ঢাকা ০১:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আসছেন কক্সবাজার : যাবেন টেকনাফ,কুতুবদিয়া ও পেকুয়ায় ৩ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী ১ দিনের সফরে কক্সবাজার আসছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ঈদগড় ইউপি নির্বাচনে সৌদি প্রবাসী মঈন উদ্দিনের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতা ঘোষণা কক্সবাজারে পুলিশের বিশেষ অভিযান : গ্রেপ্তার ১০ মহেশখালীতে স্কুলছাত্রকে ডিশের ক্যাবল দিয়ে পিটিয়ে জখম করলো শিক্ষক, থানায় অভিযোগ হঠাৎ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পরিস্থিতি দেখতে ৮ এপিবিএনের অধিনায়ক, যা বললেন রাস্তা পার হতে গিয়ে গাড়ির ধাক্কা, ঘটনাস্থলেই শিশুর মৃত্যু ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে মানসিক চাপ, সৌদি আরবে লোহাগাড়ার যুবকের মরদেহ উদ্ধার লোহাগাড়ায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় চার যুবক গ্রেপ্তার, আদালতে সোপর্দ চাকরি দেয়ার নামে কিশোর অপহরণ : উখিয়ায় মানবপাচার চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার পুলিশ সুপারের বক্তব্যের নিন্দা কক্সবাজার আইনজীবী সমিতির : জেলা জজকে অবহিত করার সিদ্ধান্ত বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, কক্সবাজারে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত হত্যা মামলার আসামি মুহুরি পাড়ার ছৈয়দ আলম গ্রেপ্তার কক্সবাজারে সাইবার মামলায় ৬ বিদেশির ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

ঈদগাঁও খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ, নিশ্চুপ প্রশাসন

ঈদগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী ফুলেশ্বরী নদী দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে ছাগলবাজার এলাকার নজরুল মার্কেটের মালিক নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদগাঁও বাজারের ডিসি রোড সংলগ্ন ছাগলবাজার এলাকায় নজরুল মার্কেটের পেছনে নদীর পাড় ঘেঁষে গাইডওয়াল নির্মাণ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর জায়গা দখল করে এ নির্মাণকাজ চলায় প্রাকৃতিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বর্ষায় পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দিলে বাজারের দোকানপাট ও আশপাশের বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, “বর্ষার ঢলের পানি থেকে মার্কেট রক্ষায় রেজিস্ট্রারকৃত জায়গার ভেতরেই গাইডওয়াল নির্মাণ করছি। এটি কোনো অবৈধ দখল নয়।”

তবে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা দাবি করেন, গত কয়েক বছর ধরে প্রভাবশালীরা ফুলেশ্বরী নদীর দুই পাড়ে দখল করে একের পর এক স্থাপনা তুলছে। এতে নদীর প্রস্থ কমে গেছে, পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, আর ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে নদীর প্রাণ ও সৌন্দর্য।

পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোও উদ্বেগ জানিয়ে বলেছে, “ফুলেশ্বরী নদীকে বাঁচাতে এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে এটি পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাবে।” তারা দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান ও নিয়মিত মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিমল চাকমাকে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান বলেন, “নদী দখলের বিষয়ে তথ্য পেয়েছি। দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসনের নীরবতা দখলকারীদের আরও উৎসাহিত করছে। তাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযান চালিয়ে ফুলেশ্বরীকে দখল ও দূষণমুক্ত করে ফিরিয়ে আনতে হবে তার আগের রূপ ও প্রবাহ।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ আসছেন কক্সবাজার : যাবেন টেকনাফ,কুতুবদিয়া ও পেকুয়ায়

ঈদগাঁও খাল দখল করে স্থাপনা নির্মাণ, নিশ্চুপ প্রশাসন

আপডেট সময় : ০৬:৪৭:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

ঈদগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী ফুলেশ্বরী নদী দখল করে পাকা স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে ছাগলবাজার এলাকার নজরুল মার্কেটের মালিক নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

সোমবার (৬ অক্টোবর) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদগাঁও বাজারের ডিসি রোড সংলগ্ন ছাগলবাজার এলাকায় নজরুল মার্কেটের পেছনে নদীর পাড় ঘেঁষে গাইডওয়াল নির্মাণ চলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, নদীর জায়গা দখল করে এ নির্মাণকাজ চলায় প্রাকৃতিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বর্ষায় পানি নিষ্কাশনে সমস্যা দেখা দিলে বাজারের দোকানপাট ও আশপাশের বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে নজরুল ইসলাম বলেন, “বর্ষার ঢলের পানি থেকে মার্কেট রক্ষায় রেজিস্ট্রারকৃত জায়গার ভেতরেই গাইডওয়াল নির্মাণ করছি। এটি কোনো অবৈধ দখল নয়।”

তবে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দারা দাবি করেন, গত কয়েক বছর ধরে প্রভাবশালীরা ফুলেশ্বরী নদীর দুই পাড়ে দখল করে একের পর এক স্থাপনা তুলছে। এতে নদীর প্রস্থ কমে গেছে, পানি প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে, আর ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে নদীর প্রাণ ও সৌন্দর্য।

পরিবেশবাদী সংগঠনগুলোও উদ্বেগ জানিয়ে বলেছে, “ফুলেশ্বরী নদীকে বাঁচাতে এখনই কঠোর পদক্ষেপ না নিলে এটি পুরোপুরি বিলীন হয়ে যাবে।” তারা দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান ও নিয়মিত মনিটরিংয়ের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে ঈদগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিমল চাকমাকে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক আব্দুল মান্নান বলেন, “নদী দখলের বিষয়ে তথ্য পেয়েছি। দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”

স্থানীয়রা বলছেন, প্রশাসনের নীরবতা দখলকারীদের আরও উৎসাহিত করছে। তাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযান চালিয়ে ফুলেশ্বরীকে দখল ও দূষণমুক্ত করে ফিরিয়ে আনতে হবে তার আগের রূপ ও প্রবাহ।