেদনটি সাংবাদিকতার নীতি অনুসরণ করে সংশোধন করা হলো।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কেমন ছিল বিশ্বকাপের প্রথম কিস্তি?

বস্তা ভর্তি ট্রাক গেলো কোথায়

উখিয়ার ওসি জানেন না অভিযানের খবর!

আপডেট সময় : ১১:৪০:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক, উখিয়া হাসপাতাল ফটক থেকে ১০০ গজ দূরে চলছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তল্লাশি।

হঠাৎ কক্সবাজারমুখী একটি ট্রাক থামান সিএনজি যোগে ঘটনাস্থলে আসা দুই পুলিশ সদস্য। বস্তাভর্তি ট্রাকটির উপরে উঠে পোশাকবিহীন অপর এক পুলিশ সদস্য কিছু একটা খুঁজছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী এক পথচারীর (রেকর্ড সংরক্ষিত) ভাষ্য বলছে, সেই ট্রাকে একাধিক ব্যক্তি ছিলেন।

তার মতে, তল্লাশির পর ইয়াবার প্যাকেট সাদৃশ্য বস্তু মিললে ট্রাকটি সহ উখিয়ার দিকে চলে যান অভিযানে থাকা পুলিশ সদস্যরা।

পথচারী দাবী করেন অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া পুলিশ সদস্য স্বাস্থ্যবান ছিলেন, পরে তাকে ছবি দেখানো হলে সেই ব্যক্তি ‘এস আই সাইফুদ্দিন’ বলে জানান তিনি।

প্রতিবেদকের অনুসন্ধানে পথচারী বর্ণিত সময় ও বিবরণের মিলে এমন একটি বস্তা ভর্তি ট্রাকের সিসিটিভি ফুটেজ পাওয়া গেছে।

তবে থানায় এমন কোন জব্দ ট্রাকের অস্তিত্ব মিলেনি এবং ওসি অভিযান প্রসঙ্গে কিছু জানেন না বলে দাবী করেন।

ওসি জিয়াউল হক মুঠোফোনে বলেন,’ এরকম কোন অভিযান ঘটেনি, আপনার কাছে তথ্য থাকলে প্রতিবেদন করেন সমস্যা নেই। সাইফুদ্দিনের কাছে আমি জিজ্ঞেস করেছি সে জানিয়েছে এমন কিছু হয়নি।’

এস আই সাইফুদ্দিনও অভিযানের বিষয় অস্বীকার করে বলেন, ‘ আমি সেখানে কোন অভিযান পরিচালনা করিনি। ‘

এদিকে বিষয়টি আলোচনায় আসার পর নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, ওসির বডিগার্ড হিসেবে দায়িত্বরত এক কনস্টেবল অভিযানটির নেপথ্যে ছিলেন এবং তার মধ্যস্থতায় থানায় নিয়ে যাওয়া ট্রাকটি টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

তবে সেখানে ইয়াবা বা অন্যকিছু ছিল কিনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এবিষয়ে জানতে চাইলে জেলা পুলিশের মুখপাত্র (মিডিয়া) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অলক বিশ্বাস বলেন, ‘ নিয়ম বহির্ভূত কোন কাজে জড়িত যেই হোক বিধি অনুযায়ী তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সংশোধনী – প্রত্যক্ষদর্শীকে দেখানো ছবিটি প্রকাশ করা হয়েছিলো পরে নতুন তথ্য পাওয়ায় প্রতিবেদনটি সাংবাদিকতার নীতি অনুসরণ করে সংশোধন করা হলো।