ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাদিপাহাড়ে সাইফুল হত্যাকান্ড : সিহাব নামের যুবক আটক চকরিয়ায় শিক্ষার্থীকে অপহরণ : যুবকের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ জেলা শাখার কমিটি অনুমোদন: সভাপতি জোবায়ের, সা: সম্পাদক ওসমান জ্বালানি তেলের দাম বাড়তেই কক্সবাজার-টেকনাফ রুটে বাসভাড়া বৃদ্ধি কক্সবাজারে ৪৪ লাখ ৯২ হাজার ইয়াবাসহ ১৩৫ কোটি টাকার মাদক ধ্বংস কক্সবাজার সদর থানার বিশেষ অভিযান: ২৪ ঘন্টায় গ্রেপ্তার ২৯ হলদিয়ায় কিশোরকে মারধর করে অপহরণ : থানায় অভিযোগ দায়ের মহেশখালীতে ঘুরতে এসে সড়ক দুর্ঘটনায় চকরিয়ার প্রবাসী যুবকের মৃত্যু লিংক রোডে এসআরবির হাতে আটক ২ ২ মাদক কারবারি : ইয়াবা উদ্ধার পেকুয়ায় সড়ক অবরুদ্ধ করে লবণবোঝাই, ট্রাকচালককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা দেশের স্বার্থ ও জনস্বার্থ বিবেচনা করেই কাজ করতে হবে-টেকনাফে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি কক্সবাজারে চালু হলো মাদকদ্রব্য অপরাধ দমনে তিন ট্রাইব্যুনাল পড়ে আছে মহেশখালীর ৮ হাজার কোটি টাকার পাইপলাইন নিখোঁজের ৮ বছর পর বালুখালীর জসিমকে  পঞ্চগড় থেকে ফিরে পেল পরিবার বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ : সারাদেশে বৃষ্টি বাড়ার সম্ভাবনা, কমবে তাপদাহ
ক্রীড়া সংস্থা বলছে দায় ইজারাদারের

ইজারাদার বলছে প্রতারক চক্র বিশৃঙ্খলা করেছে

  • আফজারা রিয়া
  • আপডেট সময় : ০৯:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • 659

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল শুক্রবার বিপুল দর্শকের চাপে ভেস্তে যায়। গ্যালারির ধারণক্ষমতার তিনগুণ দর্শক মাঠে ঢুকে পড়ায় খেলা স্থগিত হয়ে যায়। ঘটনাটিকে ঘিরে টিকিট বিক্রি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্রীড়া সংস্থা এবং টিকিট ইজারাদারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

শনিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে ইজারাদার প্রতিষ্ঠান নিজেদের নির্দোষ দাবি করে। তাদের বক্তব্য, তারা ৫০ টাকার টিকিট বৈধভাবে ছাপিয়ে বিক্রি করেছে। কিন্তু এক অসাধু চক্র বদর মোকাম সড়কের একটি ছাপাখানায় হাজার হাজার ভুয়া টিকিট ছাপিয়ে ফাইনালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। এমনকি তারা অবিক্রিত টিকিটও গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করেছে।

ইজারাদাররা বলেন, “আমরা অতিরিক্ত টাকার লোভে টিকিট বিক্রি করিনি। বরং প্রতারক চক্রের কারণে বিশৃঙ্খলা হয়েছে। দর্শকরা গেট ভেঙে ঢুকে পড়ে, ভাঙচুর আর অগ্নিসংযোগ করে খেলা নষ্ট করেছে।”

অন্যদিকে, ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দিন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, টিকিট ছাপানো বা বিক্রির সাথে ক্রীড়া সংস্থা কোনোভাবেই জড়িত নয়। নিলামের মাধ্যমে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। টিকিট ব্যবস্থাপনা, বিক্রয়মূল্য, দর্শক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব ছিল ঠিকাদারদের।

তিনি বলেন, “আমরা শুধু ভিআইপি গ্যালারি নিলামমুক্ত রেখেছিলাম। ৩০০ আসনের সেই গ্যালারিতে আমন্ত্রিত অতিথিরাই বসার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সাধারণ টিকিট বিক্রয়ের বিষয়ে আমরা কিছুই জানতাম না।”

