ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অসহায় শাহজাহানের আহাজারি: চিকিৎসা বন্ধ,মানবিক সহায়তার আবেদন পেকুয়ার নিজগ্রামে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ঈদ উদযাপন একসঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করলেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করলেন ২০ হাজার মুসল্লি আজ ঈদ, ঘরে ঘরে আনন্দ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে দুটি ঈদ জামাত,শহরের বাকী সব মসজিদে কখন ঈদ জামাত? ঈদের আনন্দে হোক মানবিকতার পুনর্জাগরণ কক্সবাজারে ঈদ উদযাপনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ গর্জনিয়ার চেয়ারম্যান প্রার্থী সাংবাদিক হাফিজের ঈদের শুভেচ্ছা পেকুয়ায় গৃহবধূর লাশ উদ্ধার, স্বামী পলাতক ঈদের দিন কেমন থাকবে কক্সবাজারের আবহাওয়া কলাতলীর তিন পরিবারের নিঃশব্দ ঈদ নিভে যাওয়া আগুনে পুড়ছে জীবন মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে প্রাণ গেছে ৫ বাংলাদেশির : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ঈদের দিন আবহাওয়া কেমন থাকবে, জানাল অধিদপ্তর ঈদের দিন বঙ্গভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি

অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর

  • টিটিএন ডেস্ক:
  • আপডেট সময় : ১১:৫৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 147

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা না দেওয়ার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। এতে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে।

রোববার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে তারা এই কর্মসূচি শুরু করে।

সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দেখা গেছে, বন্দর ভবনের সামনে ৪ নম্বর গেটে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বন্দরের ভেতরে যানবাহন প্রবেশের সংখ্যা নেই বললেই চলে।

সরেজমিনে জানা গেছে, সকাল ৮টা থেকে জেটি, ইয়ার্ড, টার্মিনাল ও প্রশাসনিক ভবনের পাশাপাশি বহির্নোঙরেও (আউটার লাইটারেজ) পণ্য খালাস ও পরিচালনা কাজ বন্ধ রয়েছে। এই কর্মবিরতির কারণে চট্টগ্রাম বন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রায় ২০০ সাধারণ কর্মচারী ও শ্রমিককে রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় বন্দর ভবনের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। তবে আন্দোলনকারীরা এই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন।

গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বন্দর রক্ষা পরিষদের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন। পরিষদের অন্য তিনটি দাবি হলো—চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানকে প্রত্যাহার, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে মামলাসহ সব ধরনের আইনি হয়রানি বন্ধ করা।

বন্দর রক্ষা পরিষদের সমন্বয়ক ও বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খোকন ঢাকা পোস্টকে বলেন, সকাল ৮টা থেকে সব ধরনের কাজ বন্ধ রয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি চলবে।

শ্রমিক নেতাদের হয়রানি করা হচ্ছে অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, গতকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে আমাদের নেতাদের হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমাদের দুই শ্রমিক নেতা শামসু মিয়া টুকু ও আবুল কালাম আজাদকে প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে। এভাবে ভয় দেখিয়ে আন্দোলন দমানো যাবে না।

পরিষদের আরেক সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির জানান, গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দৈনিক আট ঘণ্টা এবং ৩ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা কর্মবিরতি পালন করেছেন তারা। নৌ উপদেষ্টার আশ্বাসে শুক্রবার ও শনিবার কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় এবার আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, বন্দরের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা সবসময় সতর্ক রয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন আছে।

সূত্র:ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :

অসহায় শাহজাহানের আহাজারি: চিকিৎসা বন্ধ,মানবিক সহায়তার আবেদন

অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু, অচল চট্টগ্রাম বন্দর

আপডেট সময় : ১১:৫৫:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) ইজারা না দেওয়ার দাবিতে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট শুরু করেছে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। এতে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়েছে।

রোববার (৮ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে তারা এই কর্মসূচি শুরু করে।

সকাল সাড়ে ৮টার দিকে দেখা গেছে, বন্দর ভবনের সামনে ৪ নম্বর গেটে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বন্দরের ভেতরে যানবাহন প্রবেশের সংখ্যা নেই বললেই চলে।

সরেজমিনে জানা গেছে, সকাল ৮টা থেকে জেটি, ইয়ার্ড, টার্মিনাল ও প্রশাসনিক ভবনের পাশাপাশি বহির্নোঙরেও (আউটার লাইটারেজ) পণ্য খালাস ও পরিচালনা কাজ বন্ধ রয়েছে। এই কর্মবিরতির কারণে চট্টগ্রাম বন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়েছে।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রায় ২০০ সাধারণ কর্মচারী ও শ্রমিককে রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় বন্দর ভবনের সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভায় উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিয়েছে। তবে আন্দোলনকারীরা এই আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন।

গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বন্দর রক্ষা পরিষদের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন। পরিষদের অন্য তিনটি দাবি হলো—চেয়ারম্যান এস এম মনিরুজ্জামানকে প্রত্যাহার, আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বাতিল এবং শ্রমিক নেতাদের বিরুদ্ধে মামলাসহ সব ধরনের আইনি হয়রানি বন্ধ করা।

বন্দর রক্ষা পরিষদের সমন্বয়ক ও বন্দর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খোকন ঢাকা পোস্টকে বলেন, সকাল ৮টা থেকে সব ধরনের কাজ বন্ধ রয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি চলবে।

শ্রমিক নেতাদের হয়রানি করা হচ্ছে অভিযোগ তুলে তিনি আরও বলেন, গতকাল থেকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দিয়ে আমাদের নেতাদের হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমাদের দুই শ্রমিক নেতা শামসু মিয়া টুকু ও আবুল কালাম আজাদকে প্রশাসনের লোক পরিচয় দিয়ে তুলে নেওয়া হয়েছে। এভাবে ভয় দেখিয়ে আন্দোলন দমানো যাবে না।

পরিষদের আরেক সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবির জানান, গত ৩১ জানুয়ারি থেকে ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দৈনিক আট ঘণ্টা এবং ৩ থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত টানা কর্মবিরতি পালন করেছেন তারা। নৌ উপদেষ্টার আশ্বাসে শুক্রবার ও শনিবার কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়েছিল। কিন্তু প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করায় এবার আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার (বন্দর) মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, বন্দরের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা সবসময় সতর্ক রয়েছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন আছে।

সূত্র:ঢাকা পোস্ট