ঢাকা ১২:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমরা রাজনীতি করি মানুষের জন্য, দেশের জন্য- পেকুয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুক্তিপণের দাবিতে পাহাড়ে আটকে নির্যাতন, পরে উদ্ধার কক্সবাজারে হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার সিএনজি অটোরিকশা থেকে ৭০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা ৫৪ বস্তা সার জব্দ, আটক ১ টেকনাফে কিশোরকে অপহরণ, ফোন করে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি পানি উন্নয়ন বোর্ড নয়, স্লুইসগেট দেখভাল করবে স্থানীয় প্রশাসন : পেকুয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঘুমের মাঝেই না ফেরার দেশে লোহাগাড়া থানার এসআই আজিজ ৬ ইঞ্চি করে খুলে দেওয়া হলো কাপ্তাই বাঁধের ১৬টি গেট পেকুয়ায় শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ঘর নির্মাণ সামগ্রী বিতরণ করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রক্ত, আগুন আর ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটে থমকে গিয়েছিল বাংলাদেশ ৫ মাস পূর্ণ করলো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে রাতে মুখোমুখি ফ্রান্স-ইংল্যান্ড  ইয়ামালকে ‘ঘরে আটকে’ রাখতে চান স্কালোনি

ইমামদের এই সমাজের দায়িত্ব নিতে হবে: জামায়াত আমির

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের ইমাম এবং খতিবরা কারও করুণার পাত্র হবেন- এটা আমরা দেখতে চাই না। খতিব-ইমামদের আসল মর্যাদা তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। মসজিদের ইমাম ও খতিবদের এই সমাজের দায়িত্ব নিতে হবে।

রোববার (২৩ নভেম্বর) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘সম্মিলিত ইমাম-খতিব জাতীয় সম্মেলনে’ তিনি এসব কথা বলেন। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র ইমাম মাওলান মুহিব্বুল্লাহিল বাকি আন নদভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর চরমোনাই, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জমিয়তে উলামায়ের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন মুফতি আজহারুল ইসলাম ও মুফতি শরিফুল্লাহ। সম্মেলনে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা, মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অধিকার সংরক্ষণ, ইমাম-খতিবদের সামাজিক নিরাপত্তা, সম্মানজনক ভাতা এবং মসজিদ পরিচালনার আধুনিক নীতিমালা প্রণয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একটি রোডম্যাপ উপস্থাপিত হয়।

জামায়াত আমির বলেন, রসুলে করিম (সা.) মহান রব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে দায়িত্ব পেয়েই মসজিদ গড়েছিলেন এবং মসজিদকে আল্লাহ তায়ালার পছন্দ অনুযায়ী মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তখন আলাদা কোনো ক্যাবিনেট হাউস ছিল না এবং আলাদা কোনো রাষ্ট্রপতি অথবা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ছিল না। সমস্ত আঞ্জাম দেওয়া হতো মসজিদে নববী (সা.) থেকে। বিভিন্ন ধর্মের, মতের মানুষ, সারা বিশ্ব থেকে প্রতিনিধি নিয়ে তাঁর কাছে এসেছেন। তিনি তাঁদের সবার সঙ্গে মিলিত হয়েছেন মসজিদে নববীতে (সা.) । নবীজির (সা.) এই সমাজকে বাদ দিয়ে মনগড়া কোনো মতবাদ তন্ত্রমন্ত্র দিয়ে যে সমাজ গড়া হবে, সেই সমাজ- আল্লাহর কসম! দুনিয়াকে শান্তি এবং সম্মান দুটোর কোনোটাই দিতে পারবে না।