বেশি দামে টিকিট বিক্রি প্রসঙ্গে আলাউদ্দিন বলেন, “খেলার আগের দিন ঠিকাদাররা বলেছিলো তারা ৫ হাজার টিকিট ছাপিয়েছে। কিন্তু খেলার দিন সকালে রামুর ইউএনও আমাকে জানান, একটি টিকিটে দুইজনকে গণনা করা হচ্ছে। পরে ঠিকাদাররা নিজেরাই স্বীকার করেছে যে চাহিদার কারণে তারা টিকিটের মুড়ির অংশকেও আলাদা টিকিট হিসেবে ধরেছে। এতে করে ৫ হাজার টিকিটে ১০ হাজার দর্শক মাঠে প্রবেশ করেছে।”

ট্যাগ :
জনপ্রিয় সংবাদ

জাদিপাহাড়ে সাইফুল হত্যাকান্ড : সিহাব নামের যুবক আটক

ক্রীড়া সংস্থা বলছে দায় ইজারাদারের

ইজারাদার বলছে প্রতারক চক্র বিশৃঙ্খলা করেছে

আপডেট সময় : ০৯:০০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল শুক্রবার বিপুল দর্শকের চাপে ভেস্তে যায়। গ্যালারির ধারণক্ষমতার তিনগুণ দর্শক মাঠে ঢুকে পড়ায় খেলা স্থগিত হয়ে যায়। ঘটনাটিকে ঘিরে টিকিট বিক্রি ও ব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্রীড়া সংস্থা এবং টিকিট ইজারাদারদের মধ্যে দেখা দিয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

শনিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করে ইজারাদার প্রতিষ্ঠান নিজেদের নির্দোষ দাবি করে। তাদের বক্তব্য, তারা ৫০ টাকার টিকিট বৈধভাবে ছাপিয়ে বিক্রি করেছে। কিন্তু এক অসাধু চক্র বদর মোকাম সড়কের একটি ছাপাখানায় হাজার হাজার ভুয়া টিকিট ছাপিয়ে ফাইনালে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। এমনকি তারা অবিক্রিত টিকিটও গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করেছে।

ইজারাদাররা বলেন, “আমরা অতিরিক্ত টাকার লোভে টিকিট বিক্রি করিনি। বরং প্রতারক চক্রের কারণে বিশৃঙ্খলা হয়েছে। দর্শকরা গেট ভেঙে ঢুকে পড়ে, ভাঙচুর আর অগ্নিসংযোগ করে খেলা নষ্ট করেছে।”

অন্যদিকে, ক্রীড়া সংস্থার পক্ষ থেকে জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা আলাউদ্দিন ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি জানান, টিকিট ছাপানো বা বিক্রির সাথে ক্রীড়া সংস্থা কোনোভাবেই জড়িত নয়। নিলামের মাধ্যমে ইজারাদার প্রতিষ্ঠানকে ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। টিকিট ব্যবস্থাপনা, বিক্রয়মূল্য, দর্শক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা সবকিছুর দায়িত্ব ছিল ঠিকাদারদের।

তিনি বলেন, “আমরা শুধু ভিআইপি গ্যালারি নিলামমুক্ত রেখেছিলাম। ৩০০ আসনের সেই গ্যালারিতে আমন্ত্রিত অতিথিরাই বসার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সাধারণ টিকিট বিক্রয়ের বিষয়ে আমরা কিছুই জানতাম না।”

বেশি দামে টিকিট বিক্রি প্রসঙ্গে আলাউদ্দিন বলেন, “খেলার আগের দিন ঠিকাদাররা বলেছিলো তারা ৫ হাজার টিকিট ছাপিয়েছে। কিন্তু খেলার দিন সকালে রামুর ইউএনও আমাকে জানান, একটি টিকিটে দুইজনকে গণনা করা হচ্ছে। পরে ঠিকাদাররা নিজেরাই স্বীকার করেছে যে চাহিদার কারণে তারা টিকিটের মুড়ির অংশকেও আলাদা টিকিট হিসেবে ধরেছে। এতে করে ৫ হাজার টিকিটে ১০ হাজার দর্শক মাঠে প্রবেশ করেছে।”