ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে কালিমার ক্যালিগ্রাফি টেকনাফে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেফতার, র‌্যাবের ২টি মোটরসাইকেলে আগুন উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৫ জন হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আরসা সন্ত্রাসী গ্রেফতার লবণ চাষীদের গলা কাটছে ইজারাদার রামুতে অগ্নিকাণ্ডে বসতবাড়ি পুড়ে ছাই: প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি কউকে ভাঙ্গল ‘রিশাদ’ সিন্ডিকেট, ঘুষ ছাড়া মিলত না ভবন তৈরির অনুমতি লবণচাষীদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার দাবিতে মহেশখালী রান ২০২৬, রেজিস্ট্রেশন শুরু নাহিদের গতির ঝড় আর তানজিদের ব্যাটিং তাণ্ডবে পাকিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ খেজুর দূর করবে রোজার ক্লান্তি সাগরে নি’হত কুতুবদিয়ার দুই জেলে পরিবার পেলো সহায়তার ৫০ হাজার টাকা উখিয়ায় সেহেরির সময় দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে গৃহবধূর মৃত্যু সংসদে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি : সালাহউদ্দিন আহমদ গর্জনিয়ায় তাঁতীদলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল আরেক মামলায় আনিস আলমগীরের জামিন, মুক্তিতে ‘বাধা নেই’ পেট্রোল পাম্পে তেলের সরবরাহ বাড়িয়েছে বিপিসি

৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ গঠনে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিলসহ রাজধানীর সাত সরকারি কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে নতুন একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে মানসম্মত শিক্ষা, সময়মতো পরীক্ষা গ্রহণ, দ্রুত ফল প্রকাশ ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকেলে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিল করে রাজধানীর সাত সরকারি কলেজকে নিয়ে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ঢাকার কলেজগুলোর মানসম্মত শিক্ষা, সময়মতো পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল প্রকাশ— এ ধরনের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর খসড়া প্রণয়ন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে পাঠায়।

খসড়া অধ্যাদেশটি গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিভাগটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ অংশীজনের মতামত আহ্বান করা হয়। এতে পাঁচ হাজারের বেশি মতামত জমা পড়ে। অনলাইন ও সরাসরি মতবিনিময়ের পাশাপাশি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে তিনটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত গ্রহণ করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। বিভাগটি জানায়, সব মতামত আইনগত ও বাস্তবতার নিরিখে গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করে খসড়াটি পুনর্মূল্যায়ন ও পরিমার্জনের কাজ চলছে।

অধ্যাদেশ চূড়ান্ত করতে কিছুটা সময় লাগবে জানিয়ে বিভাগটি বলেছে, প্রস্তুতিকালে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়, এ বিষয়ে তারা সচেতন। প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত সাত কলেজের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে একজন অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি, রেজিস্ট্রেশন, ক্লাস পরিচালনা ইত্যাদি বিষয়ে অন্তর্বর্তী প্রশাসন, সাত কলেজের অধ্যক্ষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির প্রতিনিধিদের নিয়ে গত ১১ নভেম্বর এক সভায় করণীয় নির্ধারণ করা হয়। অন্তর্বর্তী প্রশাসনের অপারেশন ম্যানুয়েলও অনুমোদিত হয়েছে। এর আলোকে ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে ক্লাস শুরুর তারিখ ২৩ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিভাগটি বলেছে, উচ্চশিক্ষার ব্যাপকতা, সাত কলেজের শিক্ষক–কর্মকর্তাদের পদ সংরক্ষণ, কলেজগুলোর স্বাতন্ত্র্য, সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং উচ্চমাধ্যমিক স্তরের জন্য অন্তর্বর্তী ব্যবস্থাসহ একাধিক জটিলতাকে সামনে রেখে ধাপে ধাপে ও বিধিবদ্ধ পদ্ধতি অনুসরণ করে অধ্যাদেশ চূড়ান্ত করা হবে। এতে সময় লাগলেও সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে বিভাগটির অভিমত।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ আরও জানিয়েছে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াকে তারা দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা–কর্মচারী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবার ন্যায্য স্বার্থ সংরক্ষণ এবং ইতিবাচক একাডেমিক পরিবেশ গড়ে তোলাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। ব্যক্তিগত ধারণা, অসম্পূর্ণ তথ্য বা গুজবের ভিত্তিতে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থেকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়েছে বিভাগটি। শিক্ষার্থীদের মূল্যবান শিক্ষা জীবন এবং সামগ্রিক শিক্ষা কার্যক্রম যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয় সেজন্য সবার প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৬ মার্চ সরকার রাজধানীর সাত সরকারি কলেজকে পৃথক করে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ নামে নতুন একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের ঘোষণা দেয়। প্রস্তাবিত নামটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) নির্ধারণ করে। কলেজগুলো হলো— ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, মিরপুর বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট

