কক্সবাজারের হিমছড়ি সমুদ্র পয়েন্টে গোসলে নেমে নিখোঁজের একদিন পর পর্যটক এসএম নাফিসুর রহমান নিবীড় নামে আরও একজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ নিয়ে ঘটনায় পাঁচজনের প্রাণহানি হল।
বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে সমুদ্রসৈকতের কলাতলী সংলগ্ন ভাঙ্গারমুখ এলাকা থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নাফিসুর রহমান নিবীড় ( ২০ ) ঢাকার উত্তরা থানার আজিমপুর এলাকার নাবিবুর রহমানের ছেলে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার সকালে মেরিন ড্রাইভের হিমছড়ি এলাকার সৈকত থেকে নিখোঁজ থাকা মোহাম্মদ হারুন নামে আরও এক পর্যটকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
জেলা প্রশাসনের বিচকর্মিদের সুপারভাইজার মাহবুব আলম জানান, বুধবার বিকেলে মেরিন ড্রাইভের পেঁচারদ্বীপ এলাকার মৎস্য জাদুঘর সংলগ্ন মেরিনা রিসোর্ট সৈকতের সাগরে গোসলে নেমে ২ পর্যটক নিখোঁজের ঘটনার পর থেকে লাইফ গার্ড, বিচকর্মি, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশসহ সংশ্লিষ্টরা সন্ধানে উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রেখেছিল। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার সকালে হিমছড়ি সৈকতে জোয়ারের পানিতে ভেসে আসা মোহাম্মদ হারুনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল।
এদিকে রাত ৮ টার দিকে সৈকতের কলাতলী পয়েন্ট সংলগ্ন ভাঙ্গারমুখ এলাকায় জোয়ারের পানিতে একটি মৃতদেহ ভেসে আসতে দেখে স্থানীয়রা বিচকর্মি ও পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে বিচকর্মিদের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌছে মৃতদেহটি উদ্ধার করেছে।
পরে স্বজনরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি শনাক্ত করেন বলে জানান, বিচকর্মিদের এই সুপারভাইজার মাহবুব আলম। তিনি জানান, এ নিয়ে ঘটনায় ৫ জনের প্রাণহানি হল।
এর আগে, বুধবার বিকালে হিমছড়ির পেঁচারদ্বীপ মেরিনা রিসোর্টের জাদুঘর সৈকত সংলগ্ন সাগরে পর্যটকদের ৭ জন ও ৫ জনের পৃথক দুইটি দল গোসলে নেমেছিল। এসময় ভাটার স্রোতের টানে ভেসে যেতে দেখে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা ৩ জনকে মৃত অবস্থায় এবং একজনকে মুমূর্ষাবস্থায় উদ্ধার করে। আর ঘটনায় পর্যটকদের উভয়দলের একজন করে দুইজন নিখোঁজ ছিল।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 
























