ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল চাষিরা লবণের ন্যায্যমূল্য পেতে শুরু করেছেন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওশানের ফুটবল টুর্নামেন্টে পরিচালক মিশু-ক্রীড়া-সাংস্কৃতিক আয়োজন পর্যটন সেবায় কর্মীদের মনোবল বাড়ায় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল অভিনেতা ডন গ্রেফতার কোনো প্ররোচনায় বাংলাদেশের মানুষ আর বিভ্রান্ত হবে না জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য নিশ্চিতের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর ধূমপায়ীদের রক্তে মিললো মাইক্রোপ্লাস্টিক, রয়েছে হার্ট অ্যাটাকের উচ্চ ঝুঁকি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী অলি আহমদ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপি থেকে ২ জনের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ কানায় কানায় পূর্ণ বাঁশখালীর সাগরপাড়ের সমাবেশস্থল পাঁচ বছরের মধ্যে শিক্ষা ব্যবস্থায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা হবে : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আজ আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস বিদ্যুৎকেন্দ্র, গভীর সমুদ্রবন্দরসহ চলমান মেগা প্রকল্প পরিদর্শনে মাতারবাড়িতে প্রধানমন্ত্রী মহেশখালীর মাতারবাড়িতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী  প্রধানমন্ত্রীর আগমনের অপেক্ষায় মাতারবাড়ি বিদ্যুৎকেন্দ্রে মন্ত্রী-এমপিসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা

বাজার সমিতির অফিসে চাচা-ভাতিজার ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাকান্ড! কুতুপালংয়ে চাঞ্চল্য, চুপ প্রশাসন

বিশ্বের সর্ববৃহৎ শরণার্থী শিবির রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া উখিয়ার কুতুপালং বাজার। যেখানকার বাজার ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ব্যবহার করে খোদ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রুবেল ও তার আপন চাচা যুবদল নেতা মোহাম্মদ কামালের বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারার অভিযোগ উঠেছে।

এঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য বিরাজ করলেও এখনো প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দেখা মিলেনি দৃশ্যমান পদক্ষেপ।

জানা গেছে, গত ৬ জুলাই ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে রহিম ও বশর নামে দুই রোহিঙ্গাকে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করে বাজার সমিতির রাত্রিকালীন প্রহরীরা।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বাজার সমিতির অফিসে নিয়ে আটক ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে প্রায় ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ১৪ হাজার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারা ও আটক ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ে দফারফা করা হয় সমিতির অফিসে, যেখানে নেতৃত্ব দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুবেল ও তার চাচা কামাল।

ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠেছে।

যদি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়ে থাকে, তাহলে তা কেন সরাসরি পুলিশ বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়নি? ভোর সাড়ে পাঁচটার সময় সমিতির কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিরা কীভাবে উপস্থিত ছিলেন? কথিত জব্দ করা ইয়াবার পরবর্তী হেফাজত কার কাছে ছিল এবং সেগুলোর কী হয়েছে? মুক্তিপণ দাবির অভিযোগের সত্যতা কতটুকু? এবং ঘটনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরা কেন বন্ধ ছিল?

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদককে কেন্দ্র করে ছিনতাই, অপহরণ, গুম ও হত্যার মতো অপরাধ বেড়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মাদকের টাকা উদ্ধারের জন্য শিশুদেরও অপহরণের ঘটনা ঘটছে বলে তারা দাবি করেন।

এসব ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কুতুপালং বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির মনোনয়ন পেলেন মির্জা ফখরুল

বাজার সমিতির অফিসে চাচা-ভাতিজার ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাকান্ড! কুতুপালংয়ে চাঞ্চল্য, চুপ প্রশাসন

আপডেট সময় : ০২:৩২:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

বিশ্বের সর্ববৃহৎ শরণার্থী শিবির রোহিঙ্গা ক্যাম্প লাগোয়া উখিয়ার কুতুপালং বাজার। যেখানকার বাজার ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ব্যবহার করে খোদ সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ রুবেল ও তার আপন চাচা যুবদল নেতা মোহাম্মদ কামালের বিরুদ্ধে ৩০ লাখ টাকার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারার অভিযোগ উঠেছে।

এঘটনায় এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য বিরাজ করলেও এখনো প্রশাসন কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে দেখা মিলেনি দৃশ্যমান পদক্ষেপ।

জানা গেছে, গত ৬ জুলাই ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে রহিম ও বশর নামে দুই রোহিঙ্গাকে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক করে বাজার সমিতির রাত্রিকালীন প্রহরীরা।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, বাজার সমিতির অফিসে নিয়ে আটক ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করা হয়।

অভিযোগ উঠেছে প্রায় ১৪ লাখ টাকা মূল্যের ১৪ হাজার ইয়াবা ভাগ-বাঁটোয়ারা ও আটক ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬ লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ে দফারফা করা হয় সমিতির অফিসে, যেখানে নেতৃত্ব দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক রুবেল ও তার চাচা কামাল।

ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রশ্ন উঠেছে।

যদি ইয়াবা উদ্ধার করা হয়ে থাকে, তাহলে তা কেন সরাসরি পুলিশ বা অন্য কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়নি? ভোর সাড়ে পাঁচটার সময় সমিতির কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিরা কীভাবে উপস্থিত ছিলেন? কথিত জব্দ করা ইয়াবার পরবর্তী হেফাজত কার কাছে ছিল এবং সেগুলোর কী হয়েছে? মুক্তিপণ দাবির অভিযোগের সত্যতা কতটুকু? এবং ঘটনার সময় সিসিটিভি ক্যামেরা কেন বন্ধ ছিল?

স্থানীয়দের অভিযোগ, এলাকায় মাদককে কেন্দ্র করে ছিনতাই, অপহরণ, গুম ও হত্যার মতো অপরাধ বেড়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মাদকের টাকা উদ্ধারের জন্য শিশুদেরও অপহরণের ঘটনা ঘটছে বলে তারা দাবি করেন।

এসব ঘটনায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে কুতুপালং বাজার দোকান মালিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।