বাবার বাড়ী ধরাধাম থেকে স্বামীর বাড়ী কৈলাসে ফিরবেন দেবী দূর্গা। তাই সব পথ মিশেছে সৈকতে।
দুপুর থেকেই সৈকতের লাবনী পয়েন্টে আসতে শুরু করে বিভিন্ন মন্ডপের প্রতিমা।
কক্সবাজার সৈকতের লাবনী পয়েন্টের বিজয়া দশমীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সরকারের ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এমন সমাজ গড়া হবে,এমন বাংলাদেশ নির্মিত হবে , যেখানে সকল ধর্ম, বর্নের সুবিধা বঞ্চিত মানুষের জিবনমানের উন্নয়ন হবে।
অনুষ্ঠানে সংসদ সদস্য শাহাজাহন চৌধুরী, লুৎফুর রহমান কাজল, শামীম আরা স্বপ্না, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
বিকেলের সূর্য তখন হেলান দিয়েছে পশ্চিমের আকাশে, তখন সমুদ্র পরিনত হয় জনসমুদ্রে। পূজারীদের কন্ঠে তখন বিদায়ের বেদনা আর নানান প্রত্যাশা।
ঘড়ির কাটায় তখন বিকেল ৫ টার কিছু পর, মঞ্চে উচ্চারিত হয় বিসর্জন মন্ত্র। তারপর মা দূর্গা কি জয় ধ্বনিতে সাগর জলে নিরঞ্জন করা হয় প্রতিমা।
জেলায় এবছর ৩২৪ মন্ডপে অনুষ্ঠিত হয় দুর্গাপূজা। যাতে ১৫৪ টি মন্ডপে প্রতিমা পূজা আর ১৭০ মন্ডপে ঘট পূজা অনুষ্ঠিত হয়।সৈকতে দেশের বৃহত্তম প্রতিমা বিসর্জন অনুষ্ঠানে তিনশোর অধিক প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়। যার মধ্য দিয়ে শেষ হয় সনাতন সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ এই শারদীয় দুর্গোৎসব।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 






















