ঢাকা ০৬:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২ দশকেরও বেশী সময় পর রামুর হাতে শিরোপা টেকনাফে অপহরণের দুই দিন পর রোহিঙ্গা কিশোরী উদ্ধার, অভিযুক্ত পলাতক টেকনাফে মুক্তিপণ আদায়ের পরও অপহৃত ঈদগাঁওর ২ বাসিন্দা উদ্ধার পেকুয়ার শিলখালীতে মাদকবিরোধী অভিযান, আটক ২ মুরগির ওজনে কারসাজি : ৩ কেজি ৩০০ গ্রাম বলে বিক্রি, অন্য দোকানে ওজন ২ কেজি ২০০ গ্রাম বিষপান করে উখিয়া হাসপাতালে দিনমজুর মমতাজ : অ্যাম্বুলেন্স দিল না হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জসিম উদ্দিন হেলাল কে ভারতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে : দোয়া কামনা পরিবারের ঈদগাঁও উপজেলা সমবায় অফিসারের নিয়োগকৃত পশ্চিম গোমাতলী ভূমিহীন কৃষি সমবায় সমিতির নির্বাচন কমিটি বাতিল বাঁকখালী নদীকে সংকটাপন্ন ঘোষণা, দখলদার উচ্ছেদে হাইকোর্টের পুর্ণাঙ্গ রায় চট্রগ্রামে পুলিশের উপর হামলা: সন্ত্রাসী ‘বিহারী বগা’কে প্রধান করে ২৭১ জনের বিরুদ্ধে মামলা রান্নাঘর রেস্টুরেন্টসহ ৩ প্রতিষ্ঠানকে ৩৩ হাজার টাকা জরিমানা উখিয়া প্রেস ক্লাবের নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি শাহীন,সহ-সভাপতি সেলিম, সম্পাদক ফারুক কলেজে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ইমতিয়াজের মৃত্যু সীমান্তে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার ১৬ ডিসেম্বর আংশিক চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল

আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি,নিখোঁজ পেকুয়ার ১২জন

  • রেজাউল করিম
  • আপডেট সময় : ১২:৩৯:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • 468

মালয়েশিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী ট্রলার আন্দামান সাগর-এ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা থেকে অন্তত ১২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

নিখোঁজদের পরিবারগুলো দিন কাটাচ্ছেন চরম উদ্বেগ, আতঙ্ক আর অপেক্ষার প্রহর গুনে। সে সব পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা কেউ লবণ শ্রমিক, কেউ জেলে, আবার কেউ বেকার ছিলেন। অনেকেই পরিবারের অজান্তেই দালালদের প্রলোভনে পড়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় পা বাড়ান।

নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন, রাজাখালী ইউনিয়নের মিয়াপাড়া এলাকার আব্দু রহিমের ছেলে মোঃ বেলাল, আহমদ ছবির ছেলে মোঃ এহেসান, আব্দুল মালেকের ছেলে রহিম, হাজিরপাড়ার শহিদুল ইসলামের ছেলে সোহেল, নুরুল আমিনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম, নতুন ঘোনা গোদারপাড়ার বাদশা মিয়ার ছেলে রহুল কাদের, শহিদুল্লাহর ছেলে মানিক এবং আব্দুল হক কোম্পানির এক আত্মীয়। এছাড়া টৈটং ইউনিয়নের পেন্ডারপাড়া ও হিরাবুনিয়াপাড়া থেকে আরও ২ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ ও ৬ এপ্রিল পৃথকভাবে এসব যুবক সাগর পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পরে ৯ এপ্রিল আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্যমতে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আড়াই শতাধিক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।

নিখোঁজ এহেসানের মা মোহসেনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার ছেলের সাথে শেষ কথা হয়েছিল ট্রলারে ওঠার পর। সে বলেছিল—মা, চিন্তা করো না, পৌঁছে ফোন দিবো। সেই ফোন আর আসেনি। এখন শুধু অপেক্ষা করছি, আমার ছেলেটা ফিরে আসুক।

সোহেলের বাবা শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমার ছেলেটা পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিল। ভালো একটা জীবনের আশায় গেছে। এখন তার কোনো খোঁজ নেই—আমরা বাঁচব কেমনে?”

