ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ! প্রধানমন্ত্রীর হোটেল পরিচয়ে পর্যটককে হুমকি: সীগালের সেই ম্যানেজার কামরুল গ্রেফতার নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের দ্বিতীয় পর্বের ফ্রি খেলোয়াড় রেজিস্ট্রেশন চলছে নেপাল সফরে গেলেন জেইউসি সভাপতি নুরুল ইসলাম হেলালী পেকুয়ায় খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী পালিত লোহাগাড়ায় পুকুরে ডুবে দুই বোনের মর্মান্তিক মৃত্যু কুতুবদিয়ায় পানিতে ডুবে নারীর মৃত্যু লামার ফাইতংয়ে ৫ ইটভাটায় মোবাইল কোর্ট, সাড়ে ৩ লাখ টাকা জরিমানা হলদিয়া পালং বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল আজিজ মেম্বারের ৬ষ্ট মৃত্যুবার্ষিকী জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তি : কক্সবাজারে রাত ৮টায় শপিংমল ও দোকানপাট বন্ধের নির্দেশ গর্জনিয়া সীমান্তে বিজিবির অভিযান : ২ লাখ ইয়াবা উদ্ধার রামুতে কোমলমতি শিশু নিকেতনের “বর্ষার ভরসায় জীবনের গান গাই” ৭ম পর্ব অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে থাকা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে বড় ঘোষণা মিয়ানমার সরকারের শিক্ষকদের আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী ধানমন্ডি ৩২ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সন্দেহে আটক ১

লামায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন, ফাঁসিয়াখালীতে ১০৯৭ পরিবারের হাতে কার্ড

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। এ কর্মসূচির আওতায় লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ১ হাজার ৯৭টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মন্ত্রী প্রতীকীভাবে পাঁচটি পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার হলো পরিবারভিত্তিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য নিরসন এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জেলায় ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ মোট ১২টি জাতিগোষ্ঠীর অনেক পরিবার দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র্য ও খাদ্য সংকটে ভুগছে। নিয়মিত আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী নিশ্চিত করা গেলে এসব পরিবারের জীবনমান উন্নত হবে এবং সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ১ হাজার ২৭৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ের সময় ১৩৮টি পরিবারের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরে যাচাই শেষে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারের তালিকা চূড়ান্ত করে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয় এবং তাদের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়।
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রচলিত বিভিন্ন ভাতার তুলনায় বেশি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। কার্ডের অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছাবে, যা নারীর আর্থিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলো নিয়মিত সহায়তার মাধ্যমে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার আবদুর রহমান, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মিলটন মুহুরী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. জাবেদ রেজা এবং সাবেক মেয়র আমির হোসেনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে দুপুর ১২টায় মন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে লামা উপজেলা পরিষদ মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দেন। জনসভায় লামা, আলীকদমসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ!

লামায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন, ফাঁসিয়াখালীতে ১০৯৭ পরিবারের হাতে কার্ড

আপডেট সময় : ০৭:২৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। এ কর্মসূচির আওতায় লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ১ হাজার ৯৭টি পরিবারের মাঝে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টায় ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মন্ত্রী প্রতীকীভাবে পাঁচটি পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার হলো পরিবারভিত্তিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য নিরসন এবং খাদ্য নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জেলায় ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ মোট ১২টি জাতিগোষ্ঠীর অনেক পরিবার দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র্য ও খাদ্য সংকটে ভুগছে। নিয়মিত আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী নিশ্চিত করা গেলে এসব পরিবারের জীবনমান উন্নত হবে এবং সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ১ হাজার ২৭৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ের সময় ১৩৮টি পরিবারের জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকায় তাদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরে যাচাই শেষে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারের তালিকা চূড়ান্ত করে কেন্দ্রীয় কমিটির কাছে পাঠানো হয় এবং তাদের ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হয়।
ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রচলিত বিভিন্ন ভাতার তুলনায় বেশি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। কার্ডের অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছাবে, যা নারীর আর্থিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারগুলো নিয়মিত সহায়তার মাধ্যমে তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার আবদুর রহমান, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মিলটন মুহুরী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. জাবেদ রেজা এবং সাবেক মেয়র আমির হোসেনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরে দুপুর ১২টায় মন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে লামা উপজেলা পরিষদ মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য দেন। জনসভায় লামা, আলীকদমসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা যায়।