ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গর্জনিয়ায় মোটরসাইকেল চালক সমিতির ইফতার মাহফিল চকরিয়ায় গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে স্থলমাইন বিস্ফোরণ : উড়ে গেল কাঠুরিয়ার পা ভিন্ন আবহে আরেকটি ৭ মার্চ মাল্টিমিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন কক্সবাজারের আহবায়ক কমিটি গঠিত – আহবায়ক: মোজাম্মেল হক, সদস্য সচিব: আরোজ ফারুক ‘আমার মত অনেক মেয়ে আপেল মাহমুদের কাছে নির্যাতিত’ -লাইলা পরী পেকুয়ায় মা–মেয়ের এক মাসের কারাদণ্ডের অন্তরালে “নব্য জাহেলিয়াত থেকে মুক্তির জন্য ইসলামী অনুশাসনের বিকল্প নেই – আনোয়ারী সিবিআইইউতে বিবিএ ডিপার্টমেন্টের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা বেঁধে দিল বিপিসি রামুতে সরঞ্জাম ও জাল টাকাসহ যুবক আটক সাগরপাড়ে প্রশান্তির ইফতার রত্নগর্ভা রিজিয়া আহমেদ স্মরণে ফেইম ফাউন্ডেশনের ইফতার ও ঈদসামগ্রী বিতরণ ইফতারে দই-চিড়া কেন খাবেন? আরকান আর্মির হাতে আটক তিন বাংলাদেশিকে ফেরত আনল বিজিবি

কক্সবাজারের ডাক্তার দম্পতির সন্তানের ফাহিমের অনন্য সাফল্য: মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ

কক্সবাজার জেলাধীন মহেশখালীর ডাক্তার দম্পতির মেধাবী সন্তান ফাহিম শামস্ খান (শ্রেষ্ঠ) এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং একই সাথে মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ লাভ করেছেন।

ফাহিম ঢাকার নটরডেম কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে (ইংরেজি ভার্সন) গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি ঢাকার শেরেবাংলা নগরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে প্রথম বর্ষ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির যোগ্যতাও অর্জন করেছেন।
এর আগে, ২০২২ সালে ঢাকার ধানমন্ডির স্কলার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বৃত্তিসহ গোল্ডেন জিপিএ পেয়ে এসএসসি পাস করেন ফাহিম। ২০১৯ সালের জেএসসি পরীক্ষায়ও তিনি ছেলে-মেয়েদের সম্মিলিত মেধা তালিকায় বৃত্তিসহ ইংলিশ ভার্সনে গোল্ডেন জিপিএ নিয়ে ধানমন্ডি থানায় প্রথম হয়েছিলেন। ২০১৬ সালে একই স্কুল থেকে পিএসসিতেও গোল্ডেন জিপিএসহ মেধা বৃত্তি লাভ করেন তিনি।
ফাহিমের বাবা ডা. মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম খান একজন বিখ্যাত নিউরোসার্জন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহযোগী ও ইউনিট প্রধান। তার মা ডা. তাসলিমা বেগম রিংকু একজন স্বনামধন্য ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল ও রেডিয়েশন অনকোলজি কনসালটেন্ট।
ফাহিম ভবিষ্যতে একজন সুদক্ষ ও মানবিক ডাক্তার হতে চান। তিনি দেশে এবং আমেরিকার হার্ভার্ড মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি, কোর্স ও প্রশিক্ষণ নিয়ে তার বাবার মতো একজন দেশবরেণ্য নিউরোসার্জন হয়ে দেশের মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান। সে সকলের দোয়া প্রার্থী।

ট্যাগ :
আপলোডকারীর তথ্য

Mohammad Noman

মোহাম্মেদ নোমান কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার একজন তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল সাংবাদিক। তিনি স্থানীয় সংবাদমাধ্যম টিটিএন কক্সবাজার এর মাধ্যমে সাংবাদিকতায় যুক্ত হয়ে মাঠপর্যায়ে বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও সমসাময়িক বিষয় নিয়ে প্রতিবেদন করে পরিচিতি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি দেশের জনপ্রিয় টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভি অনলাইন এর টেকনাফ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাংবাদিকতার মাধ্যমে সীমান্তাঞ্চল টেকনাফের জনজীবন, উন্নয়ন, নিরাপত্তা ও মানবিক বিষয়গুলো জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরার ক্ষেত্রে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন। সততা, দায়িত্ববোধ ও মাঠভিত্তিক অনুসন্ধানী কাজের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় সাংবাদিকতায় একটি সম্ভাবনাময় নাম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার পথে এগিয়ে চলেছেন।

গর্জনিয়ায় মোটরসাইকেল চালক সমিতির ইফতার মাহফিল

কক্সবাজারের ডাক্তার দম্পতির সন্তানের ফাহিমের অনন্য সাফল্য: মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ

আপডেট সময় : ০২:৪২:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কক্সবাজার জেলাধীন মহেশখালীর ডাক্তার দম্পতির মেধাবী সন্তান ফাহিম শামস্ খান (শ্রেষ্ঠ) এইচএসসি পরীক্ষায় কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং একই সাথে মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ লাভ করেছেন।

ফাহিম ঢাকার নটরডেম কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে (ইংরেজি ভার্সন) গোল্ডেন জিপিএ-৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন। শুধু তাই নয়, তিনি ঢাকার শেরেবাংলা নগরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজে প্রথম বর্ষ এমবিবিএস কোর্সে ভর্তির যোগ্যতাও অর্জন করেছেন।
এর আগে, ২০২২ সালে ঢাকার ধানমন্ডির স্কলার্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে বৃত্তিসহ গোল্ডেন জিপিএ পেয়ে এসএসসি পাস করেন ফাহিম। ২০১৯ সালের জেএসসি পরীক্ষায়ও তিনি ছেলে-মেয়েদের সম্মিলিত মেধা তালিকায় বৃত্তিসহ ইংলিশ ভার্সনে গোল্ডেন জিপিএ নিয়ে ধানমন্ডি থানায় প্রথম হয়েছিলেন। ২০১৬ সালে একই স্কুল থেকে পিএসসিতেও গোল্ডেন জিপিএসহ মেধা বৃত্তি লাভ করেন তিনি।
ফাহিমের বাবা ডা. মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম খান একজন বিখ্যাত নিউরোসার্জন এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহযোগী ও ইউনিট প্রধান। তার মা ডা. তাসলিমা বেগম রিংকু একজন স্বনামধন্য ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ এবং বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটি হাসপাতালের ক্লিনিক্যাল ও রেডিয়েশন অনকোলজি কনসালটেন্ট।
ফাহিম ভবিষ্যতে একজন সুদক্ষ ও মানবিক ডাক্তার হতে চান। তিনি দেশে এবং আমেরিকার হার্ভার্ড মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি, কোর্স ও প্রশিক্ষণ নিয়ে তার বাবার মতো একজন দেশবরেণ্য নিউরোসার্জন হয়ে দেশের মানুষের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান। সে সকলের দোয়া প্রার্থী।