ঢাকা ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পেকুয়ায় দফায় দফায় সংঘর্ষ ও বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ: আহত একাধিক পেশকারপাড়ায় ফারুক হত্যার ঘটনায় মামলা, আসামী হলেন যারা…  সীমান্তের ৫শ হতদরিদ্রকে ফ্রীতে ৪ ধরণের সেবা দিলো ১১ বিজিবির রামুতে কোমলমতি খেলাঘর আসরের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন হামে মৃত্যু, সামনে ডেঙ্গু, এ কেমন জীবন? নারায়ণগঞ্জে পুলিশ পিটিয়ে আসামি ছিনতাইয়ের দুই হোতাসহ ৭ জন কক্সবাজারে গ্রেফতার ঈদগাঁওর আলোচিত সেলিম হত্যা মামলার প্রধান আসামি আতাউল্লাহ গ্রেফতার আরাকান আর্মির হাতে আটক ১৪ জেলেকে দেশে ফিরিয়ে আনলো বিজিবি কক্সবাজারে এ মৌসুমের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড, জনজীবনে অস্বস্তি সোনাদিয়ায় প্রশাসনের অভিযান: অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কালিরছড়ায় সাহেদের ই’য়াবা নাকি টাকার ব্যাগ ছি’নতাই? শিক্ষক সংকটসহ শিক্ষা খাতের সমস্যা সমাধানে নীতিমালায় পরিবর্তন আনছে সরকার: প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ লোহাগাড়ায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ৪ হোটেল সী-হার্টের মালিক জাহাঙ্গীর আলম মারা গেছেন পেকুয়ায় পুকুরে গোসলে নেমে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সমুদ্র সৈকতে শৃঙ্খলা প্রাধান্য

কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকতে উচ্ছেদ হওয়া এলাকা পরিদর্শন করে পর্যটন এলাকার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহামদ। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সরকারকে সহযোগিতা এবং দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রবিবার (২২ মার্চ) দুপুরে সুগন্ধা পয়েন্টে গিয়ে পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, “আগে সরকারকে সহযোগিতা করুন, দেশের প্রতি সু-দৃষ্টি রাখুন।” মন্ত্রী আরও বলেন, পর্যটন খাত দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত। এ খাতকে সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর যাতে পুনরায় দখল বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সরকারি জমি ছাড়া অন্য কোথাও জেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করতে পারে না। তাই আইনানুগ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই সব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত সমুদ্র সৈকতের শৃঙ্খলা ও পরিবেশ ঠিক রাখাই অগ্রাধিকার পাচ্ছে। পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলা সভায় যোগ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈকতের অবৈধ স্থাপনা ৭ দিনের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দ্রুত এসব দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এতে সৈকতের সৌন্দর্য ও পর্যটকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কলাতলী ও সুগন্ধা পয়েন্ট ঘুরে দেখেন। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক আ. মান্নান, পুলিশ সুপার সাজিদুর রহমান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা স্বপ্নাসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নিজ এলাকায় ঈদ উদযাপন উপলক্ষে তিন দিনের সফরে কক্সবাজারে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

পেকুয়ায় দফায় দফায় সংঘর্ষ ও বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ: আহত একাধিক

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সমুদ্র সৈকতে শৃঙ্খলা প্রাধান্য

আপডেট সময় : ০৯:১০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকতে উচ্ছেদ হওয়া এলাকা পরিদর্শন করে পর্যটন এলাকার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহামদ। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সরকারকে সহযোগিতা এবং দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রবিবার (২২ মার্চ) দুপুরে সুগন্ধা পয়েন্টে গিয়ে পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, “আগে সরকারকে সহযোগিতা করুন, দেশের প্রতি সু-দৃষ্টি রাখুন।” মন্ত্রী আরও বলেন, পর্যটন খাত দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত। এ খাতকে সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর যাতে পুনরায় দখল বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সরকারি জমি ছাড়া অন্য কোথাও জেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করতে পারে না। তাই আইনানুগ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই সব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত সমুদ্র সৈকতের শৃঙ্খলা ও পরিবেশ ঠিক রাখাই অগ্রাধিকার পাচ্ছে। পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলা সভায় যোগ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈকতের অবৈধ স্থাপনা ৭ দিনের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দ্রুত এসব দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এতে সৈকতের সৌন্দর্য ও পর্যটকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কলাতলী ও সুগন্ধা পয়েন্ট ঘুরে দেখেন। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক আ. মান্নান, পুলিশ সুপার সাজিদুর রহমান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা স্বপ্নাসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নিজ এলাকায় ঈদ উদযাপন উপলক্ষে তিন দিনের সফরে কক্সবাজারে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।