সম্মেলনে উত্থাপিত খতিব-ইমামরা সাত দফা দাবি পেশ করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সব ধর্মের অধিকার সংরক্ষণ করে ইসলামি শরিয়াহকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। রাষ্ট্রের জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ডে ইমাম-খতিবদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটি, গ্রাম আদালত, দুর্যোগ প্রতিরোধ কমিটি এবং ইউনিয়নভিত্তিক সেবা কার্যক্রমে ইমাম-খতিবদের সম্পৃক্ত করতে হবে। সব মাদরাসার বিদ্যুৎ বিল মসজিদের ন্যায় ডিট্যারিফের আওতায় আনতে হবে এবং সব মসজিদ ও মাদরাসার পানি বিল ৫০ শতাংশ মওকুফ করতে হবে।

সূত্র:বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

আমরা রাজনীতি করি মানুষের জন্য, দেশের জন্য- পেকুয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ইমামদের এই সমাজের দায়িত্ব নিতে হবে: জামায়াত আমির

আপডেট সময় : ০১:৫২:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমাদের ইমাম এবং খতিবরা কারও করুণার পাত্র হবেন- এটা আমরা দেখতে চাই না। খতিব-ইমামদের আসল মর্যাদা তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। মসজিদের ইমাম ও খতিবদের এই সমাজের দায়িত্ব নিতে হবে।

রোববার (২৩ নভেম্বর) রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘সম্মিলিত ইমাম-খতিব জাতীয় সম্মেলনে’ তিনি এসব কথা বলেন। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সিনিয়র ইমাম মাওলান মুহিব্বুল্লাহিল বাকি আন নদভীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম পীর চরমোনাই, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জমিয়তে উলামায়ের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন মুফতি আজহারুল ইসলাম ও মুফতি শরিফুল্লাহ। সম্মেলনে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা, মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় অধিকার সংরক্ষণ, ইমাম-খতিবদের সামাজিক নিরাপত্তা, সম্মানজনক ভাতা এবং মসজিদ পরিচালনার আধুনিক নীতিমালা প্রণয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে একটি রোডম্যাপ উপস্থাপিত হয়।

জামায়াত আমির বলেন, রসুলে করিম (সা.) মহান রব্বুল আলামিনের পক্ষ থেকে দায়িত্ব পেয়েই মসজিদ গড়েছিলেন এবং মসজিদকে আল্লাহ তায়ালার পছন্দ অনুযায়ী মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। তখন আলাদা কোনো ক্যাবিনেট হাউস ছিল না এবং আলাদা কোনো রাষ্ট্রপতি অথবা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ছিল না। সমস্ত আঞ্জাম দেওয়া হতো মসজিদে নববী (সা.) থেকে। বিভিন্ন ধর্মের, মতের মানুষ, সারা বিশ্ব থেকে প্রতিনিধি নিয়ে তাঁর কাছে এসেছেন। তিনি তাঁদের সবার সঙ্গে মিলিত হয়েছেন মসজিদে নববীতে (সা.) । নবীজির (সা.) এই সমাজকে বাদ দিয়ে মনগড়া কোনো মতবাদ তন্ত্রমন্ত্র দিয়ে যে সমাজ গড়া হবে, সেই সমাজ- আল্লাহর কসম! দুনিয়াকে শান্তি এবং সম্মান দুটোর কোনোটাই দিতে পারবে না।

সম্মেলনে উত্থাপিত খতিব-ইমামরা সাত দফা দাবি পেশ করেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সব ধর্মের অধিকার সংরক্ষণ করে ইসলামি শরিয়াহকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। রাষ্ট্রের জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ডে ইমাম-খতিবদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটি, গ্রাম আদালত, দুর্যোগ প্রতিরোধ কমিটি এবং ইউনিয়নভিত্তিক সেবা কার্যক্রমে ইমাম-খতিবদের সম্পৃক্ত করতে হবে। সব মাদরাসার বিদ্যুৎ বিল মসজিদের ন্যায় ডিট্যারিফের আওতায় আনতে হবে এবং সব মসজিদ ও মাদরাসার পানি বিল ৫০ শতাংশ মওকুফ করতে হবে।

সূত্র:বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর