ঢাকা ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কলাতলীতে অবৈধ স্থাপনা সরাতে ২৪ ঘন্টার সময় বেঁধে দিলো প্রশাসন হাসপাতাল থেকে হাতকড়াসহ পালালো অস্ত্র মামলার আসামী রোহিঙ্গা ইব্রাহিম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকের বিরুদ্ধে অশালীন আচরণের অভিযোগ : তদন্ত প্রতিবেদন জমা কুলসুমার সঙ্গে বাসটার্মিনালের হোটেলে উঠেছিল যুবক, পরে মিললো মরদেহ হাদির নাম মুছে ঢাবির হলের ফটকে ফিরছে বঙ্গবন্ধুর নাম লোহাগাড়ায় ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির যাচাই-বাছাই কমিটি : প্রার্থী বাছাইয়ে তৃণমূলের ‘রায়’ সদর থানার বিশেষ অভিযান : গ্রেফতার ৯ ৩৯ দিন ধরে খোঁজ মিলছে না ব্যবসায়ী জসিমের ​হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলে মিলবে নগদ অর্থ পুরস্কার কক্সবাজারে ১৪ কেজি চোরাই মালামালসহ ভাঙ্গারী দোকানদার গ্রেপ্তার টেকনাফে দুই বিদ্যালয়ের ৮ শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা চাষ করেছেন ৭ কানি, দিনভর লাইনে দাঁড়িয়ে সার পেলেন ৫ কেজি মাঝ আকাশে ইসরায়েলগামী বিমানের পাইলটকে ছুরিকাঘাত, তবুও যেভাবে বেঁচে ফিরল ১৮০ যাত্রী মরিয়মের পরিবারের সঙ্গে আপস: জামিন পেলেন গাজী নজরুলের প্রথম স্ত্রী ঘুষ হিসেবে জমি নিয়ে ফাঁসলেন উপ-সচিবসহ ৫ জন

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সমুদ্র সৈকতে শৃঙ্খলা প্রাধান্য

কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকতে উচ্ছেদ হওয়া এলাকা পরিদর্শন করে পর্যটন এলাকার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহামদ। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সরকারকে সহযোগিতা এবং দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রবিবার (২২ মার্চ) দুপুরে সুগন্ধা পয়েন্টে গিয়ে পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, “আগে সরকারকে সহযোগিতা করুন, দেশের প্রতি সু-দৃষ্টি রাখুন।” মন্ত্রী আরও বলেন, পর্যটন খাত দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত। এ খাতকে সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর যাতে পুনরায় দখল বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সরকারি জমি ছাড়া অন্য কোথাও জেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করতে পারে না। তাই আইনানুগ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই সব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত সমুদ্র সৈকতের শৃঙ্খলা ও পরিবেশ ঠিক রাখাই অগ্রাধিকার পাচ্ছে। পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলা সভায় যোগ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈকতের অবৈধ স্থাপনা ৭ দিনের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দ্রুত এসব দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এতে সৈকতের সৌন্দর্য ও পর্যটকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কলাতলী ও সুগন্ধা পয়েন্ট ঘুরে দেখেন। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক আ. মান্নান, পুলিশ সুপার সাজিদুর রহমান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা স্বপ্নাসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নিজ এলাকায় ঈদ উদযাপন উপলক্ষে তিন দিনের সফরে কক্সবাজারে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

ট্যাগ :

কলাতলীতে অবৈধ স্থাপনা সরাতে ২৪ ঘন্টার সময় বেঁধে দিলো প্রশাসন

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: সমুদ্র সৈকতে শৃঙ্খলা প্রাধান্য

আপডেট সময় : ০৯:১০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজারের সুগন্ধা সৈকতে উচ্ছেদ হওয়া এলাকা পরিদর্শন করে পর্যটন এলাকার শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহামদ। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের সরকারকে সহযোগিতা এবং দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

রবিবার (২২ মার্চ) দুপুরে সুগন্ধা পয়েন্টে গিয়ে পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। এ সময় তিনি বলেন, “আগে সরকারকে সহযোগিতা করুন, দেশের প্রতি সু-দৃষ্টি রাখুন।” মন্ত্রী আরও বলেন, পর্যটন খাত দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত। এ খাতকে সুশৃঙ্খল ও নিরাপদ রাখতে সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের পর যাতে পুনরায় দখল বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনকে সতর্ক থাকতে নির্দেশ দেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, সরকারি জমি ছাড়া অন্য কোথাও জেলা প্রশাসন অভিযান পরিচালনা করতে পারে না। তাই আইনানুগ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই সব কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে এবং হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত সমুদ্র সৈকতের শৃঙ্খলা ও পরিবেশ ঠিক রাখাই অগ্রাধিকার পাচ্ছে। পর্যটকদের জন্য নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এর আগে কক্সবাজারের আইনশৃঙ্খলা সভায় যোগ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সৈকতের অবৈধ স্থাপনা ৭ দিনের মধ্যে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছিলেন। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দ্রুত এসব দোকান ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এতে সৈকতের সৌন্দর্য ও পর্যটকদের নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কলাতলী ও সুগন্ধা পয়েন্ট ঘুরে দেখেন। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক আ. মান্নান, পুলিশ সুপার সাজিদুর রহমান, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামীম আরা স্বপ্নাসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নিজ এলাকায় ঈদ উদযাপন উপলক্ষে তিন দিনের সফরে কক্সবাজারে আসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পরিদর্শন শেষে বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।