ঢাকা ০৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘জুলাই রেভ্যুলুশনারি এ্যালায়েন্স’কক্সবাজার জেলা কমিটি ঘোষণা কাউন্সিলর একরাম হত্যা: হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত প্রতিবেদন টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের সামার এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে কক্সবাজারের মেয়ে ইয়াশনা ইকতার এসএসসি ফল প্রকাশের সাম্ভব্য তারিখ জানা গেল বঙ্গভবন ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন পারিবারিক কলহের জেরে মা-বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করে ছেলে : পুলিশ কোনো একসময় বাংলাদেশ বিশ্বকাপ ফুটবল খেলবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতারের দাবির বিষয়ে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত বহাল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির প্রথম কার্যদিবস আজ টিটিএনের সংবাদকর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ডিডাব্লিউ একাডেমির ইন-হাউস প্রশিক্ষণ কক্সবাজারের মেয়ে তাওয়াক্কুল নূর চৌধুরী স্নেহা নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস-২০২৬-এর জুডো বিভাগে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী মহেশখালীতে ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে ত্রুটি, সারাদেশে গ্যাসের সংকট নির্ভীক, স্পষ্টবাদী ও সৎ সাংবাদিক ছিলেন আতাহার ইকবাল-লুৎফুর রহমান কাজল এমপি নেপালের আন্তর্জাতিক সম্মেলনে আমন্ত্রিত কক্সবাজারের সন্তান সাংবাদিক ইরফান

যুদ্ধ থেমেছে, ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে?

যুদ্ধ একদিন থেমে যায়, অস্ত্রের শব্দ স্তব্ধ হয়, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন আকাশ আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে। কিন্তু যুদ্ধের প্রকৃত ক্ষত কেবল ধ্বংস প্রাপ্ত স্থাপনা বা ভাঙা সেতুতে সীমাবদ্ধ নয়; এর গভীরতম চিহ্ন রয়ে যায় মানুষের মনোজগতে, স্মৃতিতে এবং সমাজের ভেতরে।

একটি যুদ্ধের পর বহু মানুষ হারায় প্রিয়জন, হারায় নিরাপত্তাবোধ, হারায় ভবিষ্যতের স্বপ্ন। শিশুদের শৈশব, মায়েদের অপেক্ষা, পরিবারগুলোর ভাঙন, এসবের কোনো সহজ পুনর্গঠন নেই। যুদ্ধ থেমে গেলেই শান্তি ফিরে আসে না; শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ন্যায়বিচার, পুনর্মিলন, সহমর্মিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি মানবিক উদ্যোগ।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যুদ্ধের ক্ষত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান হতে পারে। তাই যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে শুধু অবকাঠামো নয়, মানুষের হৃদয়ও পুনর্নির্মাণ করতে হয়। প্রশ্নটি তাই থেকেই যায়, যুদ্ধ থেমেছে, কিন্তু ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে? হয়তো পুরোপুরি নয়। তবে মানবতা, ন্যায় এবং সহানুভূতির মাধ্যমে সেই ক্ষতকে অন্তত নিরাময়ের পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

‘জুলাই রেভ্যুলুশনারি এ্যালায়েন্স’কক্সবাজার জেলা কমিটি ঘোষণা

যুদ্ধ থেমেছে, ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে?

আপডেট সময় : ০৮:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

যুদ্ধ একদিন থেমে যায়, অস্ত্রের শব্দ স্তব্ধ হয়, ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন আকাশ আবার স্বাভাবিক হতে শুরু করে। কিন্তু যুদ্ধের প্রকৃত ক্ষত কেবল ধ্বংস প্রাপ্ত স্থাপনা বা ভাঙা সেতুতে সীমাবদ্ধ নয়; এর গভীরতম চিহ্ন রয়ে যায় মানুষের মনোজগতে, স্মৃতিতে এবং সমাজের ভেতরে।

একটি যুদ্ধের পর বহু মানুষ হারায় প্রিয়জন, হারায় নিরাপত্তাবোধ, হারায় ভবিষ্যতের স্বপ্ন। শিশুদের শৈশব, মায়েদের অপেক্ষা, পরিবারগুলোর ভাঙন, এসবের কোনো সহজ পুনর্গঠন নেই। যুদ্ধ থেমে গেলেই শান্তি ফিরে আসে না; শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ন্যায়বিচার, পুনর্মিলন, সহমর্মিতা এবং দীর্ঘমেয়াদি মানবিক উদ্যোগ।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, যুদ্ধের ক্ষত প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান হতে পারে। তাই যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে শুধু অবকাঠামো নয়, মানুষের হৃদয়ও পুনর্নির্মাণ করতে হয়। প্রশ্নটি তাই থেকেই যায়, যুদ্ধ থেমেছে, কিন্তু ক্ষতের চিহ্ন কি মুছবে? হয়তো পুরোপুরি নয়। তবে মানবতা, ন্যায় এবং সহানুভূতির মাধ্যমে সেই ক্ষতকে অন্তত নিরাময়ের পথে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।