ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর পিপি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন এড. রেজা কাঁকড়া চাষে উদ্বুদ্ধ করতে বিনামূল্যে পোনা বিতরণ মৎস্য অধিদপ্তরের ভূমি জালিয়াতি ও প্রতারণা মামলায় মহেশখালীর রহিম বাদশা কারাগারে সীমান্তের ওরা ২১ জন, ৫ লাখ করে মাদক ব্যবসার শেয়ার! রামুতে এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৫৯.২২ শতাংশ, জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০২ জন, শীর্ষে বাঁকখালী ও ক্যান্টনমেন্ট স্কুল শিক্ষক দম্পতির কন্যা ফাউজিয়ার সাফল্য, এসএসসিতে গোল্ডেন A+ সর্বোচ্চ মাদক উদ্ধারকারী কর্মকর্তা হিসেবে সম্মাননা পেলেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আলী প্রধানমন্ত্রী কি ভারত সফরে যাচ্ছেন, যা জানা গেল চকরিয়ায় ডাম্পারের ধাক্কায় ছাত্রদল নেতার মৃত্যু, আহত ২ এবারও ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে ছাত্রীরা ‘র’ প্রধান ঢাকায় মহেশখালীতে কোন বিদ্যালয়ে কত পাস: জিপিএ-৫ পাওয়ার শীর্ষে কোন প্রতিষ্ঠান এসএসসি: ৩১২ প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি, শতভাগ পাস ৬৬৯টিতে বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক চান নরেন্দ্র মোদি: ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী পেকুয়ায় এসএসসিতে পাসের হার ৪৮.৫৪%, দাখিলে ৭০.৭৬% : জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬৮ জন

রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী

রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ২ জুলাই। ২০১১ সালের এই দিনে তিনি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ধানমন্ডিস্থ রেনেসা ক্লিনিক প্রাইভেট লিমিটেডের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শারমিনা আফরোজ রেশমিন ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালে চট্টগ্রামের ইস্পাহানি পাবলিক স্কুলে বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি রামু ডিগ্রি কলেজে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ২০০৮ সালে কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে এ দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষাক্ষেত্রের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সক্রিয়। তিনি কক্সবাজার পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি, আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের পরিচালক, দানেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালক এবং সাহিত্য একাডেমি ও রোটারি ক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর উদ্যোগে ও নেতৃত্বে জেলার বেশ কয়েকটি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যক্তিজীবনে তিনি চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. ওসমান ফরিদের সহধর্মিণী ছিলেন। তাঁদের দুই কন্যা—পৃথুলা ও আত্রেয়ী—উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে বর্তমানে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

মরহুমার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী, শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এর পিপি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন এড. রেজা

রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী

আপডেট সময় : ০২:১২:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

রামু ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ, শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক শারমিনা আফরোজ রেশমিনের ১৫তম মৃত্যুবার্ষিকী ২ জুলাই। ২০১১ সালের এই দিনে তিনি দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার ধানমন্ডিস্থ রেনেসা ক্লিনিক প্রাইভেট লিমিটেডের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

শারমিনা আফরোজ রেশমিন ১৯৮৮ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে সর্বোচ্চ ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৯ সালে চট্টগ্রামের ইস্পাহানি পাবলিক স্কুলে বাংলা বিভাগের শিক্ষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি রামু ডিগ্রি কলেজে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ২০০৮ সালে কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত নিষ্ঠা ও সুনামের সঙ্গে এ দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষাক্ষেত্রের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি ছিলেন অত্যন্ত সক্রিয়। তিনি কক্সবাজার পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি, আনন্দ মাল্টিমিডিয়া স্কুলের পরিচালক, দানেশ ফাউন্ডেশনের পরিচালক এবং সাহিত্য একাডেমি ও রোটারি ক্লাবসহ বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবামূলক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। তাঁর উদ্যোগে ও নেতৃত্বে জেলার বেশ কয়েকটি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যক্তিজীবনে তিনি চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. ওসমান ফরিদের সহধর্মিণী ছিলেন। তাঁদের দুই কন্যা—পৃথুলা ও আত্রেয়ী—উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করে বর্তমানে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

মরহুমার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী, শিক্ষার্থী এবং সর্বস্তরের মানুষের কাছে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া প্রার্থনা করা হয়েছে।