ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে আড়ং ও স্বপ্ন সুপার শপে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১০ হাজার টাকা জরিমানা ‎৩ দিন ধরে নির্যাতনের পর পাহাড়তলী টমটম গ্যারেজ থেকে আব্দুল হাকিমের লাশ উদ্ধার উখিয়া ভূমি অফিসে সেবাপ্রার্থীদের হয়রানির অভিযোগ প্রদীপের বিরুদ্ধে সৈকতে ৫০ ফুট উচ্চতার ৫ টনের প্লাস্টিক দানব! শান্তিপূর্ণ দুর্গোৎসব উদযাপনে সহযোগীতা করুন- লোহাগাড়ায় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার রাজুকে ফেরত দিলো কুমিল্লা পুলিশ, ৫৪ ধারায় কক্সবাজার আদালতে প্রেরণ সেন্টমার্টিনে পর্যটক গমন,জাহাজ ছাড়ার স্থান ও সংখ্যা নিয়ে পরিবর্তন আসছে সারা দেশে দুইদিন এলপিজি বিক্রি বন্ধ ঘোষণা কক্সবাজারে সিএনজি থেকে ৩ লাখ ইয়াবা উদ্ধার চট্টগ্রামে ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের দাফন সম্পন্ন নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন ইউপি নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা, পাঁচ ধাপে হবে ভোটগ্রহণ প্রমাণ ছাড়া কেবল পলাতক থাকলেই কাউকে সাজা দেওয়া যায়না : হাইকোর্ট রিয়াদে বিমানবন্দরে হামলায় ২৪ বাংলা‌দে‌শি আহত বাড়িতে স্ত্রীর লাশ রেখে মসজিদে গিয়ে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু

আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে মানব ও মাদক পাচারের অভিযোগ

​কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারের রহস্য পাহাড় খ্যাত কচ্ছপিয়া পাহাড়। যেখানে পাচারের জন্য বন্দী রাখা হয় শত-শত নারীশিশু-পুরুষ। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নিয়মিত অভিযানে প্রতিনিয়ত অপহৃত ও বন্দিদের উদ্ধারের ঘটনা ঘটছে এ পাহাড়ে। তবে মূল হোতারা রয়ে গেছে আড়ালে।

কচ্ছপিয়া এলাকার মৃত ছৈয়দ আলীর ছেলে আব্দুর রহিম, টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ৮ ওয়ার্ডের সহসভাপতি। প্রভাব খাটিয়ে মানবপাচারের রুট স্থানীয় ভাষায় বলে “এয়ারপোর্ট” গড়ে তুলেন উল্লেখিত এলাকায়।

​স্থানীয় একাধিক সূত্র বলছে, শীলখালী এলাকায় চারটি নৌকার মালিক তিনি। এসব নৌকাকে ব্যবহার করেই তিনি দীর্ঘ দিন ধরে মানব-মাদক ও মিয়ানমারে অবৈধ পন্য পাচারের সাথে জড়িত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাহারছড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড কচ্ছপিয়াতে অবস্থিত আব্দুর রহিমের বাড়ির পেছনের অংশে মানবপাচারের উদ্দেশ্যে মানুষজনকে বন্দী রাখেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বহু পাচারকারীকে আটক ও জিম্মিদের উদ্ধার করলেও এই আওয়ামী লীগ নেতা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ​”একজনের এত সম্পত্তি কীভাবে হয়! গাড়ি-বাড়ি, জমি-জমা, ব্যাংকে টাকা—সবই তো অবৈধ পথে।

এ বিষয়ে স্থানীয় আবদুর রহিমের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল দেয়া হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, ‘এই নামের অনেকে আছে আওয়ামী লীগ করে। চিনতে পারছি না এখন। তবে মানবপাচারের বিষয়ে কথা বলতে নারাজ এই ইউপি সদস্য।

বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দুর্জয় বিশ্বাস জানান, এ ধরনের অভিযোগের সংশ্লিষ্টতা পেলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে আড়ং ও স্বপ্ন সুপার শপে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, ১০ হাজার টাকা জরিমানা

আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে মানব ও মাদক পাচারের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:৫০:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৫

​কক্সবাজারের টেকনাফে মানবপাচারের রহস্য পাহাড় খ্যাত কচ্ছপিয়া পাহাড়। যেখানে পাচারের জন্য বন্দী রাখা হয় শত-শত নারীশিশু-পুরুষ। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর নিয়মিত অভিযানে প্রতিনিয়ত অপহৃত ও বন্দিদের উদ্ধারের ঘটনা ঘটছে এ পাহাড়ে। তবে মূল হোতারা রয়ে গেছে আড়ালে।

কচ্ছপিয়া এলাকার মৃত ছৈয়দ আলীর ছেলে আব্দুর রহিম, টেকনাফ উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ৮ ওয়ার্ডের সহসভাপতি। প্রভাব খাটিয়ে মানবপাচারের রুট স্থানীয় ভাষায় বলে “এয়ারপোর্ট” গড়ে তুলেন উল্লেখিত এলাকায়।

​স্থানীয় একাধিক সূত্র বলছে, শীলখালী এলাকায় চারটি নৌকার মালিক তিনি। এসব নৌকাকে ব্যবহার করেই তিনি দীর্ঘ দিন ধরে মানব-মাদক ও মিয়ানমারে অবৈধ পন্য পাচারের সাথে জড়িত।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বাহারছড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড কচ্ছপিয়াতে অবস্থিত আব্দুর রহিমের বাড়ির পেছনের অংশে মানবপাচারের উদ্দেশ্যে মানুষজনকে বন্দী রাখেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বহু পাচারকারীকে আটক ও জিম্মিদের উদ্ধার করলেও এই আওয়ামী লীগ নেতা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন স্থানীয় প্রবীণ ব্যক্তি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ​”একজনের এত সম্পত্তি কীভাবে হয়! গাড়ি-বাড়ি, জমি-জমা, ব্যাংকে টাকা—সবই তো অবৈধ পথে।

এ বিষয়ে স্থানীয় আবদুর রহিমের মোবাইল নাম্বারে একাধিকবার কল দেয়া হলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

৮ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম বলেন, ‘এই নামের অনেকে আছে আওয়ামী লীগ করে। চিনতে পারছি না এখন। তবে মানবপাচারের বিষয়ে কথা বলতে নারাজ এই ইউপি সদস্য।

বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ দুর্জয় বিশ্বাস জানান, এ ধরনের অভিযোগের সংশ্লিষ্টতা পেলে অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।