সমুদ্র বিকাল। রোদের উত্তাপ কিছুটা কমেছে। পশ্চিমের আকাশে হেলান দিয়েছে সূর্য। আর সব পথ মিশেছে সৈকতের লাবনী পয়েন্টে।
পিতৃগৃহ ধরাধাম থেকে পতীগৃহ কৈলাসে ফিরবেন দেবী দূর্গা, বিদায়ের ক্ষনে এই আয়োজন।
বুধবার দুপুর থেকেই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসতে শুরু করে প্রতিমা। বাদ্যের তালে ভক্তদের নাচে গানে মুখর হয়ে উঠে সৈকতের লাবনী পয়েন্ট।
একসময় সমুদ্র পরিনত হয় জনসমুদ্রে। ভক্ত অনুরাগী পূণ্যার্থী ছাড়াও এসেছে হাজার হাজার পর্যটক। ঢাকার নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা পর্যটক আব্দুল করিম জানান,এতো বড় আয়োজন, এতো মানুষ আর সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন সবকিছু মিলিয়ে দারুন একটা মুহূর্ত উপভোগ করলাম।
ঢাকার গোপীবাগ থেকে আসা দেবব্রত সেন জানান, প্রথমবার এসেছি, সৈকতের প্রতিমা বিসর্জনে এতো মানুষ হয় জানতাম না। খুব ভালোলাগছে।
এদিকে সাগর জলে প্রতিমা বিসর্জনের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে প্রস্তুত ছিলো লাইফনগার্ড সদস্যরা।
নিরাপত্তা জোরদারে দায়িত্ব পালন করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ, এসআরবি।
পশ্চিমের আকাশে দিনের ক্লান্ত সূর্য তখন নিস্তেজ হয়ে পড়ছিলো আর সাগর জলে জয় মা দূর্গা উচ্চারণে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় সনাতন সম্প্রদায়ের এই দুর্গোৎসব।
নিজস্ব প্রতিবেদক: 























