ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ক্রেতা বিক্রেতা উভয়েই সচেতন হলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে ভোর রাতে সাংবাদিকের বাড়িতে ডাকাতি, বৃদ্ধ দম্পতিকে জিম্মি করে টাকা-স্বর্ণালংকার লুট রোহিঙ্গাদের জন্য আলাদা কারাগার তৈরীর প্রস্তাব। কক্সবাজারে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক র‍্যালি নাইক্ষ্যংছড়িতে বৃদ্ধার বোরকার ভিতরে মিলল ২০ হাজার ইয়াবা ২০২৬ বিশ্বকাপের ৪৮ দলের স্কোয়াড দেখে নিন এক নজরে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির চাপ থেকে ৬৫ ভাগ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মুক্ত রাখা হয়েছে : তথ্যমন্ত্রী কক্সবাজার উপকূলে এগোচ্ছে মৌসুমীবায়ু, দেশজুড়ে টানা বৃষ্টির আভাস ফুটবল রোমাঞ্চে ভরা রাত- মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও পর্তুগাল হ্যাটট্রিক শিরোপার মিশনে আজ ভারতের মুখোমুখি বাংলাদেশ মানবতার আয়োজনে মানববর্জ্যে পরিবেশের বাজছে বারোটা! ‌আপা-ভাইয়া বনাম “স্যার-ম্যডাম”: আমলাতন্ত্রের ভাষায় ঔপনিবেশিকতার দীর্ঘ ছায়া নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত থেকে তিন কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার নেতৃত্বের দৌড়ে এগিয়ে যারা টেকনাফে শীঘ্রই কমিটি পাচ্ছে ছাত্রদল গলায় চানাচুর আঁটকে শিশু আবিদের মৃত্যু

মাঝরাতে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল হোয়াইক্যং, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটালেন বাসিন্দারা

টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গভীর রাতে দুর্বৃত্তদের ফাঁকা গুলিবর্ষণের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হঠাৎ একের পর এক গুলির বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের। অনেকেই ভয়ে ঘর থেকে বের হতে সাহস পাননি।

বুধবার (৩ জুন) দিবাগত গভীর রাতে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াবাজার সাতঘরিয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ কলিমুল্লাহ জানান, রাত গভীর হলে হঠাৎ কয়েক দফা গুলির বিকট শব্দে তার ঘুম ভেঙে যায়। পরে এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, একদল সশস্ত্র ডাকাত ও মাদক কারবারি ওই এলাকায় ফাঁকা গুলিবর্ষণ করেছে।

তিনি বলেন, “রাতের নীরবতা ভেঙে একের পর এক গুলির শব্দ শুনে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। অনেকেই ভয়ে ঘরের বাইরে বের হননি।”

হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বাদশা মিয়াও গুলিবর্ষণের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে এবং এর পেছনে কী কারণ রয়েছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।

এদিকে গুলিবর্ষণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। বাসিন্দারা দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

টেকনাফের হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ হাফিজ বলেছেন, “নয়াবাজার সাতঘরিয়া পাড়া এলাকায় গুলিবর্ষণের বিষয়ে কেউ আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেনি। তবে রাতে পুলিশের টহল টিম দায়িত্ব পালন করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। গুলিবর্ষণের প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

ক্রেতা বিক্রেতা উভয়েই সচেতন হলে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে

মাঝরাতে গুলির শব্দে কেঁপে উঠল হোয়াইক্যং, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটালেন বাসিন্দারা

আপডেট সময় : ০৬:১২:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গভীর রাতে দুর্বৃত্তদের ফাঁকা গুলিবর্ষণের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হঠাৎ একের পর এক গুলির বিকট শব্দে ঘুম ভেঙে যায় স্থানীয় বাসিন্দাদের। অনেকেই ভয়ে ঘর থেকে বের হতে সাহস পাননি।

বুধবার (৩ জুন) দিবাগত গভীর রাতে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াবাজার সাতঘরিয়া পাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ কলিমুল্লাহ জানান, রাত গভীর হলে হঠাৎ কয়েক দফা গুলির বিকট শব্দে তার ঘুম ভেঙে যায়। পরে এলাকার লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন, একদল সশস্ত্র ডাকাত ও মাদক কারবারি ওই এলাকায় ফাঁকা গুলিবর্ষণ করেছে।

তিনি বলেন, “রাতের নীরবতা ভেঙে একের পর এক গুলির শব্দ শুনে সবাই আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। অনেকেই ভয়ে ঘরের বাইরে বের হননি।”

হোয়াইক্যং ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য বাদশা মিয়াও গুলিবর্ষণের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে এবং এর পেছনে কী কারণ রয়েছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি।

এদিকে গুলিবর্ষণের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা দেখা দিয়েছে। বাসিন্দারা দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

টেকনাফের হোয়াইক্যং পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ হাফিজ বলেছেন, “নয়াবাজার সাতঘরিয়া পাড়া এলাকায় গুলিবর্ষণের বিষয়ে কেউ আমাদের আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করেনি। তবে রাতে পুলিশের টহল টিম দায়িত্ব পালন করেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। গুলিবর্ষণের প্রকৃত কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা কামনা করেছেন স্থানীয়রা।