নিখোঁজ রহিমের স্ত্রী আজবাহার বেগম বলেন, “যাওয়ার সময় বলেছিলো—তোমাদের ভালো রাখবো। এখন আমি কাকে ধরে বাঁচবো? ছোট ছোট বাচ্চাগুলোর মুখের দিকে তাকাতে পারি না।”

রাশেদুল ইসলামের নানী ছফুরা খাতুন বলেন, “নাতিটা আমার চোখের সামনে বড় হয়েছে। বিদেশে গিয়ে কিছু করবো—এই স্বপ্ন নিয়া গিয়ছিলো। আল্লাহর কাছে একটাই দোয়া—তাকে ফিরিয়ে দাও।”

অন্যদিকে, বেলালের মা ছালেহা বেগম ও স্ত্রী সুমি আক্তার বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। স্বজনরা জানান, বেলাল সংসারের হাল ধরতেই এই ঝুঁকিপূর্ণ পথে পা বাড়িয়েছিলেন।

রাজাখালী ইউপির সদস্য নেজাম উদ্দিন নেজু জানান, নিখোঁজদের পরিবারের পাশে তারা সার্বক্ষণিক আছেন এবং তাদের খোঁজে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি দালালদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, টেকনাফ কেন্দ্রিক একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। তারা পেকুয়া ও বাঁশখালীর দরিদ্র ও হতাশাগ্রস্ত যুবকদের টার্গেট করে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর প্রলোভন দেখায়।

স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে, টৈটং ইউনিয়নের কেরুণছড়ি এলাকার আবুল হোসেন, তার মেয়ে হাসিনা বেগম ও জামাই হাবিবুর রহমানসহ আরও কয়েকজন এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। এছাড়া গুধিকাটা এলাকার আবু তাহেরের ছেলে বত, বাঁশখালীর ছনুয়া এলাকার ফোরকান ও রুবেলও এই সিন্ডিকেটে সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, রাজাখালী মাতবর পাড়ার বাসিন্দা আহমদ ছবির মেয়ের জামাই এবং টেকনাফের নুরুল আলমসহ কয়েকজন দালাল সরাসরি লোক সংগ্রহ করে ট্রলারে তুলে দেয়। তাদের সহযোগী হিসেবে সাহাব উদ্দিন, ফিরোজ ও সাইফুলের নামও উঠে এসেছে।

জনপ্রতি ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়ে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে এসব যুবকদের সাগরপথে পাঠানো হয়। কিন্তু সেই স্বপ্ন অনেক সময়ই রূপ নেয় মৃত্যুফাঁদে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মানবপাচার চক্র সক্রিয় থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

পেকুয়া থানার ওসি খাইরুল আলম জানান, পেকুয়া থানা এলাকার রাজাখালী ইউনিয়নের কয়েকজন লোক সাগর পথে মালেশিয়া যাওয়ার সময় নৌ ডুবির ঘটনা ঘটে যা আমরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জেনেছি । তাদের সাথে বর্তমানে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। নিখোঁজ পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাইনি। তবে এবিষয়ে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায় ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে তথ্য অনুসন্ধান চলছে।

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক শরীফ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

২ দশকেরও বেশী সময় পর রামুর হাতে শিরোপা

আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবি,নিখোঁজ পেকুয়ার ১২জন

আপডেট সময় : ১২:৩৯:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মালয়েশিয়াগামী একটি যাত্রীবাহী ট্রলার আন্দামান সাগর-এ ডুবে যাওয়ার ঘটনায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা থেকে অন্তত ১২ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এ ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

নিখোঁজদের পরিবারগুলো দিন কাটাচ্ছেন চরম উদ্বেগ, আতঙ্ক আর অপেক্ষার প্রহর গুনে। সে সব পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা কেউ লবণ শ্রমিক, কেউ জেলে, আবার কেউ বেকার ছিলেন। অনেকেই পরিবারের অজান্তেই দালালদের প্রলোভনে পড়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রায় পা বাড়ান।

নিখোঁজদের মধ্যে রয়েছেন, রাজাখালী ইউনিয়নের মিয়াপাড়া এলাকার আব্দু রহিমের ছেলে মোঃ বেলাল, আহমদ ছবির ছেলে মোঃ এহেসান, আব্দুল মালেকের ছেলে রহিম, হাজিরপাড়ার শহিদুল ইসলামের ছেলে সোহেল, নুরুল আমিনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম, নতুন ঘোনা গোদারপাড়ার বাদশা মিয়ার ছেলে রহুল কাদের, শহিদুল্লাহর ছেলে মানিক এবং আব্দুল হক কোম্পানির এক আত্মীয়। এছাড়া টৈটং ইউনিয়নের পেন্ডারপাড়া ও হিরাবুনিয়াপাড়া থেকে আরও ২ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ ও ৬ এপ্রিল পৃথকভাবে এসব যুবক সাগর পথে মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পরে ৯ এপ্রিল আন্দামান সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনা ঘটে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্যমতে, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত আড়াই শতাধিক যাত্রী নিখোঁজ রয়েছেন।

নিখোঁজ এহেসানের মা মোহসেনা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমার ছেলের সাথে শেষ কথা হয়েছিল ট্রলারে ওঠার পর। সে বলেছিল—মা, চিন্তা করো না, পৌঁছে ফোন দিবো। সেই ফোন আর আসেনি। এখন শুধু অপেক্ষা করছি, আমার ছেলেটা ফিরে আসুক।

সোহেলের বাবা শহিদুল ইসলাম বলেন, “আমার ছেলেটা পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ছিল। ভালো একটা জীবনের আশায় গেছে। এখন তার কোনো খোঁজ নেই—আমরা বাঁচব কেমনে?”

নিখোঁজ রহিমের স্ত্রী আজবাহার বেগম বলেন, “যাওয়ার সময় বলেছিলো—তোমাদের ভালো রাখবো। এখন আমি কাকে ধরে বাঁচবো? ছোট ছোট বাচ্চাগুলোর মুখের দিকে তাকাতে পারি না।”

রাশেদুল ইসলামের নানী ছফুরা খাতুন বলেন, “নাতিটা আমার চোখের সামনে বড় হয়েছে। বিদেশে গিয়ে কিছু করবো—এই স্বপ্ন নিয়া গিয়ছিলো। আল্লাহর কাছে একটাই দোয়া—তাকে ফিরিয়ে দাও।”

অন্যদিকে, বেলালের মা ছালেহা বেগম ও স্ত্রী সুমি আক্তার বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। স্বজনরা জানান, বেলাল সংসারের হাল ধরতেই এই ঝুঁকিপূর্ণ পথে পা বাড়িয়েছিলেন।

রাজাখালী ইউপির সদস্য নেজাম উদ্দিন নেজু জানান, নিখোঁজদের পরিবারের পাশে তারা সার্বক্ষণিক আছেন এবং তাদের খোঁজে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। পাশাপাশি দালালদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, টেকনাফ কেন্দ্রিক একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। তারা পেকুয়া ও বাঁশখালীর দরিদ্র ও হতাশাগ্রস্ত যুবকদের টার্গেট করে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর প্রলোভন দেখায়।

স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে, টৈটং ইউনিয়নের কেরুণছড়ি এলাকার আবুল হোসেন, তার মেয়ে হাসিনা বেগম ও জামাই হাবিবুর রহমানসহ আরও কয়েকজন এই চক্রের সঙ্গে জড়িত। এছাড়া গুধিকাটা এলাকার আবু তাহেরের ছেলে বত, বাঁশখালীর ছনুয়া এলাকার ফোরকান ও রুবেলও এই সিন্ডিকেটে সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, রাজাখালী মাতবর পাড়ার বাসিন্দা আহমদ ছবির মেয়ের জামাই এবং টেকনাফের নুরুল আলমসহ কয়েকজন দালাল সরাসরি লোক সংগ্রহ করে ট্রলারে তুলে দেয়। তাদের সহযোগী হিসেবে সাহাব উদ্দিন, ফিরোজ ও সাইফুলের নামও উঠে এসেছে।

জনপ্রতি ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা অগ্রিম নিয়ে উন্নত জীবনের স্বপ্ন দেখিয়ে এসব যুবকদের সাগরপথে পাঠানো হয়। কিন্তু সেই স্বপ্ন অনেক সময়ই রূপ নেয় মৃত্যুফাঁদে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মানবপাচার চক্র সক্রিয় থাকলেও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় তারা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

পেকুয়া থানার ওসি খাইরুল আলম জানান, পেকুয়া থানা এলাকার রাজাখালী ইউনিয়নের কয়েকজন লোক সাগর পথে মালেশিয়া যাওয়ার সময় নৌ ডুবির ঘটনা ঘটে যা আমরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জেনেছি । তাদের সাথে বর্তমানে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। নিখোঁজ পরিবারের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পাইনি। তবে এবিষয়ে প্রশাসনের উচ্চ পর্যায় ও গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে তথ্য অনুসন্ধান চলছে।

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক শরীফ বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।