ঢাকা ০৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কক্সবাজারে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন ​কক্সবাজারের ২০ এলাকায় পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে ১ লাখেরও বেশি মানুষ কুতুবদিয়ায় লেমশীখালী-কৈয়ারবিল সংযোগ সেতু ধসে পড়েছে বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বাড়াতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিয়েও ৩৬৭ কোটি টাকা পাচ্ছে ব্রাজিল ১১ জুলাইয়ের মধ্যে সব ক্লিনিকে লেবার রুম স্থাপন না করলে লাইসেন্স বাতিল: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাগরে নিম্নচাপ, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত জাতীয় গ্রামীণ উন্নয়ন দিবস আজ ভারীবর্ষণে পাহাড়ধস – একরাতেই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিহত ৮,শহরে ১ জনের মৃত্যু গেলো ২৪ ঘন্টায় ১৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি : বাড়ছে পাহাড় ধসের ঝুঁকি পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড(পশ্চিম) শাখা যুবদলের সভাপতি মিজান সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ‎ ওয়াটার সেইফটি এন্ড ড্রাউনিং প্রিভেনশন: জেসিআই কক্সবাজারের ‘বে গার্ডিয়ানস ইনিশিয়েটিভ’র উদ্বোধন অপহরণের এক সপ্তাহ পর ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণে ফিরলেন বাহারছড়ার পল্লী চিকিৎসক কামাল উদ্দিন টেকনাফে শ্রমিক ফেডারেশনের নেতার হাতে শিবির কর্মী খুন,বিয়ের পিঁড়িতে বসা হলোনা নিহত শফিউল্লাহর লোহাগাড়ায় ডাম্পার-সিএনজির সংঘর্ষ,আহত-৪

লামায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন, ফাঁসিয়াখালীতে ১০৯৭ পরিবারের হাতে কার্ড

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। এ কর্মসূচির আওতায় লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ১ হাজার ৯৭টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মন্ত্রী প্রতীকীভাবে পাঁচটি পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার হলো পরিবারভিত্তিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য নিরসন এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জেলায় ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ মোট ১২টি জাতিগোষ্ঠীর অনেক পরিবার দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র্য ও খাদ্য সংকটে ভুগছে। নিয়মিত আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী নিশ্চিত করা গেলে এসব পরিবারের জীবনমান উন্নত হবে এবং সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ১ হাজার ২৭৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ের সময় ১৩৮টি পরিবারের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরে যাচাই শেষে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারের তালিকা চূড়ান্ত করে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয় এবং তাদের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়।
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রচলিত বিভিন্ন ভাতার তুলনায় বেশি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। কার্ডের অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছাবে, যা নারীর আর্থিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলো নিয়মিত সহায়তার মাধ্যমে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার আবদুর রহমান, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মিলটন মুহুরী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. জাবেদ রেজা এবং সাবেক মেয়র আমির হোসেনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে দুপুর ১২টায় মন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে লামা উপজেলা পরিষদ মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দেন। জনসভায় লামা, আলীকদমসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপন

লামায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন, ফাঁসিয়াখালীতে ১০৯৭ পরিবারের হাতে কার্ড

আপডেট সময় : ০৭:২৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। এ কর্মসূচির আওতায় লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ১ হাজার ৯৭টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মন্ত্রী প্রতীকীভাবে পাঁচটি পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার হলো পরিবারভিত্তিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য নিরসন এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জেলায় ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ মোট ১২টি জাতিগোষ্ঠীর অনেক পরিবার দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র্য ও খাদ্য সংকটে ভুগছে। নিয়মিত আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী নিশ্চিত করা গেলে এসব পরিবারের জীবনমান উন্নত হবে এবং সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ১ হাজার ২৭৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ের সময় ১৩৮টি পরিবারের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরে যাচাই শেষে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারের তালিকা চূড়ান্ত করে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয় এবং তাদের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়।
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রচলিত বিভিন্ন ভাতার তুলনায় বেশি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। কার্ডের অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছাবে, যা নারীর আর্থিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলো নিয়মিত সহায়তার মাধ্যমে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার আবদুর রহমান, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মিলটন মুহুরী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. জাবেদ রেজা এবং সাবেক মেয়র আমির হোসেনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে দুপুর ১২টায় মন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে লামা উপজেলা পরিষদ মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দেন। জনসভায় লামা, আলীকদমসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।