ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশে ফিরলে শেখ হাসিনার কী হতে পারে? আইন, বিচার ও রাজনৈতিক বাস্তবতা মুক্তিযোদ্ধাদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো প্রাইভেটকারে ৬ হাজার ইয়াবা, আটক ৩ কেন আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে চান স্পেন কোচ ভারতের চেয়ে বাংলাদেশের পাটের মান বেশি উন্নত: ভারতীয় কৃষিমন্ত্রী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নীল জার্সিতে নামবে আর্জেন্টিনা, কেন এই জার্সি নিয়ে এত আলোচনা? দায়িত্ববোধ-সচেতনতা তৈরি করা গেলে পরিচ্ছন্ন শহর গড়ে তোলা যাবে  দেশটাকে আরও সবুজ করে গড়ে তুলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল রথযাত্রা উৎসব- থাকছে নানা আয়োজন তিন মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়া চাচি পলাতক, আটক ৩ সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত আজ ‘প্রাথমিক শিক্ষা পদক’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী তিন বিষয়ের পরীক্ষা আবার নেওয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী পেকুয়ায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু রাজাপালংয়ের চেয়ারম্যান দুর্নীতিগ্রস্ত : জেলা প্রশাসকের কাছে দেয়া এমপির চিঠি ভাইরাল!

ঈদগাঁওতে মাদক বিরোধী প্রচারণা এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ

ঈদগাঁওতে অনুষ্ঠিত হলো বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ কার্যক্রম।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ কক্সবাজারের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণের জন্য গঠিত টাস্কফোর্স’ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ঈদগাঁও পাবলিক লাইব্রেরীতে মাদক বিরোধী প্রচারণা এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, স্থানীয় শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং চিকিৎসাপ্রাপ্ত গরীব ও দুস্থ রোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে বলা হয়, মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামাজিক সচেতনতার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে মানুষ নিজেরা মাদক গ্রহণ থেকে বিরত থাকবে, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করবে। দীর্ঘমেয়াদে এই সচেতনতা একটি স্থায়ী সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা পাবে। শিক্ষক, স্থানীয় এবং ধর্মীয় নেতাদের সমাজের প্রতিটি স্তরে, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় কার্যকর সম্পৃক্ততার মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। এই বিষয়ে মাদক বিরোধী টাস্কফোর্স গণমাধ্যমের সর্বাত্মক সহায়তা কামনা করে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের আলোকে গত ২০ জুলাই জিওসি ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং স্থানীয় জনপ্রশাসনের সমন্বয়ে ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ কক্সবাজার এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের জন্য এই টাস্কফোর্স’ গঠন করা হয়।

কক্সবাজার ও পারিপার্শ্বিক এলাকা দিয়ে মাদক পাচারের যে নেটওয়ার্ক তৈরী হয়েছে তা সমূলে ধ্বংস করার লক্ষ্যে টাস্কফোর্স ইতোমধ্যে এক যোগে কাজ শুরু করেছে। যার ফলশ্রুতিতে, গত ২০ জুলাই ২০২৫ তারিখ থেকে অদ্যাবধি, এই স্বল্প সময়ের মধ্যে, মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে ১,১৪,৯৯,০৬০ পিস ইয়াবা, ২৪,০২৬ লিটার বাংলা মদ, ১৭৫ কেজি গাঁজা, ১৩৬৫ ক্যান বিয়ার, ২ কেজি ৬২১ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ, ১ লিটার বিদেশি মদ, ১০, ০০০ লিটার মদের উপকরণ, ২৫,০০০ জাওয়া/ ওয়াশ, ২০ লিটার রেকটিফাইড স্প্রিড, ৩x মাইক্রোবাস, ১৩টি শুটার গান, ৫টি এলজি এবং ৫২ রাউন্ড বুলেট জব্দ করা হয়েছে। এই সময়ে ১১৭২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে মামলা প্রদান করা হয়েছে।

সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কক্সবাজার দিয়ে মাদকের চোরাচালানের যে নেটওয়ার্ক তৈরী হয়েছে তা বন্ধ করা এবং ভবিষ্যতে একটি মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠন সম্ভব হবে বলে টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে ফিরলে শেখ হাসিনার কী হতে পারে? আইন, বিচার ও রাজনৈতিক বাস্তবতা

ঈদগাঁওতে মাদক বিরোধী প্রচারণা এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ

আপডেট সময় : ০৯:৩০:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

ঈদগাঁওতে অনুষ্ঠিত হলো বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ কার্যক্রম।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ কক্সবাজারের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণের জন্য গঠিত টাস্কফোর্স’ এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে বুধবার (৩ ডিসেম্বর) ঈদগাঁও পাবলিক লাইব্রেরীতে মাদক বিরোধী প্রচারণা এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ঔষধ বিতরণ এই ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। এতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, স্থানীয় শিক্ষক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং চিকিৎসাপ্রাপ্ত গরীব ও দুস্থ রোগীরা উপস্থিত ছিলেন।

টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে বলা হয়, মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সামাজিক সচেতনতার উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে। সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে মানুষ নিজেরা মাদক গ্রহণ থেকে বিরত থাকবে, মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলবে এবং প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করবে। দীর্ঘমেয়াদে এই সচেতনতা একটি স্থায়ী সামাজিক আন্দোলনে রূপ নিলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা পাবে। শিক্ষক, স্থানীয় এবং ধর্মীয় নেতাদের সমাজের প্রতিটি স্তরে, স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় কার্যকর সম্পৃক্ততার মাধ্যমে সামাজিক সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে। এই বিষয়ে মাদক বিরোধী টাস্কফোর্স গণমাধ্যমের সর্বাত্মক সহায়তা কামনা করে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের আলোকে গত ২০ জুলাই জিওসি ১০ পদাতিক ডিভিশনের নেতৃত্বে বিভিন্ন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং স্থানীয় জনপ্রশাসনের সমন্বয়ে ‘রোহিঙ্গা ক্যাম্পসহ কক্সবাজার এলাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণের জন্য এই টাস্কফোর্স’ গঠন করা হয়।

কক্সবাজার ও পারিপার্শ্বিক এলাকা দিয়ে মাদক পাচারের যে নেটওয়ার্ক তৈরী হয়েছে তা সমূলে ধ্বংস করার লক্ষ্যে টাস্কফোর্স ইতোমধ্যে এক যোগে কাজ শুরু করেছে। যার ফলশ্রুতিতে, গত ২০ জুলাই ২০২৫ তারিখ থেকে অদ্যাবধি, এই স্বল্প সময়ের মধ্যে, মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে ১,১৪,৯৯,০৬০ পিস ইয়াবা, ২৪,০২৬ লিটার বাংলা মদ, ১৭৫ কেজি গাঁজা, ১৩৬৫ ক্যান বিয়ার, ২ কেজি ৬২১ গ্রাম ক্রিস্টাল মেথ, ১ লিটার বিদেশি মদ, ১০, ০০০ লিটার মদের উপকরণ, ২৫,০০০ জাওয়া/ ওয়াশ, ২০ লিটার রেকটিফাইড স্প্রিড, ৩x মাইক্রোবাস, ১৩টি শুটার গান, ৫টি এলজি এবং ৫২ রাউন্ড বুলেট জব্দ করা হয়েছে। এই সময়ে ১১৭২ জন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে মামলা প্রদান করা হয়েছে।

সকলের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে কক্সবাজার দিয়ে মাদকের চোরাচালানের যে নেটওয়ার্ক তৈরী হয়েছে তা বন্ধ করা এবং ভবিষ্যতে একটি মাদকমুক্ত বাংলাদেশ গঠন সম্ভব হবে বলে টাস্কফোর্সের পক্ষ থেকে জানানো হয়।