কক্সবাজারের চকরিয়ায় ডেকে এনে এক দোকান কর্মচারীকে মারধর ও প্রায় ৫ ঘন্টা আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চকরিয়া পৌরসভা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী দোকান কর্মচারীর নাম আরফাত হোছাইন। তিনি কক্সবাজারের ঈদগাঁও এলাকার একটি ওষুধের দোকানের কর্মচারী। তাঁর বাড়ি চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায়।
মারধরে আহত হয়ে তিনি চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় চকরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন তিনি।
অভিযুক্ত জামায়াত নেতার নাম ফখরুল ইসলাম। তিনি জামায়াতে ইসলামীর চকরিয়া পৌরসভা শাখার নায়েবে আমির। মারধরের সময় তাঁর সঙ্গে আরও বেশ কয়েকজন সহযোগী ছিলেন।
আরাফাত হোছাইনের অভিযোগ, ঈদগাঁও এলাকায় ‘এশিয়া রেস্টুরেন্ট’ ও ‘কিং ফার্মেসি` নামের দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা নিয়ে ফখরুলের সঙ্গে দুই ব্যক্তির চুক্তি রয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী অপরপক্ষের বেশ কিছু পাওনা থাকলেও তা পরিশোধ করেননি। এ বিষয়ে অপরপক্ষকে দেওয়া একটি চেক প্রত্যাখাত হওয়ায় তাঁরা আইনি নোটিশ পাঠান। এতে ক্ষিপ্ত হন ফখরুল।
আরাফাত বলেন, গতকাল এ বিষয়ে মধ্যস্ততা করতে সহযোগিতা করার জন্য তাঁকে আরিফ নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে ফোনে চকরিয়ায় ডেকে নেন ফখরুল। সন্ধ্যায় চকরিয়া পৌঁছাতেই তাঁর ওপর হামলা ও মারধর করেন ফখরুল, তাঁর সহযোগী আরিফসহ ৮/১০ জন ব্যক্তি। মারধরের পর তাঁকে ওই এলাকার একটি ভবনের কক্ষে প্রায় ৫ ঘন্টা আটকে রাখা হয়। পরে একটি স্ট্যাম্পে সই নিয়ে তাঁকে ছেড়ে দেন হামলাকারীরা।
অভিযোগের বিষয়ে চকরিয়া পৌরসভা জামায়াতের নায়েবে আমির ফখরুল ইসলাম বলেন, আটক বা মারধরের বিষয় টি সঠিক নয়, আরাফাতের সাথে আমার দীর্ঘদিনের লেনদেন রয়েছে। ওই লেনদেন সংক্রান্ত হিসাব ও ডকুমেন্টস দিতে সে আমার কাছে এসেছিল।
চকরিয়া থানার ওসি আরিফুর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বার্তা পরিবেশক 





