ট্যাগ :

জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে কালিমার ক্যালিগ্রাফি

৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ গঠনে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০৪:৫৮:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিলসহ রাজধানীর সাত সরকারি কলেজকে একীভূত করে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে নতুন একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে মানসম্মত শিক্ষা, সময়মতো পরীক্ষা গ্রহণ, দ্রুত ফল প্রকাশ ও প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ নভেম্বর) বিকেলে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তি বাতিল করে রাজধানীর সাত সরকারি কলেজকে নিয়ে ‘ঢাকা কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়’ নামে একটি স্বতন্ত্র পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ঢাকার কলেজগুলোর মানসম্মত শিক্ষা, সময়মতো পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল প্রকাশ— এ ধরনের দীর্ঘদিনের যৌক্তিক চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ ২০২৫’-এর খসড়া প্রণয়ন করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে পাঠায়।

খসড়া অধ্যাদেশটি গত ২৪ সেপ্টেম্বর বিভাগটির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ অংশীজনের মতামত আহ্বান করা হয়। এতে পাঁচ হাজারের বেশি মতামত জমা পড়ে। অনলাইন ও সরাসরি মতবিনিময়ের পাশাপাশি শিক্ষক, শিক্ষার্থী, শিক্ষাবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে তিনটি মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মতামত গ্রহণ করে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। বিভাগটি জানায়, সব মতামত আইনগত ও বাস্তবতার নিরিখে গুরুত্বসহকারে পর্যালোচনা করে খসড়াটি পুনর্মূল্যায়ন ও পরিমার্জনের কাজ চলছে।

অধ্যাদেশ চূড়ান্ত করতে কিছুটা সময় লাগবে জানিয়ে বিভাগটি বলেছে, প্রস্তুতিকালে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম যেন ব্যাহত না হয়, এ বিষয়ে তারা সচেতন। প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আগ পর্যন্ত সাত কলেজের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে একজন অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি, রেজিস্ট্রেশন, ক্লাস পরিচালনা ইত্যাদি বিষয়ে অন্তর্বর্তী প্রশাসন, সাত কলেজের অধ্যক্ষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ইউজিসির প্রতিনিধিদের নিয়ে গত ১১ নভেম্বর এক সভায় করণীয় নির্ধারণ করা হয়। অন্তর্বর্তী প্রশাসনের অপারেশন ম্যানুয়েলও অনুমোদিত হয়েছে। এর আলোকে ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে ক্লাস শুরুর তারিখ ২৩ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিভাগটি বলেছে, উচ্চশিক্ষার ব্যাপকতা, সাত কলেজের শিক্ষক–কর্মকর্তাদের পদ সংরক্ষণ, কলেজগুলোর স্বাতন্ত্র্য, সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং উচ্চমাধ্যমিক স্তরের জন্য অন্তর্বর্তী ব্যবস্থাসহ একাধিক জটিলতাকে সামনে রেখে ধাপে ধাপে ও বিধিবদ্ধ পদ্ধতি অনুসরণ করে অধ্যাদেশ চূড়ান্ত করা হবে। এতে সময় লাগলেও সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে বিভাগটির অভিমত।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ আরও জানিয়েছে, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াকে তারা দেশের উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছে। শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা–কর্মচারী, অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্ট সবার ন্যায্য স্বার্থ সংরক্ষণ এবং ইতিবাচক একাডেমিক পরিবেশ গড়ে তোলাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। ব্যক্তিগত ধারণা, অসম্পূর্ণ তথ্য বা গুজবের ভিত্তিতে বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থেকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়েছে বিভাগটি। শিক্ষার্থীদের মূল্যবান শিক্ষা জীবন এবং সামগ্রিক শিক্ষা কার্যক্রম যেন কোনোভাবেই ব্যাহত না হয় সেজন্য সবার প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৬ মার্চ সরকার রাজধানীর সাত সরকারি কলেজকে পৃথক করে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ নামে নতুন একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের ঘোষণা দেয়। প্রস্তাবিত নামটি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) নির্ধারণ করে। কলেজগুলো হলো— ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, মিরপুর বাংলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ।

সূত্র: ঢাকা পোস্ট